ডিজিটাল নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস-ডিএনএ

World best Online education and Money earning informer Network from Bangladesh.

Online education and Money eran Tutorial

Easy access,Get money eran sucess.Online money earn informer site.

Entertainment for All

All in One service in our site . Just access and go,enjoy,share with others .

All type of Android and iOS Mobile Apps

Enjoyale,smooth,easy,free Android,Windows Mobile Apps download now.

Dedicate Customer care 24/7-365

Exparince Customer care.Customer servie first,Any time, any where,any question, just ask me +880-1918-388-377

Showing posts with label আউটসোর্সিং. Show all posts
Showing posts with label আউটসোর্সিং. Show all posts

Thursday, 15 May 2014

অনলাইনে আয় এর সেরা সাইট।

অনলাইনে আয়” কথাটার সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত বিশেষ করে আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার ব্যবহার করে থাকি। অনলাইনে ইনকাম করার জন্য আজকাল সবাই উঠে পড়ে লেগেছে এবং বিভিন্ন জন বিভিন্ন সাইটে কাজ করছে, কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে- সবাই সব রকম সাইট থেকে পেমেন্ট পাচ্ছে না। তাই আজ আমি এমন কিছু সাইটের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব যেখানে কাজ করে আপনি হিউজ …পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন এবং পেমেন্ট থেকে ও বঞ্চিত হবেন না। P.T.C (Paid To Click) হল নতুন লোকের জন্য আয় করার সহজ উপায়। তবে এ পদ্বতিতে আপনাকে আয় করতে অনেক ধৈয্যের প্রয়োজন। এ পদ্বতিতে আপনাকে একটা নিদিষ্ট সাইটে রেজিস্ট্রিশন করার পর আপনাকে প্রতিদিন লগইন করে এদের দেওয়া নিদিষ্ট কিছু লিংকে বা এডে ক্লিক করে নিদিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হবে। এ পদ্বতিতে আপনি সাইটের উপর নির্ভর করে প্রতিটি এডে ক্লিক করার জন্য আপনাকে ০.০১ ডলার হতে ০.০৪ ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে। সাধারনত আপনার একা্উন্টে ১-৫ ডলার হলে আপনি বিভিন্ন পদ্বতিতে অর্থ উত্তোলন করতে পারেন। এ পদ্বতিতে একটি সাইটের সবগুলি এড ক্লিক করলে ২-৫ মিনিট সময় লাগবে। তবে দিন দিন P.T.C(Paid To Click) সারা পৃথিবীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠায় অনেক ফ্রড সাইট তৈরি হয়েছে। তাই বুজে শুনে বিভিন্ন P.T.C(Paid To Click) সাইটে রেজিস্ট্রিশন করা উচিৎ। কথা বাড়িয়ে লাভ নেই, এই সাইটে কিভাবে জয়েন করবেন এবং কি-রকম কাজ করে কিভাবে ইনকাম করবেন সে সম্পর্কে আলোচনা করা যাক.আমি যে সাইটগুলোয় কাজ করি তারমধ্যে অন্যতম হোলো। ClixSense
অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে এখানে click করুন
ধাপ-২:ওয়েবসাইটটি খুললে তার উপরে ডান দিকের Sign Up লিখাটিতে ক্লিক করুন।
ধাপ-৩: এবার যে ফরমটি আসবে তা যথাযথ ভাবে পূরণ করে
লেখাটির বাম পাশে টিক দিয়ে Create Account লিখাটিতে ক্লিক করুন
ধাপ-৪: এখন আপনি আপনার ইমেল অ্যাকাউন্টে গিয়ে ইমেলটি ভেরিফাই Link ক্লিক করুন
@ একটা নতুন ট্যাব ওপেন হবে।
সফলতার সাথে একটি একাউন্ট করেত সমর্থ হয়েছেন।
clixsense -তে কাজ করার পদ্ধতিঃ
ধাপ-১: clixsense প্রবেশ করে login এ ক্লিক করুন
ধাপ-২:প্রথমে এর ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার ইউজার আই.ডি (User ID) ও পাসওয়ার্ড (Password) টাইপ করে Login ক্লিক করুন
ধাপ-৩:লগিন হওয়ার পর অ্যাড দেখতে হোলে View Ads ক্লিক করুন।
ধাপ-৪:এরপর আপনি এ্যডগুলো দেখতে পাবেন। এর যেকোন একটা তে ক্লিক করুন। একটা নতুন ট্যাব ওপেন হবে।
এবার কিছুখন অপেক্ষা করলে দেখবেন
Click on the cat উপরের ছবির ভেতর বিরাল এর ছবির তে ক্লিক করুন।অতঃপর উপযুক্ত ছবিটি নির্বাচন করে
এবার নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
মানে আপনার অ্যাকাউন্টে $ জমা হোয়েছে
Page টির উপরের দিকে যতক্ষন Your click has been Validated লিখাটি না আসবে ততক্ষন পর্যন্ত আপনাকে ঐ Page এ থাকতে হবে।
এর জন্য আপনাকে ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হতে পারে। Your click has been Validated হয়ে গেলে আগের পেজে চলে যান এবং হুবহু একঐ পদ্বতিতে বাকি যে Advertisement গুলো আছে সেগুলো দেখুন। এভাবে ২৪ ঘন্টা পরপর প্রতিটি বিজ্ঞাপন একবার করে ক্লিক করতে পারবেন।প্রতিটি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার জন্য আপনি ১ সেন্ট হতে ৪ সেন্ট পেতে পারেন হয়তো অনেকে ভাবছেন চারটি এ্যাড দেখে মাত্র চার সেন্ট! আসল কথা হচ্ছে পিটিসি সাইটগুলোতে অধিক পরিমানে উপার্জন নির্ভর করে আপনার রেফারেল এর উপর। অর্থাৎ , যত বেশি রেফারেল তত বেশি উপার্জন। আপনার একজন রেফারেল নিজে এ্যাড দেখে যত আয় করবে তার অর্ধেকটাই যোগ হবে আপনার একাউন্টত।আর দেরি না করে এখুনি জইন করে ফেলুন ।
পেয়জা অ্যাকাউন্ট এখানে খুলুন।
চাইলে এই সাইটে থেকে ইনকাম কড়তে পারেন……..লিংক

Tuesday, 25 March 2014

বাংলাদেশে গুগল এডসেন্স চেক যেভাবে ভাঙাবেন

আমি অনেকদিন থেকে গুগল এডসেন্স এর চেক পেয়ে আসছি তাই অনেকেই আমাকে অনুরোধ করেছিলেন কিভাবে আমি গুগল এডসেন্স চেক ভাঙাই তার বিস্তারিত নিয়ে একটি পোষ্ট করতে আমিও কথা দিয়েছিলাম তা নিয়ে একটি পোষ্ট করবো। এ ব্যাপারে আমি টিটিতে একটি পোষ্ট লিখেছিলাম সেটাই আজ এখানে প্রকাশ করছি। সেদিন সকালে বাসার ছাদ থেকে দেখলাম ডিএইচএল এর গাড়ি এসেছে আমার বাসার সামনে আর তা থেকে নামছে ডিএইচএল ম্যাসেন্জার টিম এর সদস্যরা আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না আমার সে মাসের গুগল এডসেন্স চেক চলে এসেছে। যাই হোক এখন গুগল ভাঙানোর পদ্ধতি সম্বন্ধে বলি। 



এটি আমার ২০০৯ এর মে মাসের আয়ের চেক। গুগল এডসেন্স এর নিয়ম অনুযায়ী যে মাসের চেক তার পরের মাসের ত্রিশ তারিখে ছাড়া হয়। কুরিয়ারে আনলে তা তার পরের মাসের পাঁচ তারিখের মধ্যে পাওয়া যায়। আমার ক্ষেত্রেও তার ব্যাতিক্রম নয়। তাই মে মাসে গুগলে আমার আয়কৃত $438.77 থেকে কুরিয়ারের $28 কেটে $410.77 এর এডসেন্স চেক পাঠানো হয়েছে। এই চেকটির উপরের অংশছিড়ে রেখে নিচের এই অংশ টুকু ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এর সামনের দিকে আপনাকে কোন কিছুই করতে হবে না।
a1.JPG
এটি পেছনের অংশ এখানে চিন্হিত অংশে আপনার নাম (স্বাক্ষর নয়) লিখবেন। এডসেন্স এ যে নামটি দেয়া আছে সেই নামটি দেবেন যেমন এডসেন্স একাউন্টে আমার নামে MD এর পরে ডট ছিলনা তাই আমি সেভাবেই নাম লিখেছি।
আপনার এডসেন্স একাউন্টে যে নাম আছে সেই নামটি দিয়ে যে কোন ব্যাংকে একাউন্ট খুলুন। একাউন্টটি আমার মতে ষ্ট্যান্ডার্ড অথবা ইসলামী ব্যাংকে খুললেই ভালো। চেকটি ভাঙাতে ষ্ট্যান্টার্ড ব্যাংকে ও ইসলামী ব্যাংকে প্রায় ৩০০ টাকা, সরকারী ব্যাংকে প্রায় ৮০ টাকা আর যেকোন বেসরকরী ব্যাংকে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা চার্জ কাটবে। তবে ব্যালান্স আরো বেশী হলে ভাঙানোর খরচ বাড়তে পারে।আমি আগেও বলেছি ব্যাংকের লোকাল ব্রাঞ্চে একাউন্ট খুলতে পারলে টাকা কয়েকদিন আগে পাওয়া যায়। এরপর একাউন্ট খোলা হলে আপনার জমা বইয়ের সাথে চেকটি এটাচ করে তার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে ব্যাংকে জমা দিন প্রথমবার হলে একমাসের কিছু বেশী তারপর থেকে এক মাসের আগেই টাকা পাওয়া যাবে।
পূর্ব প্রকাশ M2M Communication Bangladesh



গুগল এডসেন্স এর পিন চিঠি না পাওয়ার ও ট্যাক্স ইনফরমেশনের সমাধান

গত কিছুদিন ধরে কয়েক জনের লেখায় দেখলাম তারা গুগল এডসেন্স পিন চিঠি পাচ্ছেনা। এজন্য তাদের একাউন্ট বন্ধ হওয়ার উপক্রম। তাই যারা এই ব্যাপারটি জানেননা তাদের জন্য এর সমাধানের উপায় বলার জন্য আমার এই টিউন করা। সাথে ট্যাক্স ইনফরমেশন সাবমিটের নিয়ম নিয়েও।

এডসেন্স পিন সমস্যার সমাধান

যদি পরপর তিনটি গুগল এডসেন্স পিন চিঠি আপনার ঠিকানায় ঠিকভাবে না পৌছে তাহলে এডসেন্স এর সাপোর্ট সেন্টারে লগ ইন করে রিসিভিং পেমেন্ট তারপর পিন অপশনে গিয়ে Continue করুন। তবে তৃতীয় পিন চিঠি পাবার সময় অতিক্রম করলে এডসেন্স একাউন্টের পিন অপশনেই এই লিংকটি চলে আসে এখন।
ads1.JPG
এরপর নিচর ফরমের মত যে ফরমটি আসবে সেটি পূরণ করুন।
ads2.JPG
তারপর আপনার ইমেইলে যে রিপ্লাইটি আসবে তার বিষয় অপরিবর্তিত রেখে আপনার কোন পরিচয়পত্র যেমনঃ জাতীয় পরিচয় পত্র বা ড্রাইভিং লাইসেন্স অর্থাৎ আপনাকে সনাক্ত করা যায় এমন কোন পরিচয়পত্র স্ক্যান করে সংযুক্ত করে পাঠান। কিছুক্সণের মধ্যেই দেখবেন আপনার পিন অপশনটি একটিভ হয়ে গেছে।

ট্যাক্স ইনফরমেশন সাবমিট

প্রথমেই বলে নেই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা যুক্তরাষ্ট্রে কোন কার্যক্রম আছে এমন ব্যাক্তিদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
ট্যাক্স ইনফরমেশন সাবমিটের জন্য ট্যাক্স ইনফরমেশন পেজে যান যা My Account ট্যাব এর সাব ট্যাবে থাকে। এরপরে “Or, use this wizard to find the correct form:“ এই লেখাটির নিচে No সিলেক্ট করে Continue তে ক্লিক করুন।
adsense-tax-3-1
এরপর যে অপশন আসবে সেখানে “Do you have U.S. Activities related to your participation in AdSense?“ এর নিচেও No সিলেক্ট করে Continue তে ক্লিক করুন।
adsense-tax-2
তারপর যে পেজ আসবে সেখানে খালি ঘরটিতে আপনার একাউন্টের পুরো নাম লিখে Submit বাটনে ক্লিক করুন।
adsense-tax-1
ব্যস হয়ে গেল ট্যাক্স ইনফরমেশন সাবমিট।

এডসেন্স একাউন্ট হচ্ছে না? এভাবে চেষ্টা করে দেখেন তো পেয়ে যেতে পারেন নতুন এডসেন্স একাউন্ট

কিছুদিন আগে রিয়া আপা তার ব্লগে বলেছিলেন হাবপেজ দিয়ে অপেক্ষাকৃত সহজে এডসেন্স পাওয়া যায়। তার কথা শুনে আমারও মনে হল যে গতবছর ডিসেম্বরে আমিও এডসেন্স একাউন্ট করেছিলাম এই হাবপেজ এর মাধ্যমে কোন পোস্ট ছাড়াই। আর উইবলি দিয়েও অনেক বন্ধুকে খুব সহজে এডসেন্স একাউন্ট করে দিয়েছিলাম একসময়। এরকম এডসেন্স রেভিনিউ শেয়ারিং সাইটের মাধ্যমে এডসেন্স করাটা কিছুটা সহজ কারন যে সাইটের মাধ্যমে করা হয় তাদের সাথে এডসেন্স এর চুক্তি থাকলে নতুন একাউন্টের জন্য এপ্লাই করলে সেখানে তাদের একপ্রকার রিকমেন্ডেশন থাকে। তো আজ হাবপেজ আর উইবলি দিয়ে কিভাবে খুব সহজে এডসেন্স একাউন্ট করা যায় এবং আরো সহজে এডসেন্স একাউন্ট কিভাবে পাওয়া যায় তাই নিয়েই আলোচনা করব।



উইবলি


উইবলিতে একাউন্ট করার পর এর মাধ্যমে যখন নতুন সাইট তৈরী করবেন তখন খেয়াল করবেন উপরের মেন্যু যেখান থেকে ড্রাগ করে পেজে এনে বসাবেন (উইবলিতে সিস্টেমটাই এমন) সেখানে এডসেন্স ও একটা অপশন আছে যেটা ড্রাগ করে আনলে আপনাকে এডসেন্স কনফিগার করতে বলবে। সেখানে আপনি I want to create new adsense account সিলেক্ট করে আপনার মেইল এড্রেস দিয়ে Accept এ ক্লিক করুন।







 এবার নিচের মত উইন্ডো এসে জানাবে আপনার এডসেন্স একাউন্ট এপ্লাই এর ব্যাপারে।



 এরপর সেই মেইল দিয়ে এডসেন্সে লগইন করে আপনার তথ্য আপডেট করুন। দেখেন তো কাজ হয় কিনা?


হাবপেজ


হাবপেজে একাউন্ট দিয়েও খুব সহজে এডসেন্স পাওয়া যায়। বাংলাদেশ বা ভারতের মত দেশগুলো থেকে পেতে হলে কিছু ভাল পোস্ট দিয়ে তারপর এপ্লাই করতে হবে আর ইউএসএ বা ইউকে থেকে কোন পোস্ট ছাড়াও এপ্লাই করতে পারেন।
যাইহোক এপ্লাই করার জন্য My account লিংক থেকে Affiliate settings এ যান।My Hub Pageএবার সেখান থেকে এডসেন্স Sign up ক্লিক করুন।
My Affiliate Settingsএরপরের পেজে যে মেইল দিয়ে একাউন্ট করতে চান তা চিন্হিত স্থানে লিখে Signup for Adsense এ ক্লিক করুন।
HubPages AdSense Signupদেখেন একদম সাথে সাথে পাবলিশার আইডি ও পেয়ে গেছেন !! এরপর এডসেন্স এ লগইন করে বাকী তথ্য আপডেট করুন। নতুন একাউন্ট পেয়ে যাওয়ার সম্বাবনই বেশী।
My Affiliate Earn Money

আরো একটি ট্রিকস এপ্লাই করতে পারেন যা দিয়ে নতুন এডসেন্স একাউন্ট পাবার সম্ভাবনা শতভাগ

সেটা হল ইউরোপ বা আমেরিকার কোন দেশে আপনার কোন আত্তীয় থাকলে তার ঠিকানায় এপ্লাই করেন। এসব ক্ষেত্রে Blogger, Hubpage এর মত সাইট গুলো দিয়ে কোন পোস্ট ছাড়াই(!) ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিশ্চিতভাবে আপনার এডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ হয়ে যাবে।
তো দেখুন না এর কোনটা আপনার কাজে আসে নাকি?



Monday, 17 February 2014

লাইকস প্লানেট থেকে পেমেন্ট সরাসরি পেজাতে উইথড্র করুন। (Part-7)

ফেসবুক লাইক করে আর্ন করার যত গুলো সাইট আছে তার মধ্যে লাইকস প্লানেটই সবচেয়ে ভাল। ১০০% পেমেন্ট নিশ্চয়তা থাকায় কাজ করে মজা। তবে লাইকস প্লানেটে কাজ করে টাকা উইথড্র করা ছিল খুব জটিল। আপনি যদি নূন্যতম ০.১০ ডলার আর্ন করতে পারেন তাহলে সেটা প্রথমে ওকেপেতে ট্রার্নস ফার করতে হতো। তারপর ইগোপে তারপর পেজাতে। কিন্তু নতুন সিস্টেম চালু হয়েছে পেজা মেথড লাইকস প্লানেট এ এড করে। আপনি যদি ১ ডলার ইনকাম করেন তাহলে সেটা পেজাতে সেন্ড করে মাত্র ১২ ঘন্টার মধ্যে পেয়ে যাবেন।
জীবনে অনেক ভাওতাবাজি সাইট এ কাজ করে যারা মনে করেন যে ইন্টারনেট থেকে টাকা কামানো যায় না তারা লাইকস প্লানেট এ একবার কাজ করে দেখেন অনেক সহজ।
লাইকস প্লানেট এ কী করে কাজ করবেন- আপনাকে প্রথমে সাইন আপ করতে হবে। তারপর আপনার ফেসবুক ইউজার নেম সেট করতে হবে। তারপর আর্নস পয়েন্টস এ গিয়ে ফেসবুক লাইক এ গিয়ে ধুমসে লাইক করতে থাকেন। একটা কথা বলে রাখি ১ ডলার= ৫০০০ পয়েন্টস। সুতরাং ৫০০০ পয়েন্টস আপনি আর্ন করতে গেলে শহীদ হয়ে যাবেন। কিন্তু কিছু সহজ উপায়ে মাত্র একদিনেই এই ৫০০০ পয়েন্টস ইনকাম করতে পারবেন। আমি পেজাতে যে পেমেন্ট পেয়েছি তা দেখুন নিচের ছবিতে


লাইকস প্লানেটে কীভাবে সাইন আপ করবেন, কী ভাবে ইউজার নেম সেট করবেন, কীভাবে রেফারেল বাড়াতে পারবেন, কীভাবে দ্রুত ও কম সময়ে অধিক আর্ন করতে পারবেন তা আমি আমার ব্লগে ছবি সহ পূর্নাঙ্গ টিউটোরিয়াল দিয়েছি, একটু নিচের পোস্ট গুলো ধৈর্য সহকারে পড়েন পেয়ে যাবেন।

যেভাবে লাইকস প্লানেটে ফেসবুক ইউজার নেম সেট করবেন ( Part-6)

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা লাইকস প্লানেটে ফেসবুক ইউজার নেম সেট করতে পারছেন না। তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট।
প্রথমেই লাইকস প্লানেটে লগইন করেন। আর যারা সাইন আপই করেন নাই তারা সাইন আপ করেন এখানে
লগইন করার পর অন্য একটি ট্যাবে ফেসবুক চালু করে রাখুন। লাইকস প্লানেটে লগইন করার পর নিচের লিঙ্গে ক্লিক করুন।
http://likesplanet.com/fbphotosusername.php
উপরের লিঙ্কে প্রবেশ করার পর নিচের চিত্র অনুসরণ করুন।

দেখতে পাবেন ফেসবুক ডিসপ্লে নেম নামে একটি বক্স এসেছে। ঐ বক্সে আপনার ফেসবুক ইউজার নেম দিন।
ফেসবুক ইউজার নেম পাবেন আপনার ফেসবুক প্রোফাইল লিংকে। www.facebook.com/xxxxx
লাল জায়গায় আপনার ফেসবুক ইউজার নেম থাকে। ইউজার নেম কপি করে উপরের হলুদ ফাকা জায়গায় পেস্ট করে দিন। তারপর সেট একাউন্টে ক্লিক করুন। তাহলেই ফেসবুক একটিভ হবে। তারপর ব্লগের নিম্নাংশে কিভাবে দ্রুত লাইক করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন তার পূর্নাঙ্গ টিউটোরিয়াল দেওয়া আছে।
তারপরও যদি কোন সমস্যায় পরেন তাহলে তো আমি আছি। 
আমার প্রোফাইল লিংক এবং মোবাইল নাম্বার ব্লগের নিচে দেওয়া আছে।

লাইকস প্লানেটে কাজ করে টাকা উইথড্র করবেন কীভাবে (Part-5)

যারা অলরেডি লাইকস প্লানেটে সাইন আপ করে কাজ শুরু করেছেন অথচ চিন্তা করছেন এই টাকা কীভাবে উইথড্র করবেন তাদের বলি চিন্তার কোন কারণ নাই।
আর যারা এখন লাইকস প্লানেটে সাইন আপ করেন নাই তারা দেরি না করে এখনি সাইন আপ করুন। এখানে
বলে রাখি লাইকস প্লানেট শুধু ওকেপে এবং পেপাল সাপোর্ট করে।  লাইকস প্লানেট, পেজা সরাসরি সাপোর্ট করে না। কিন্তু  লাইকস প্লানেট থেকে অতি সহজে পেজাতে টাকা ট্রান্সফার করা যায়। এজন্য প্রথমে ওকেপেতে টাকা ট্রান্সফার করতে হবে। ওকেপে আবার ইগোপে সাপোর্ট করে। ওকেপে থেকে ইগোপেতে টাকা পাঠাতে কয়েক মিনিট লাগে এবং কোন ট্রান্সফার ফি লাগে না। ইগোপে থেকে আবার পেজাতে পাঠানো যায় ইন্সট্যান্ট এবং ফ্রি চার্জে।
লাইকস প্লানেটে যদি মিনিমাম .১ ডলার ইনকাম করে থাকেন তাহলে সেটা তৎক্ষনাত ওকেপেতে সেন্ট করতে পারবেন।
ওকেপেতে সাইন আপ করা অত্যন্ত সহজ। তাই দেখানোর প্রয়োজন মনে করলাম না। কিন্তু ওকেপে থেকে কীভাবে ইগোপেতে টাকা ট্রান্সফার করবেন তা নিচের চিত্রে দেখুন।

চিত্রের ন্যায় operations এ ক্লিক করুন।
 এরপর withdraw money তে ক্লিক করুন।
স্ক্রল ডাউন করে নিচে ইগোপে দেখতে পাবেন। ঐ খানে ক্লিক করলে আপনার ইগোপের মেইল চাবে। তখন মেইল দিয়ে সেন্ড করবেন।
ওকেপেতে সাইন আপ করার লিংক এখানে।

Sign up for OKPAY and start accepting payments instantly.
বলে রাখা বাহুল্য যে, ওকে পে থেকে ইগোপেতে টাকা ট্রান্সফার করতে মিনিমাম ১.৫ ডলার লাগে। .১ ডলার সেন্ট করতে পারবেন না। .১ মানে মাত্র ৭.৫ টাকা। এখন ৭.৫ টাকা তো কোন ব্যাংকে এমনকি বিকাশও সাপোর্ট করে না। এই জন্য মিনিমাম ১.৫ ডলার হলে আপনি ওকেপে থেকে ইগোপেতে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।
ওকেপেতে সাইন আপ করার সময় ন্যাশনাল আইডি কার্ডের নাম অনুযায়ী সাইন আপ করবেন।
কারন ওকে পে এখন বর্তমানে ভেরিফাইড আইডি ছাড়া টাকা উইথড্র করতে দেয় না। ভেরিফাই করার জন্য আপনাকে আপনার আইডি কার্ড এর স্ক্যান কপি আপলোড করে দিলেই চলবে। এপ্রুভ হতে মাত্র ১ দিন লাগে।
সব ঠিক থাকলে ইগোপেতে টাকা ট্রান্সফার হয়ে যাবে।
ইগোপেতে কাজ করা অত্যন্ত সহজ।
ইগোপেতে সাইন আপের লিঙ্ক এখানে
উইথড্র অপশনে গিয়ে দেখবেন পেজা অপশন আছে।
পেজাতে টাকা সেন্ট হতে মাত্র ১ দিন লাগে।
পেজাতে টাকা চলে আসলে উইথড্র অপশনে গিয়ে দেখবেন বাংলাদেশের সকল ব্যাংক সাপোর্ট করে। যেকোন একটি ব্যাংকের ফুল ডিটেইলস দিয়ে উইথড্র দিলে পেজা থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকে আসতে সর্বোচ্চ ৭ দিন লাগে।
[আপনি যদি এই সব সহজ নিয়মকে মনে করেন অনেক বড় কঠিন ঝামেলা তাহলে আপনি বাংলাদেশ ত্যাগ করতে পারেন। কি করবেন, বলেন বাংলাদেশরে এই সব কম্পানি দেশই মনে করে না। এইজন্য পেমেন্টে এত ঝামেলা পোহাতে হয়।]
তো আপনারা যদি উপরোক্ত নিয়ম না বুঝতে পারেন তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

যারা লাইকস প্লানেটে সাইন আপ করতে পারছেন না তারা একটু এদিকে আসেন(Part-4)

অনেক অভিযোগ পাচ্ছি যে লাইকস প্লানেটে সাইন আপ করতে গেলে প্রবলেম হচ্ছে।
সাইন আপের লিংক এখানে
১ম  সমস্যা হল সাইন আপ করতে গেলে বলে Multiple accounts are not allowed. এইটার প্রধান কারন হচ্ছে আমাদের দেশে অনেকে ফ্রি নেট ইউজ করে। ফলে একই আইপি দেশের অনেক লোকের পি,সি তে সো করে। এর ফলে এই সমস্যাটি হয়ে থাকে।
২য় সমস্যা হল সাইন আপ করতে গেলে বলে Your account is not valid. এই সমস্যার কারন হতে পারে আপনি দুই বক্সে একই ইমেইল দিতে পারেন নাই। এর সমাধান হল আপনি আপনার জিমেইল এক ট্যাবে ওপেন রেখে সেই জিমেইল প্রোভাইড করুন সাইন আপ বক্সে। তাহলে হয়ে যাবে।
১ম সমস্যার সমাধান হিসাবে আপনি যা করতে পারেন তা নিচে দেওয়া হল-
আপনি আপনার পি,সি রিস্টার্ট করে আবার নেট কানেক্ট দিয়ে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। তাও যদি কাজ না হয় তাহলে আপনি আপনার নেটওয়ার্ক প্রোভাইডার চেঞ্জ করে দেখতে পারেন। ধরেন, আপনি গ্রামিন ফোন ইউজ করেন। তাহলে আপনি এয়ারটেল অথবা বাংলালিঙ্ক যে কোন একটা মোবাইল কম্পানির নেটওয়ার্ক কিছুক্ষনের জন্য ব্যবহার করে সাইন আপ করে নিতে পারেন।
একবার সাইন আপ হয়ে গেলে পরে যে নেটওয়ার্কই ইউজ করেন না কেন আর কোন সমস্যা নাই।
তাও যদি প্রবলেম একই থাকে শেষ চিকিৎসা হল প্রক্সি সফ্টওয়ার ইউজ করা।
একটি ভাল মানের প্রক্সি সফ্টওয়ার আপনি গুগলে সার্চ করে নিতে পারেন।
আমি একটি ফ্রি প্রক্সি সফ্টওয়ার দিচ্ছি। এখানে থেকে ডাউনলোড করুন।
সফ্টওয়ার ডাউনলোড করার পর আপনি ইন্সটল করে আমেরিকা অথবা অন্য যে কোন দেশ সিলেক্ট করে নিয়ে সাইন আপ করুন। ইনশাল্লাহ সমাধান হয়ে যাবে।
তাও যদি কাজ না হয় তাহলে প্রিমিয়াম কিছু আইপি সফটওয়ার আমি আপনাদের ফ্রি দিতে পারি যেগুলো খুবই ভালো। এগুলো দিয়ে আপনারা নানান সাইটে কাজ করতে পারবেন। ক্রেইগলিস্টে যারা করেন তারাও করতে পারবেন। তাছাড়া আমেরিকান যেসব সাইটে প্রবেশ করা যায় না সেগুলোতেও ভিজিট করতে পারবেন।
সফ্টওয়ার গুলি ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে ছোট একটি সারভে কমপ্লিট করতে হবে।  ডাউনলোড করুন এখানে
এরপরও আর কোন সমস্যা হলে আমাকে পাবেন ফেসবুকে।
ফেসবুকের লিঙ্ক মোবাইল নাম্বার সাইটের একদম নিচে দেওয়া আছে।

কীভাবে লাইকস প্লানেটে সাইন আপ করবেন (Part-2)

লাইকস প্লানেটে সাইন আপ করা অত্যন্ত সহজ একটি কাজ। লাইকস প্লানেটে সাইন আপ করতে এখানে ক্লিক করুন।
নিচের ছবির মত সাইন আপ করুন।

ইউসারনেম বক্সে আপনি আপনার ইউনিক নেম দিন। ইমেইল বক্সে এবং রিপিট মেইল বক্সে একই মেইল প্রবেশ করুন। পাসওয়ার্ড বক্স ও রিপিট পাসওয়ার্ড বক্সে একই পাসওয়ার্ড দিন। রেফারেল বক্সে আমার নাম 4hdddd দেওয়া আছে।
এখন রেজিস্টারে ক্লিক করুন। সবকিছু ঠিক থাকলে তৎক্ষনাত সাইন আপ হয়ে যাবে। ইমেইল ভেরিফিকেশনের জন্য আপনার মেইল বরাবরে কোম্পানি একটি কন্ফার্মেশন ইউআরএল পাঠাতে পারে। তখন আপনি আপনার মেইলে গিয়ে কনফার্ম করে দিবেন। এইভাবে আপনি আপনার একাউন্ট ক্রেট করতে পারেন।
না বুঝলে আমি তো আছিই। আমার ঠিকানা নিচে দেওয়া হল
গুগল প্লাস লিংক এখানে।
ফেসবুকে পাবেন এখানে।

কাজ না জেনেও টাকা ইনকাম করুন ফ্রীল্যান্সারদের মত (১০০% নিশ্চয়তা)(Part-1)

আমাদের দেশে অনেক ফ্রিল্যান্সাররা কষ্ট করে কাজ শিখে বিদেশি ডলার ইনকাম করে দেশের রেমিটেন্স বাড়াচ্ছেন। সেই দেশপ্রেমিক ভাইদের আমার সালাম।

তো আমাদের মধ্যে অনেকেরও ইচ্ছা যে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা। সেই আশায় আমরা গুগলে লেখি how to earn money online. কিন্তু এই লেখাই আমাদের মূল্যবান সময় গুলো ধ্বংশ করে দেয়। আমার নানার পিটিসি সাইটে সাইন আপ করে খাই ধরা। সারাদিন ক্লিক করে পাই কিছু সেন্ট। মিনিমাম উইথড্র অপশনে যাওয়ার আগেই দেই ছেড়ে। আরও কত সব স্কাম সারভে সাইটে গিয়ে পদে পদে আক্রান্ত হই স্প্যামারদের হাতে। যাই হোক আমি নিজেও খেয়েছি বহুত ধরা। ফ্রিল্যান্সার ভাইয়েরা গ্রাফিক্স ডিসাইন, এসইও, ওয়েব ডেভিলপিং শিখে অনেক টাকা উপার্জন করে। আমি আপনাদের যে কাজ দেখাব সেই কাজ করে বড় ভাইদের মত না পারুন মাস শেষে পকেট খরচ, ইন্টারনেট বিল এইসব মেটাতে পারেন। তো যাই হোক অনেক অপ্রাসাঙ্গিক কথা বলে ফেলেছি। এখন কাজের কথায় আসি।

বলে রাখি, এই কাজ এ যদি আপনি অংশগ্রহন করেন, তাহলে সাইন আপের আধা ঘন্টার মধ্যে কাজ করে টাকা উইথড্র করতে পারবেন।

কাজের বর্ননা- ফেসবুক লাইক, শেয়ার, ইউটিউব লাইক/ডিসলাইক ইত্যাদি।

জীবনের প্রথম ইনকাম যদি অনলাইনের মাধ্যমে করতে চান তাহলে জয়েন করেন। ইচ্ছা না থাকলে জয়েন করবেন না। প্রথম আধা ঘন্টায় আপনি .১৩ ডলার ইনকাম করতে পারবেন। আর সেটা তৎক্ষনাত সেন্ড করতে পারবেন আপনার পেজা একাউন্টে।

তো দেরি না করে এখনি সাইন আপ করুন আর প্রমান করুন যে আসলেই এত সহজে টাকা ইনকাম করে উইথড্র করা যায়।

সাইন আপ করুন এখানে

পেমেন্ট প্রুফ দেখুন নিচে




শুধু এই সাইটের মাধ্যমে আপনি দিনে যদি কমপক্ষে দেড় ঘন্টা সময় দিতে পারেন তাহলে আপনি প্রতিদিন ৫ ডলার বা তারও বেশি ইনকাম করতে পারবেন। সেই ট্রিক্সটা জানার জন্য আমার ব্লগ ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আমরা ইন্টারনেটে আর কিছু করি আর না করি অন্তত ফেসবুক চালাই সবাই। এই ফেসবুক মেথডকে কাজে খাটাতে পারলে আপনি দিনে ৫ ডলার কেন তারও বেশি ইনকাম করতে পারবেন। 

একটা গড় হিসাব করলে দেখা যায়, আমাদের প্রতিজনের এভারেজ ১০০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ডস আছে। এখন আপনি যদি লাইকস প্লানেটে সাইন আপ করে থাকেন তাহলে দেখবেন আপনার এফিলেট লিংক আছে। এই রেফার লিংক আর পে মেন্ট প্রুফের ছবি দেখিয়ে আপনি শত শত জনকে সাইন আপ করাতে পারবেন। ধরেন, আপনার একাউন্টে ৮০ জন ফ্রেন্ড আছে। তাদের সবাইকে যদি মেসেজে এই খবর দেন দেখবেন না হলেও ৫০ জন সাইন আপ করেছে। ৫০ জন একটিভ রেফার যদি কাজ করে তাহলে ৩০ শতাংশ পয়েন্ট পাবেন। ধরেন প্রতি জন আধা ঘন্টা কাজ করে .১ ডলার ইনকাম করল তাহলে .০৩ পাবেন। তাহলে ৫০*.০৩= ১.৫ ডলার। চিন্তা করে দেখেছেন? এখন যদি আপনি মিনিমাম ২০০ জনকে রেফার করতে পারেন তাহলেই আপনাকে ঠেকায় কে। কিন্তু আপনাকে প্রতিদিন .১ ইনকাম করতেই হবে এই বোনাস পাওয়ার জন্য না হলে একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। এই কাজ স্মার্ট ফোনের মাধ্যমেও করতে পারবেন।

কাজ দ্রুত করার উপায়- আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজার অথবা গুগল ক্রোম ব্রাউজারের কন্টেন্ট সেটিংস এ গিয়ে ইমেজ লোড বন্ধ করে দিবেন।

ফেসবুকে ফ্রেন্ড পাবার উপায়- একটা ভাল চেহারার মেয়ের ছবি দিয়ে একাউন্ট ক্রেট করলে আপনি কয়েকশ ফ্রেন্ড রেকোয়েস্ট ১ দিনেই পাবেন। আপনার কাজ সবাইকে রেফার করা। পরে আইড ব্লক হোক দেখার বিষয় না। এভাবে হাজার হাজার ফ্রেন্ডকে রেফার করতে পারেন। আর ইনকাম করতে পারেন শ শ ডলার। 

যখন মিনিমাম উইথড্র করবেন তখন ওকেপেতে ট্রান্সফার করবেন। ওকেপে থেকে ইগোপেতে ট্রান্সফার করে তা পেজা একাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। শুনতে জটিল মনে হলেও সব মিনিটের মধ্যে হয়ে যায়।

ওকেপেতে রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন। ইগোপেতে রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।

পেজাতো ইনশাল্লাহ সবারই আছে। না থাকলে ক্লিক করুন এখানে। 

 যারা সাইন আপ করতে পারছেন না তারা প্রক্সি সফ্টওয়ার ইউজ করতে পারেন। গুগলে ভাল দেখে একটি প্রক্সি সফ্টওয়ার সার্চ করে ডাউনলোড করে নিয়ে সাইন আপ করুন। আমি একটি লিংক দিচ্ছি। এখান থেকে সফ্টওয়ারটি ডাউনলোড করে নিয়ে দেখতে পারেন।

http://www.superhideip.com/download.html

এরপরও যদি না বুঝতে পারেন তাহলে আমার সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন। আমি আপনাদের সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।

আমার ফেসবুক প্রোফাইল

লাইকস প্লানেটে কীভাবে দ্রুত আয় করবেন।(Part-3)

আপনি যদি এখনও লাইকস প্লানেটে সাইন আপ করে না থাকেন তাহলে কী করে সাইন আপ করতে হয় তা নিচের পোস্টে দেখুন।
আপনি কী জানেন আপনার নেট স্পিড যদি নূন্যতম ১৮ কেবিপিএস স্পিড এভারেজ হয় আপনি মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে .১ ডলার ইনকাম করতে পারবেন। আর যদি মিনিমাম ৪ ঘন্টা আপনি শ্রম দিতে পারেন তাহলে আপনি ১ ডলার ইনকাম করতে পারবেন।
তো শুরু করা যাক কিভাবে দ্রুত ইনকাম করবেন।
সাইন আপ করার পর আপনি নিচের চিত্র অনুসরণ করুন।
দেখবেন ছবির বাম পাশে আর্নস পয়েন্টস নামে একটি অপশন আছে। সেখানে আপনি আপনার মাউস নিয়ে যান। ফেসবুক নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। আর্নস পয়েন্টস ক্যাটাগরিতে যে কয়েকটি অপশন আছে তন্মধ্যে ফেসবুক এর কাজ করে সবচেয়ে দ্রুত ইনকাম করা যায়।
ফেসবুক লাইক, শেয়ার, ফটো লাইক, ফলোয়িং করার জন্য প্রথমে আপনি আপনার ফেসবুক ইউজার নেইম প্রোভাইড করে একাউন্ট চিনে দিবেন। এক্ষেত্রে পারসোনাল প্রোফাইল ইউজ না করাই উত্তম। কারণ অনেক খারাপ ছবি বা ফাউল লোক থাকে যাদের লাইক বা ফলো করতে হয়। এজন্য আপনি একটি ফেক প্রোফাইল ক্রেইট করে সেই আইডি আপনি লাইকস প্লানেটে ইউজ করতে পারেন। আর যে ভাইদের ফেক প্রোফাইল আছে তাদের আর নতুন করে ক্রেইট করার পয়োজন নাই।
ফেসবুক প্রোফাইল এড করার পর যে কাজটি করবেন সেটা আপনার সময় এবং মেগাবাইট বাচাবে। সেটা হল আপনি আপনার ব্রাউজারের কন্টেন্ট সেটিংস এ গিয়ে ইমেজ লোড বন্ধ করে দিন। এটি যদি আপনি সাক্সেসফুল্লি করতে পারেন আপনি দ্রুত লাইক, শেয়ার সব করতে পারবেন। এভাবে আপনার পয়েন্ট প্রচুর পরিমানে বাড়তে থাকবে।
আপনার যখন লাইক দেওয়া শেষ হবে তখন আপনি আবার রিলোড দিবেন তাহলে আপনি আবার নতুন পেজ পাবেন। সবচেয়ে টাকা এবং পয়েন্ট পাওয়া যায় পেজ লাইক এবং ফটো লাইকে।
এখানে আপনি লাইক করবেন, পেজ শেষ হবে, আবার রিলোড দিবেন।
যখন আপনি দেখবেন আপনি মিনিমাম ৫০০ পয়েন্ট অর্জন করেছেন তখন আপনি উপরের ছবির মত আর্নস পয়েন্ট ট্যাবে গিয়ে নিচে দেখবেন ডেইলি কন্টেস্ট, সেখানে ক্লিক করে আপনি আরও বোনাস পয়েন্টস জিততে পারবেন।
আরও শত শত পয়েন্ট জিততে চাইলে আপনি একটি সিম্পল ব্লগ তৈরী করে ইংলিশে আপনি আপনার পেমেন্ট প্রুফ সহ লাইকস প্লানেটের কাজের বর্ননা দিয়ে একটি ব্লগ তৈরী করবেন। তারপর সেটা আপনি Earn per blog এ গিয়ে আপনার ব্লগের এড্রেস সাবমিট করবেন। এভাবে আপনি নূন্যতম না হলেও ৫০০ পয়েন্টস জিততে পারবেন।
[মনে রাখবেন ৫০০০ পয়েন্টেস এ ১ ডলার]
সুতারং একটু কষ্ট করলে ফ্রি ফ্রি আপনি অনেক পয়েন্টস পাবেন।
পয়েন্টস পাওয়া বা টাকা ইনকাম করার সবচেয়ে সহজ এবং মার্জিত উপায় হচ্ছে রেফারেল বাড়ানো।
কীকরে রেফারেল বাড়াবেন-
একটু পরিশ্রম করলে রেফারেল বাড়ানো অত্যন্ত সহজ। আপনি আপনার পেমেন্ট প্রুফ নিয়ে আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ডদের দেখাবেন, যে এখানে অতি সহজে কাজ করে ডলার ইনকাম করে তাও আবার সাথে সাথে পাওয়া যায়। দেখবেন না হলেও আপনার ৩০ জন ফ্রেন্ড আপনার রেফারে জয়েন করবে এবং তাদের একটিভ থাকতে বলবেন। নিজেও একটিভ থাকবেন। কারন আপনি যদি মিনিমাম দিনে .১ ডলার ইনকাম না করেন তাহলে আপনি আপনার রেফারেল কমিশন পাবেন না।
আপনার প্রোমোশনাল লিংক নিয়ে আপনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরাম যেমন বটনেট, ব্ল্যাকহ্যাট, স্লাইডশেয়ার এ গিয়ে একটু ডিটেইলস দিয়ে আপনার পেমেন্ট প্রুফ সহ সাবমিট করবেন, তারপর রেজাল্ট দেখবেন। হাজারে হাজারে ইউজার আপনার নিচে সাইন আপ করেছে। আপনি যদি নূন্যতম ১০০ জন একটিভ রেফারের অধিকারী হন আপনাকে ঠেকায় কে?
কমিশন পাবেন নিচের .১+(১০০*.০৩)= ৩.১ ডলার।
কিন্তু এইটা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই .১ ডলার ইনকাম করতে হবে।
আপনার আরও কিছু জানার থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ফেসবুকে আমি।

Monday, 13 January 2014

$25 ডলার সহ ফ্রিতে নিন payoneer Master card, Bangladesh থেকে এখনি sign up করুন।না দেখলে চরম মিস করবেন

Payoneer Master Card
টিউটোরিয়ালবিডির পক্ষথেকে যানাই আন্তরিক অভিনন্দন ।আশাকরি সবাই ভালো আছেন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।মুলকথায় আশাযাক,
আজকের টিউন কিভাবে $25 সহ একটি payoneer Master card, ফ্রিতে পাবেন।এমন কি আমি নিজেও পেয়েছি।চলুন শুরু করা যাক কিভাবে sign up করবেন?
নিচের ছবি সহ লিংক গুলো অনুসরন করুন । যা যা লাগবেঃ
  • একটি ই-মেইল ,তবে gmail হলে ভালো হয়।
  • National ID card বা Driving licence ।
চলুন শুরু করা যাক, এখান থেকে payoneer master card sign up এ ক্লিক করুন এর পর নিচের মত একটি পেজ পাবেন
           
                   তারপর এখানে Sign up> তে ক্লিক করুন এর পর নিচের মত একটি পেজ পাবেন

এখানে ৩ টি stpe রয়েছে যথাঃ
  1. Step Here
  2. Step ll
  3. Step lll
প্রথমে 1. Step Here এ ক্লিক করুন তারপর একটি ফরম আসবে এখানে আপনার personal info যেমন ই-মেইল ,পাসওয়ার্ড ,ঠিকানা, ফোন নাম্বার ,zip cod/postal cod এখানে zip cod/postal cod হলো post office code মেন আমাদের post office code হলো ১৯০০ ।
এখানে Addres এর যায়গায় পুর বাড়ির ঠিকানা দিতে হবে কেননা এই ঠিকানায় মাস্টার কার্ডটি আসবে তাই কনোকিছু বাদ রাখবেন না।
Step ll : এখানে Acount info এর জন্য ফর্ম সঠিক ভাবে পুরন করুন।
Step lll : এখানে Parsonal Varification এ ই-মেইল Varification চাইবে এবং এই ফর্ম সঠিক ভাবে পুরন করুন । তারপর Finish Button এ ক্লিক করুন। তাহলে আজ এপর্যন্তই।ধন্যবাদ সবাই কে।।।।
বিঃদ্রঃ মাস্টারকার্ডটি আসতে ২০-২৫ দিন সময় লাগবে।আমার কার্ড আসতে ২৬ দিন সময় লাগছে!!!!!


more info....www.m2mbd.blogspot.com

Thursday, 2 January 2014

যে কোন সিম দিয়ে ফ্রী ইন্টারনেট চালু করুন এখনি।

সবাইকে অনেক শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে আবার আপনাদের কাছে নিয়ে আসলাম ফ্রী নেট। ফ্রী ইন্টারনেট এর জন্য তো অনেক টিপস দেখলেন। কিছু টিপস কাজে লাগে এবার কিছু টিপস কাজে লাগে না। কিন্তু এবার কাজে লাগবেই। আমি যে টিপসটা আপনাদের দিবো এর দিয়ে আপনারা খুব সহজে ফ্রী ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবেন যে, কোন সিম থেকে তবে এর জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম অনুসারন করতে হবে। এই টিপস দিয়ে সুদু আপনি বাংলাদেশ না বিশ্বের যে কোন দেশ দেখে ফ্রী ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবেন। অনেক বকবক করলেন, কিছু করার নাই। কোন কিছু বাবহারের আগে কিছু বিস্তারিত জানা দরকার। চালুন কাজের কথা বলি।
আপনাদের যা যা লাগবে :
  1. একটা পিসি।
  2. একটা সফটওয়্যার।
  3. একটা সিম।
  4. আপনার সিম অপেরেটর DNS।
আমি আপনাদের একটা সফটওয়্যার দিবো এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি যে কোন সিম ফ্রী ইন্টারনেট চালাতে পারবেন। প্রথমে সফটওয়ার টি নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড করুনঃ এখান থেকে
সফটওয়্যার টি ডাউনলোড হয়ে গেলে ইন্সটল করে ফেলেন। তারপর নিচের পিকচার এর মত আসলে Configure এ ক্লিক করুন।

আমি আপনাদের সুদু GP সিম এর বলব বাকি সিম এর Configure আপনারা নিজে নিজে করে নিবেন। এখন Address box এ ms10.your-freedom.de;119.30.37.10 দেন। আমি এবার বলছি এটা সুদু gp জন্য। অন্য সিম এ ms10.your-freedom.de;(এখনে আপনার DNS) ব্যাবহার করতে হবে। GP DSN 119.30.37.10 ব্যাবহার করা হয়েছে। Connection Mode DNS দিন। নিচের পিকচার এর মত Avoid Using DNS and DNS Mode: No Direct Conn..এ টিক দিন।

এখন উপরে Account Information ক্লিক করেন, তারপর Username : m2mbd Password : m2mbd.blogspot.com দিন। কাজ শেষ হলে Save and Exit ক্লিক করুন।  আপনি আপনার নামেও অ্যাকাউন্ট করতে পারবেন।

এখন নিচের মত পিকচার আসলে Ports এ ক্লিক করুন। তারপর  Web Proxy box এ টিক দিন। এখন আপনার কাজ শেষ।

Status মেনু তে যান এবং Start Connection এ ক্লিক করুন। বুজতে সমস্যা হলে এই সাইট এ দেখতে পারেন। এখনে ইংলিশ দিয়ে আসে।
Connection করার আগে আপনাকে সিম এ যে কোন package চালু করতে হবে।

আবার দেখা হবে পরবর্তী টিউন নিয়ে। সে প্রজন্ত আল্লাহ্‌ হাফেজ। সবাই সাবধানে থাকুন ও সুস্ত থাকুন এই কামনায়।   সময় পেলে বা মন চাইলে আমার M2M Network Ltdথেকে ঘুরে আসতে পারেন যেখানে রয়েছে আপনাদের জন্যই প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়্যার, সাইট টি আপনাদের ভাল লাগতে পারে আশা রাখি। সাইট টি ভিসিট করুন

এখান থেকে ।

আসুন খুব সহজে অনলাইনে আয় করুন না দেখলে মিস

 আজ আমি আপনাদের এমন একটি ওয়েবসাইট এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেব যার মাধ্যমে আপনারা খুব সহজে অল্প সময়ে কিছু ডলার আয় করতে পারবেন। আর তা ক্যাশ করতে পারবেন PayPal এর মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোন অনলাইন ব্যাংক এর মাধ্যমে।
চলুন আর কথা না বাড়িয়ে পরিচিত হই সেই  এর সাথে।
এখান থেকে আপনি লিংক share করে দিনে $6.5  আই করতে পারেন। আমি এ মাসে $20 উত্তরন করলাম।দিনে 10–20 মিনিট সময় দিলে হবে।
রেজিস্ট্রেশনপদ্ধতি:
প্রথমে Link  এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশান করুন।
রেজিস্ট্রেশান করবার পর shrink নামে একটি বাক্র থাকবে যেমন
এখানে যেকোন লিংক দিবেন যেমন http://www.dnadb.blogspot.com  এর পর নিচে একটি URL দিবে এই URL টি আপনি  facebook,twtter ETC যেকোন
ছাটিযে দিতে পারেন এই URL এ যদি 1000 visit পরে তাহলে আপনি পাবেন $6.50 ডালার
রেজিস্ট্রেশান  Link 

Sunday, 15 December 2013

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

যারা আউটসোর্সিং এর সাথে জড়িত তারা নিশ্চয়ই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা SEO শব্দটার সাথে পরিচিত। বিভিন্ন আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিনই এধরনের কাজ পাওয়া যায়। বাংলাদেশী অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন যারা অত্যন্ত সফলতার সাথে এ কাজগুলো করছেন। তবে অনেকের কাছে বিষয়টি প্রায়সময়ই বোধগম্য হয় না, ফলে আগ্রহ থাকার পরও কিভাবে শুরু করতে হবে তা বুঝে উঠতে পারেন না। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন একটি বিশাল ক্ষেত্র, এর সাথে অনেক ধরনের বিষয় জড়িত। এস.ই.ও কাজের খুটিনাটি নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজকে রয়েছে বিষয়টির উপর একটি সামগ্রিক পর্যালোচনা এবং এধরনের কাজের সাথে জড়িত একজন সফল ফ্রিল্যান্সারের সাক্ষ্যাৎকার।

সার্চ ইঞ্জিন:
প্রথমেই দেখা যাক সার্চ ইঞ্জিন বলতে কি বুঝায়। সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন তথ্যকে তার নিজের ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করে রাখে এবং পরবর্তীতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুসারে ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করে। সার্চ ইঞ্জিনগুলো একধরনের রোবট প্রোগ্রামের সাহায্যে নিরলসভাবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথ্য সংরক্ষণ করতে থাকে যা ইন্ডেক্সিং (Indexing) নামে পরিচিত। উইকিপিডিয়া থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গুগল (৯১%), তার পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ইয়াহু (৪%) এবং মাইক্রোসফটের বিং (৩%)।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন:
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) হচ্ছে এমন এক ধরনের পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা, যাতে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সার্চ রেজাল্টে ওয়েবসাইটি অন্য সাইটকে পেছনে ফেলে সবার আগে প্রদর্শিত হতে পারে। এই ধরনের সার্চ রেজাল্টকে Organic বা Natural সার্চ রেজাল্ট বলা হয়। সার্চ রেজাল্টের প্রথম পৃষ্ঠায় দশটি ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসাই সবার লক্ষ্য থাকে। এর কারণ হিসেবে দেখা যায় ব্যবহারকারীরা সাধারণত শীর্ষ দশের মধ্যে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটকে না পেলে দ্বিতীয় পাতায় না গিয়ে অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করে পুনরায় সার্চ করেন। শীর্ষ দশে থাকার মানে হচ্ছে ওয়েবসাইটে বেশি সংখ্যক ভিজিটর পাওয়া আর বেশি সংখ্যক ভিজিটর মানে হচ্ছে বেশি আয় করা। এজন্য সবাই মরিয়া হয়ে নিজের ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযুক্ত করে তুলেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সাথে অনেক বিষয় জড়িত। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ‌এক্ষেত্রে প্রথমেই সাইটের জন্য এক বা একাধিক নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড (Keyword) বা শব্দগুচ্ছ বাছাই করতে হয়। কিওয়ার্ড বাছাই করার পূর্বে সময় নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। এমন একটি কিওয়ার্ড বাছাই করতে হয় যাতে এর প্রতিদ্বন্ধী কম থাকে। ধরা যাক অনলাইনে গেম খেলার একটি সাইটের জন্য যদি “Play Online Game” কিওয়ার্ড বাছাই করা হয়, তাহলে এই শব্দ দিয়ে গুগলে সার্চ করলে ১.৬ কোটি সাইটের ফলাফল হাজির হবে। তাদের মধ্যে হাজারও জনপ্রিয় সাইট পাওয়া যাবে যেগুলোকে অতিক্রম করে প্রথম পাতায় আসাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে কিওয়ার্ডের সাথে আরো কয়েকটি শব্দ যদি যোগ করা যায় তাহলে দেখা যাবে প্রতিদ্বন্ধী ওয়েবসাইটের সংখ্যা কমে আসবে। কিওয়ার্ড নিয়ে গবেষণার জন্য সবচেয়ে ভাল হচ্ছে গুগল এডওয়ার্ডের কিওয়ার্ড টুলটি - https://adwords.google.co.uk/select/KeywordToolExternal

অন পেজ অপটিমাইজেশন:
সাইটের জন্য সঠিক কিওয়ার্ড বাছাইয়ের পর এর বিভিন্ন অংশে এই কিওয়ার্ডটির প্রতিফলন থাকতে হয়। প্রথমত ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামে যদি বাছাইকৃত কিওয়ার্ডটি থাকে তাহলে সবচেয়ে ভাল। দ্বিতীয়ত HTML এর title ট্যাগে কিওয়ার্ড থাকা উচিত। সাইটের title ট্যাগটি ঠিকভাবে সাজানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই অংশটি একজন ব্যবহারকারী এবং সার্চ ইঞ্জিনকে সেই পৃষ্ঠায় কি তথ্য রয়েছে তা নির্দেশ করে। তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ওয়েবসাইটের “description” meta ট্যাগ। এর মাধ্যমে ওই পৃষ্ঠার সারমর্ম লেখা হয়, যা সার্চ ইঞ্জিনকে সঠিকভাবে সেই পৃষ্ঠা ইন্ডেক্সিং এ সহায়তা করে। এই ধরনের পদ্ধতিকে On Page Optimization বলা হয়, যা নিয়ে ভবিষ্যতে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

পেজরেংক:
PageRank বা সংক্ষেপে PR হচ্ছে গুগল কর্তৃক ব্যবহৃত এক ধরনের লিংক এনালাইসিস এলগরিদম, যা দ্বারা একটি ওয়েবসাইট কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা নির্ধারণ করা হয় এবং সার্চের ফলাফলে এটিকে প্রধান্য দেয়া হয়। গুগলের কাছে যে ওয়েবসাইট যতটা গুরুত্বপূর্ণ তার পেজরেংক তত বেশি হয়ে থাকে এবং সার্চের ফলাফলে সেটি তত সামনের দিকে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সর্বোচ্চ পেজরেংক হচ্ছে ১০ এবং সর্বনিম্ন পেজরেংক হচ্ছে ০। গুগল টুলবারের সাহায্যে একটি সাইটের পেজরেংক জানা যায়। টুলবারটি এই সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে - http://toolbar.google.com।

ব্যাকলিংক:
ব্যাকলিংক (BackLink) লিংক হচ্ছে একটি সাইটের পেজরেংক বাড়ানোর মূল হাতিয়ার। একটি ওয়েবসাইটের কোন পৃষ্ঠায় যদি অন্য একটি সাইটের লিংক থাকে তাহলে দ্বিতীয় সাইটের জন্য এই লিংককে বলা হয় ব্যাকলিংক বা ইনকামিং লিংক। আর প্রথম সাইটের জন্য এই লিংকটি হচ্ছে আউটগোয়িং লিংক, অর্থাৎ এই লিংকে ক্লিক করে ব্যবহারকারী দ্বিতীয় সাইটে চলে যাবে। এইভাবে একটি ওয়েবসাইটের যত বেশি ব্যাকলিংক থাকবে সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারী আসার প্রবণতা বেড়ে যাবে। পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিনের রোবট প্রোগ্রাম সেই সাইটকে খুব সহজেই খুজে পাবে। ব্যাকলিংক বাড়ানোর অনেকগুলো পদ্ধতি রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পদ্ধতি হচ্ছে,
  • লিংক বিনিময়: এটি হচ্ছে ভাল পেজরেংকের বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সাথে নিজের ওয়েবসইটের লিংক বিনিময়, অর্থাৎ অন্য ওয়েবসাইটের লিংক নিজের সাইটে যোগ করা এবং সেই সাইটে নিজের ওয়েবসাইটের লিংক যোগ করানো। এজন্য সাধারণত বিভিন্ন ওয়েবসাইটের এডমিনিস্ট্রেটরের সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে লিংক বিনিময়ের প্রস্তাব জানানো হয়। আবার লিংক আদান প্রদানের জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে লিংক বিনিময়ে আগ্রহী ওয়েবসাইটের ঠিকানা পাওয়া যায়।
  • ফোরামে পোস্ট করা: এই পদ্ধতিতে প্রথমে একটি ভাল পেজরেংকের ফোরামের Signature এ নিজের ওয়েবসাইটের লিংক যোগ করতে হয়। তারপর সেই ফোরামে নতুন কোন পোস্ট করলে বা অন্যের পোস্টে মন্তব্য দিলে লিংকটি সেই পৃষ্ঠায় প্রদর্শিত হয়।
  • আর্টিকেল জমা দেয়া: ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে নিজের সাইটের কোন লেখা সেই সাইটগুলোতে জমা দেয়া যায় এবং সেই লেখার মধ্যে প্রয়োজন অনুসারে নিজের সাইটের লিংক দিয়ে ব্যাকলিংক বাড়ানো যায়।
  • ডাইরেক্টরীতে জমা দেয়া: বিভিন্ন ওয়েব ডাইরেক্টরী রয়েছে যেখানে বিনামূল্যে নিজের সাইটের তথ্য এবং লিংক জমা দেয়া যায়।
  • অন্যের ব্লগে মন্তব্য দেয়া: অন্যের ব্লগে মন্তব্য দিয়ে এবং সাথে নিজের সাইটের লিংক যুক্ত করেও ব্যাকলিংক বাড়ানো যায়।

আয়ের উপায়:
SEO এর মাধ্যমে আয়ের বিভিন্ন উপায় রয়েছে। আপনি যদি নিজের সাইটের জন্য SEO করে থাকেন এবং এর মাধ্যমে সাইটে অধিক সংখ্যক ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে সাইটটি থেকে যেকোন ধরনের সার্ভিস বা পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। অনেকে আবার বিজ্ঞাপন থেকে আয় করেন। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে Google Adsense এর মাধ্যমে। সাইটের মধ্যে গুগল এডস্যান্সের কোড যোগ করলে এটি ওয়েবসাইটের তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন দেখায়। সেই বিজ্ঞাপনে কোন ভিজিটর ক্লিক করলে সাইটির মালিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আয় করেন। পরবর্তীতে চেকের মাধ্যমে সেই অর্থ তার কাছে পাঠানো হয়। বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতেও SEO ভিত্তিক নানা কাজ পাওয়া যায়। কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে কিওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক জোগাড় করা, অন পেজ অপটিমাইজেশন, কন্টেন্ট লেখা, এসইও কনসালটেন্ট ইত্যাদি।



নিজেই করুন এসইও (SEO)

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে ধারাবাহিক পরিবর্তনের মধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের উন্নতি সাধন করা। এই পরিবর্তনগুলো হয়ত আলাদা ভাবে চোখে পড়বে না কিন্তু সামগ্রিকভাবে এর মাধ্যমে একটি সাইটের ব্রাউজিং এর স্বাচ্ছন্দবোধ অনেকাংশে বেড়ে যায় এবং অর্গানিক বা স্বাভাবিক সার্চ রেজাল্টে সাইটকে শীর্ষ অবস্থানের দিকে নিয়ে যায়। গত পর্ব আমরা এসইও এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এই পর্বে অন-পেজ এসইও (On-page SEO) নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোকপাত করা হল। এই লেখাটি গুগল কর্তৃক প্রকাশিত “এসইও স্টার্টার গাইড” এর উপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে।১) প্রাথমিক এসইও
“title” ট্যাগের ব্যবহার
একটি HTML পৃষ্ঠার টাইটেল ট্যাগ থেকে সেই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়, যা একজন ব্যবহারকারী এবং সার্চ ইঞ্জিনের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। HTML ডকুমেন্টের <head> ট্যাগের মধ্যে <title> ট্যাগ লেখা হয়। টাইটেল ট্যাগটি ওয়েব ব্রাউজারের টাইটেলবারে এবং সার্চের সময় প্রথমেই দৃশ্যমান হয়। টাইটেল ট্যাগের মধ্যে সাধারণত সাইটের নাম এবং পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু যুক্ত করা হয়। একটি সাইটের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠার জন্য ভিন্ন ভিন্ন টাইটেল ট্যাগ থাকা প্রয়োজন। এতে সাইটের পৃষ্ঠাগুলোকে গুগল আলাদাভাবে সনাক্ত করতে পারে। পৃষ্ঠার বিষযবস্তুর সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন শিরোনাম পরিহার করা উচিত। টাইটেল ট্যাগে অপ্রয়োজনীয় এবং অপ্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড যুক্ত না করাই উত্তম। টাইটেল ট্যাগ হতে হবে বর্ণনামূলক অথচ সংক্ষিপ্ত। অনেক লম্বা টাইটেল ট্যাগ ব্যবহার করলে সার্চের ক্ষেত্রে গুগল শুধুমাত্র এর অংশবিশেষ প্রদর্শন করে।

“description” মেটা ট্যাগ

একটি HTML ডকুমেন্টের description মেটা ট্যাগের মধ্যে ওই পৃষ্ঠা সারসংক্ষেপ যুক্ত করা হয়, যা গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনকে সাইটের পৃষ্ঠাটি সম্পর্কে ভাল ধারণা দেয়। যেখানে title ট্যাগ কয়েকটি শব্দের সমন্নয়ে গঠিত সেখানে description মেটা ট্যাগের মধ্যে এক বা একাধিক লাইনের একটি প্যারাগ্রাফ দিতে হয়। টাইটেল ট্যাগের মত এটিও <head> ট্যাগের মধ্যে <meta name="description" content="..."> এর মাধ্যমে যুক্ত করতে হয়। সাইটের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় ভিন্ন ভিন্ন এবং সঠিক description যুক্ত করা প্রয়োজন, কারণ সার্চের ফলাফলে প্রায় সময় এটি প্রদর্শিত হয়। শুধুমাত্র কিওয়ার্ড দিয়ে description মেটা ট্যাগটি তৈরি করা উচিত নয়। অনেকে আবার পৃষ্ঠার মূল লেখাকে সরাসরি এই ট্যাগে লিখে ফেলেন যা মোটেও ঠিক নয়।


২) সাইটের কাঠামো
URL পুনর্গঠন
সহজবোধ্য ও বর্ণনামূলক URL সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যবহারকারীদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। সাইটের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠার URL যাতে সেই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ID বা ব্যবহারকারীদের কাছে অর্থহীন বিভিন্ন প্যারামিটার ব্যবহার না করে অর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করা উচিত। উদাহরণসরূপ http://yoursite.com?category_id=1&product_id=2 এর পরিবর্তে http://yoursite.com/books/book-title এভাবে URL লিখলে সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যবহারকারীদের কাছে পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু পরিষ্কার হয়ে যায়। URL এ যাতে অত্যাধিক কিওয়ার্ড না থাকে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

সহজ নেভিগেশন
সাইটের নেভিগেশন অর্থাৎ এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় যাওয়া যাতে সহজ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সহজ নেভিগেশন একদিকে ব্যবহারকারীদেরকে যেরকম সাইটের তথ্য সহজেই খুজে পেতে সাহায্য করে অন্যদিকে সাইটের গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠাগুলোকে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই খুজে পায়। সাইটের প্রথম পৃষ্ঠা বা হোমপেজ থেকে অন্যান্য সকল পৃষ্ঠায় কিভাবে যাওয়া যাবে তা প্রথমেই প্ল্যান করা উচিত। সাইটে অসংখ্য পৃষ্ঠা থাকলে সেগুলোকে বিভাগ এবং উপ-বিভাগে ভাগ করে রাখা প্রয়োজন। প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় breadcrumb লিস্ট যুক্ত করা ভাল, এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কত ধাপ ভেতরের পৃষ্ঠায় রয়েছে তা জানতে পারে এবং ইচ্ছে করলে লিংকে ক্লিক করে পূর্বের পৃষ্ঠায় যেতে পারে। এই লিস্টটি দেখতে সাধারণত এরকম হয়ে থাকে - Home > Products > Books।

সাইট ম্যাপের ব্যবহার
সাইট ম্যাপ দুই ধরনের হয়ে থাকে, প্রথমটি হচ্ছে একটি সাধারণ HMLT পৃষ্ঠা যেখানে সাইটের সকল পৃষ্ঠার লিংক যুক্ত করা হয়। মূলত কোন পৃষ্ঠা খুজে পেতে অসুবিধা হলে ব্যবহারকারীরা এই সাইট ম্যাপের সহায়তা নেয়। সার্চ ইঞ্জিনও এই সাইট ম্যাপ থেকে সাইটের সকল পৃষ্ঠার লিংক পেয়ে থাকে। দ্বিতীয় সাইটম্যাপ হচ্ছে একটি XML ফাইল যা “গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস” নামক গুগলের একটি সাইটে সাবমিট করা হয়। সাইটের ঠিকানা হচ্ছে http://www.google.com/webmasters/tools । এই ফাইলের মাধ্যমে সাইটের সকল পৃষ্ঠা সম্পর্কে গুগল ভালভাবে অবগত হতে পারে। এই সাইটম্যাপ ফাইল তৈরি করতে গুগল একটি ওপেনসোর্স স্ক্রিপ্ট প্রদান করে যা এই লিংক থেকে পাওয়া যাবে - http://code.google.com/p/googlesitemapgenerator


404 পেজের গুরুত্ব
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ব্রাউজিং করার সময় প্রায় সময় 404 নামক একটি পৃষ্ঠার সম্মুখিন হন। সাইটের লিংক ভুল থাকলে কিংবা কাঙ্খিত পৃষ্ঠাটি না পাওয়া গেলে এটি যে কোন সাইটেই দৃশ্যমান হয় এবং এক্ষেত্রে সাধারণত “404 File Not Found” লেখাটি দেখা যায়। তবে এর সাথে অন্যান্য সাহায্যকারী তথ্য বা সাইটের অন্যান্য পৃষ্ঠার লিংক যুক্ত করতে পারলে ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক সুবিধা হয়।


৩) কন্টেন্ট অপ্টিমাইজেশন
মানসম্মত তথ্য এবং সার্ভিস
মানসম্মত ও স্বতন্ত্র কন্টেন্ট বা তথ্য হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট জনপ্রিয় করার মূল হাতিয়ার। এটি একদিকে যেমন ব্যবহারকারীদেরকে সাইটে নিয়মিত আসতে প্রভাবিত করে, তেমনি গুগলের কাছেও সাইটের গুরুত্ব বেড়ে যায়। ওয়েবসাইটে লেখা সংযোজন করার পূর্বে কিওয়ার্ড নিয়ে গবেষণা এবং লেখায় এর প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন। গুগলের "এডওয়ার্ডস" সাইটে এজন্য একটি টুল রয়েছে যা একটি কিওয়ার্ড কতটা জনপ্রিয় তা যাচাই করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এই টুলের মাধ্যমে নতুন নতুন কিওয়ার্ড সম্পর্কে জানা যায়। সাইটটির ঠিকানা হচ্ছে - https://adwords.google.com/select/KeywordToolExternal। তাছাড়া গুগলের "ওয়েবমাস্টার টুলস" সাইটে শীর্ষ কিওয়ার্ডের একটি লিস্ট পাওয়া যায়, যা থেকে ব্যবহারকারীরা সাইটে ভিজিট করার পূর্বে গুগলে কোন কিওয়ার্ড ব্যবহার করে আসে তা জানা যায়। ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট তৈরি করার সময় বানান এবং ব্যাকরণের দিকে খেয়াল রাখা উচিত। লেখায় একাধিক বিষয়বস্তু থাকলে সেটিকে কয়েকটি প্যারাগ্রাফে ভাগ করে এবং শিরোনাম সহকারে লেখা উচিত।

এংকর টেক্সটের যথাযথ ব্যবহার
এংকর টেক্সট (Anchor Text) হচ্ছে HTML এর <a href=”...”></a> বা এংকর ট্যাগের ভেতরের শব্দগুচ্ছ যাতে ক্লিক করে অন্য কোন পৃষ্ঠা বা সাইটে যাওয়া যায়। এই টেক্সটি গুগল এবং ব্যবহারকারীদেরকে লিংক সম্পর্কে পূর্ব ধারণা দেয়। এই লিংকটি একই সাইটের অন্য কোন পৃষ্ঠার সাথে হতে পারে অথবা ভিন্ন কোন সাইটের সাথে সংযুক্ত হতে পারে। এংকর টেক্সটে “Click here”, “Page” বা “Article” এই জাতীয় সাধারণ শব্দ ব্যবহার না করে লিংককৃত পৃষ্ঠার বর্ণনামূলক হওয়া উচিত। এংকর টেক্সটটি যাতে অল্প কয়েকটি শব্দের সমন্নয়ে হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে, সম্পূর্ণ একটি বাক্যকে এংকর টেক্সট হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক নয়। একটি সাধারণ লেখা থেকে লিংককে যাতে আলাদাভাবে চেনা যায় সেজন্য এংকর টেক্সটে ভিন্ন রং, আন্ডারলাইন ইত্যাদি CSS স্টাইল ব্যবহার করা যেতে পারে।

ছবির ব্যবহার
ওয়েবসাইটে ছবি বা ইমেজ যুক্ত করার সময় HTML এর <img src=”...” alt=”...” /> ট্যাগের মধ্যকার alt এট্রিবিউটে ছবির বর্ণনা যুক্ত করা উচিত। এর ফলে কোন ব্রাউজারে যদি ছবিটি না আসে তাহলে এই এট্রিবিউটের লেখাটি দৃশ্যমান হবে। একটি ছবিকে লিংক হিসেবে ব্যবহার করার সময় এটি এংকর টেক্সটেরও কাজ করে। অন্যদিকে এর মাধ্যমে গুগলের ইমেইজ সার্চের সাহায্য ব্যবহারকারীরা ছবিটি খুজে পাবে। ছবির বর্ণনার পাশাপাশি ছবির ফাইলে নামও বর্ণনামূলক ও সংক্ষিপ্ত হওয়া প্রয়োজন। সাইটের সাইটম্যাপ ফাইলের মত ছবির জন্যও একটি XML সাইটম্যাপ তৈরি করা যায়, যা গুগলকে ওয়েবসাইটের সকল ছবি সম্পর্কে ভাল ধারণা দেয়।

হেডিং ট্যাগ
HTML এ <h1> থেকে শুরু করে <h6> পর্যন্ত ৬টি হেডিং ট্যাগ রয়েছে যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিরোনামকে <h1> ট্যাগের মধ্যে এবং কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য হেডিং ট্যাগের মধ্যে লেখা হয়। হেডিং ট্যাগের লেখা যেহেতু পৃষ্ঠার অন্যান্য লেখা থেকে আকারে বড় হয়ে থাকে তাই এটি ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি সহজেই আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয় এবং লেখার বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবহিত করতে ব্যবহারকারী ও গুগলকে সহায়তা করে। তবে একটি পৃষ্ঠায় মাত্রাধিক হেডিং ট্যাগ যাতে ব্যবহৃত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।


৪) ক্রাওলার উপযোগী এসইও
robots.txt ফাইলের ব্যবহার
ক্রাউলার (Crawler) হচ্ছে একধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডাটাবেইজে সংরক্ষণ (বা ক্রাউলিং) এবং সাজিয়ে (বা ইন্ডেক্সিং) রাখে। ক্রাউলার প্রোগ্রামকে প্রায় সময় ইন্ডেক্সার, বট, ওয়েব স্পাইডার, ওয়েব রোবট ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। গুগলের ক্রাউলারটি “গুগলবট” নামে পরিচিত। গুগলবট নিরবিচ্ছিন্নভাবে ইন্টারনেটে বিচরণ করে বেড়ায় এবং যখনই নতুন কোন ওয়েবসাইট বা নতুন কোন তথ্যের সন্ধান পায়, এটি গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে। robots.txt হচ্ছে এমন একটি ফাইল যার মাধ্যমে একটি সাইটের নির্দিষ্ট কোন অংশকে ইন্ডেক্সিং করা থেকে সার্চ ইঞ্জিন তথা ক্রাউলারকে বিরত রাখা যায়। এই ফাইলটিকে সার্ভারের মূল ফোল্ডারের মধ্যে রাখতে হয়। একটি সাইটে এমন অনেক পৃষ্ঠা থাকতে পারে যা ব্যবহারকারী ও সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের কাছে অপ্রয়োজনীয়, সেক্ষেত্রে এই ফাইলটি হচ্ছে একটি কার্যকরী সমাধান। গুগলের ওয়েবমাস্টার টুলস সাইট থেকে এই ফাইল তৈরি করা যায়।
nofollow লিংক সম্পর্কে সতর্কতা
গুগলবট একটি সাইটকে যখন ক্রাউলিং করতে থাকে তখন সেই সাইটে অন্য সাইটের লিংক পেলে তাতে ভিজিট করে এবং সেই সাইটকেও ক্রাউলিং করে। এক্ষেত্রে একটি সাইটের পেজরেংক (PR) এর উপর অন্য সাইটের পেজরেংকের প্রভাব পড়ে। HTML ট্যাগের <a> ট্যাগের মধ্যে “rel” এট্রিবিউটে “nofollow” দিয়ে রাখলে গুগল সেই লিংকে ভিজিট করা থেকে বিরত থাকে। nofollow লেখার নিয়ম হচ্ছে - <a href=”http://www.sitename.com” rel=”nofollow”>Site Name</a>। এটি মূলত বিভিন্ন ব্লগিং সাইটে পাঠকদের মন্তব্যে অবস্থিত লিংকে ব্যবহৃত হয়, যা স্প্যামার বা অনাকাঙ্খিত ভিজিটরদেরকে তাদের সাইটের পেজরেংক বাড়ানো প্রতিরোধ করে। এটি অযাচিত মন্তব্য প্রদানে স্প্যামারদেরকে নিরুৎসাহিত করে। তবে যেসকল ক্ষেত্রে স্প্যাম প্রতিরোধের ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে nofollow ব্যবহার না করা ভাল এতে পাঠকরা মন্তব্য প্রদানে উৎসাহিত হবে এবং সাইটের সাথে তাদের যোগাযোগ আর বেশি হবে।


৫) ওয়েবসাইটের প্রচারণা এবং বিশ্লেষণ
সঠিক পদ্ধতিতে প্রচারণা
একটি সাইটকে যখন অপর একটি সাইট লিংকের মাধ্যমে সংযুক্ত করে তখন একে বলা হয় ব্যাকলিংক (Backlink)। একটি সাইটের ব্যাকলিংক যত বেশি হবে গুগলের কাছে সেই সাইটের গুরুত্ব তত বাড়তে থাকবে এবং এর পেজরেংকও বাড়তে থাকবে। ফলস্বরূপ সার্চের মাধ্যমে আরো বেশি সংখ্যক ব্যবহারকারী সাইটে আসবে। বেশি করে ব্যাকলিংক পাবার জন্য ওয়েবসাইটে মানসম্মত তথ্য থাকা এবং এর সঠিক প্রচারণা প্রয়োজন। একটি সাইটে ভাল তথ্য থাকলে ব্যবহারকারীরা তাদের ওয়েবসাইটে স্বেচ্ছায় ব্যাকলিংক সংযুক্ত করবে। একটি ওয়েবসাইটের প্রচারণা দুই ধরনের হতে পারে - অনলাইন এবং অফলাইন। অনলাইন প্রচারণার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্লগিং। ওয়েবসাইটের সাথে একটি ব্লগ সংযুক্ত থাকলে এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের নতুন নতুন সার্ভিস বা পণ্যের সাথে ব্যবহারকারীদেরকে সহজেই পরিচয় করিয়ে দেয়া যায়। অনলাইন প্রচারণার মধ্যে আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক নেটওয়ার্কিং ও কমিউনিটি সাইটে প্রচারণা। তবে এসব সাইটে প্রচারণার ক্ষেত্রে একটু সংযমী হওয়া প্রয়োজন। ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি নতুন তথ্য বা যে কোন ছোটখাট পরিবর্তন শেয়ার না করে বেছে বেছে ভাল তথ্যগুলো সবাইকে জানানো উচিত। অন্যথায় এটি অন্যদের বিরক্তির উদ্রেক করে। নিজের সাইটের সমজাতীয় কমিউনিটি সাইট বা বিভিন্ন ফোরামে প্রচারণা করা ভাল, তবে সেসকল সাইটে অযথা পোস্ট প্রদান বা স্প্যামিং যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অফলাইন প্রচারণার মধ্যে রয়েছে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন, বিজনেস কার্ড তৈরি, পোস্টার, লিফলেট, নিউজলেটার প্রকাশ ইত্যাদি।

ফ্রি ওয়েবমাস্টার টুলের ব্যবহার
গুগলসহ অন্যান্য জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনগুলো ওয়েবমাস্টারদের জন্য এসইও সহায়ক বিভিন্ন ফ্রি টুল প্রদান করে। গুগলের ওয়েবমাস্টার টুলস সাইটের মাধ্যমে একজন ওয়েবমাস্টার তার সাইট সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পারে যা গুগলের সার্চ রেজাল্টে আরো ভালভাবে ওয়েবসাইটটি উপস্থিত হতে সহায়তা করে। এই সাইট থেকে যে সকল সার্ভিস বিনামূল্যে পাওয়া যায় সেগুলো হল -
  • গুগলবট একটি সাইটের কোন অংশ ক্রাউলিং করতে না পারলে তা যায়।
  • গুগলে একটি XML সাইটম্যাপ সাবমিট করা যায়।
  • robots.txt ফাইল তৈরি করা যায়।
  • title এবং description মেটা ট্যাগে কোন সমস্যা থাকলে তা সনাক্ত করা যায়।
  • যে সকল সার্চ কিওয়ার্ডের ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সেগুলো সম্পর্কে জানা যায়।
  • অন্য কোন কোন সাইট ব্যাকলিংক করেছে তা জানা যায়।
  • আরো নানা ধরনের বিশ্লেষণধর্মী টুল।

এখানে যদিও আমরা “সার্চ ইঞ্জিন” সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি, তথাপি একটি ওয়েবসাইটকে অপটিমাইজ বা উন্নত করার ক্ষেত্রে সাইটের ভিজিটরদের সুবিধার কথাই প্রথমে চিন্তা করা উচিত। কারণ ভিজিটররাই হচ্ছে একটি সাইটের মূল ভোক্তা, কোন সার্চ ইঞ্জিন নয় আর তারা সাইটকে খুজে পেতে সার্চ ইঞ্জিনকে একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে মাত্র। এসইও একটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার এবং একটি চলমান প্রক্রিয়া। রাতারাতি একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় নিয়ে আসা যায় না। তবে নিয়মিত উন্নয়ন করতে থাকলে এর ফলাফল অনেক সুদূরপ্রসারী।

আয়ের উপায় যখন অ্যাডসেন্স

ইন্টারনেটে টাকা আয়ের জন্য অনেক উপায় আছে, তার মধ্যে অউটসোর্সিং ছাড়া অন্য সব ক্লিক জাতীয় কাজের মধ্যে গুগল এ্যাডসেন্স সবচেয়ে ভাল । আজ আমরা দেখব কিভাবে গুগল এ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে আয় করা যায়।
গুগল এ্যাডসেন্স কি?
ইন্টারনেটে হাজার হাজার ওয়েবসাইট আছে  কিন্তু যে সকল ওয়েবসাইটের ভিসিটর নেই  সে সকল ওয়েবসাইটের কোনো মুল্য নেই করণ কোনো সাইটের মূল লক্ষ্য হলো ভিসিটর কে কোনো বিষয় সম্পর্কে তথ্য দেওয়া,  তাই ভিসিটর না থাকলে  সব তথ্যের  কোনো মূল্য নেই। তাই  ওয়েবসাইটে ভিসিটর আনতে হলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও করতে  হয় কিন্তু এসইও  একটি দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়া প্রায় ৩ থেকে ৬ মাস সময় লাগে | তাই এসইও করা ছাড়া অথবা এসইও করা ওয়েবসাইট   তাৎক্ষনিক  ভিসিটর পাওয়ার  জন্য  গুগল  বিজ্ঞাপনের ব্যবস্থা করে | অর্থাৎ কোনো ওয়েবসাইটের লিঙ্ক অন্য ওয়েবসাইটে দিয়ে দেয়  | যেমন নিচের ছবিতে তাকালে বুঝা যায়।

যখন প্রথম ওয়েবসাইটের কোনো ভিসিটর দ্বিতীয় ওয়েবসাইটির লিঙ্ক দেখতে পায় তখন ওই লিঙ্কে ক্লিক করে তার কাঙ্খিত  তথ্যের জন্য দ্বিতীয় ওয়েবসাইটে  গমন করে এভাবে দ্বিতীয় ওয়েবসাইট গুগল এ্যাডসেন্স ব্যবহার এর মধামে ভিসিটর পায় |

অপর দিকে এভাবে কোনো ওয়েবসাইটে ভিসিটর পাবার জন্য  ওয়েবসাইটির মালিক কে গুগল কে টাকা দিতে হয় | অন্য দিক এ গুগল যাদের ওয়েবসাইটে এ এই বিজ্ঞাপন বসায় তাদের কে টাকা দেয়| উভয় পক্ষকে লাভ দিয়ে গুগল নিজে কিছু কমিশন রাখে | এই প্রক্রিয়া টি হলো গুগল এ্যাডসেন্স।

গুগল এ্যাডসেন্স কিভাবে করবেন?
এ্যাডসেন্স থেকে আয় করার জন্য আপনাক গুগল এ্যাডসেন্স একাউন্ট করতে হবে | এই একাউন্ট  করার জন্য নিদৃষ্ট কিছু তথ্য দিয়ে এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয় | গুগলে ১০ দিন  অথবা এর কম সময়ের মধ্যে আপনার ইমেলএ একটি  ইমেল পাঠাবে যে আপনার একাউন্ট অনুমোদিত হয়েছে | প্রথমিক ভাবে একাউন্ট অনুমোদিত হলে গুগল নিচের ছবি র মত একটি ইমেল পাঠাবে |

এই ইমেল পাবার পর আপনি আপনার এ্যাডসেন্স একাউন্ট এ লগিন করলে গুগল আপনাকে যে জাভাস্ক্রিপ্ট কোড দিবে সেটা আপনার ওয়েবসাইটের নিদৃষ্ট স্থানে বসিয়ে দিন| কিছুক্ষণ এর  মধ্যেই ঐ স্থানে গুগলের এ্যাডগুলো দেখা হবে | সাবধান নিজের ওয়েবসাইটের এ্যাডে কখনো ক্লিক করবেন না | নিজের ওয়েবসাইটের এ্যাডে ক্লিক করলে গুগল ওই একাউন্টটি বন্ধ করে দেয়| এমনকি অন্য কোনো কম্পিউটার থেকেও ক্লিক করবেন না কারণ গুগল Natural and Spam ক্লিক এর মধ্যে পার্থ্যক বুঝতে পারে|

এ্যাডসেন্স  থেকে আয় আর জন্য আপনার প্রথম যা লাগবে তা হলো আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট অথবা  ব্লগ | আমার কাছে অনেকে  আসে যে, আমার তো ব্লগ আছে  কিন্তু এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করে এ্যাডসেন্স পাই নাই | তাই আমি নতুনদের কথা বিবেচনা করে এ্যাডসেন্স পাওয়ার উপায়গুলো ধাপে ধাপে আলোচনা করছি| আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটি হতে হবে একটা নিদৃষ্ট বিষয়-র উপর যেমন: আমি আমার নতুন  একটা ওয়েবসাইটের জন্য  কাজ করছি যার মূল Keyword হলো Food recipes এবং এই ওয়েবসাইটের সকল আর্টিকেল ফুড রেসিপি সংক্রান্ত | সুতরাং  এ্যাডসেন্স  পাবার জন্য আপনাকে একটি নিদৃষ্ট বিষয়র উপর ওয়েবসাইট  থাকতে হবে |
যে   বিষয়টির উপর ওয়েবসাইট  তৈরি করবেন যেমন Food recipe সংক্রান্ত ওয়েবসাইট হলে নাম দিতে পারেন www.foodrecipes.com অথবা www.foodrecipes24 .com | সাধারনত ফ্রী ব্লগিং এর মাধ্যমে এ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন  করলে গুগল এগুলোকে কম মূল্যায়ন করে | তাই সহজে এ্যাডসেন্স  পাবার জন্য টপ লেভেল ডোমেইন (.com .org  ... ) নির্বাচন করুন |
আপনার ওয়েবসাইটের ডিজাইন মোটামুটি প্রফেসনাল হওয়া উচিত এ ক্ষেত্রে আমার সাজেশন  হলো  ফ্রী ব্লগিং টেম্পলেট  ব্যবহার করা| গুগল কোনো ওয়েবসাইট এ্যাডসেন্স দেওয়ার আগে এই বিষয় গুলো কে খেয়াল করে |
আপনার ওয়েবসাইটির অবজেক্ট সম্পর্কিত লোগো থাকা উচিত | কারণ এটা ইন্টারনেট এ আপনার কোম্পানি বা ওয়েবসাইট সম্পর্কে একটি ভালো ধারণা প্রকাশ করে এবং এর  মাধ্যমে ওয়েবসাইটির যে প্রফেসনাল তা প্রকাশ পায় | তাই আমার সাজেশন হলো এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করার আগে সুন্দর একটি লোগো ব্যবহার করুন|

আপনার সাইটকে indexing  করা অর্থাৎ গুগল  এর ডেটাবেইজ লিপিবদ্ধ করা , এ্যাডসেন্স  এর জন্য আবেদন করার আগে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগলে Indexing করা উচিত | আর দ্রুত Indixing করার জন্য আপনি গুগল ওয়েবমাস্টার টুল সাইট ভেরিফাই করে নিন এসময় আপনার ওয়েবসাইটের এক্সএমএল সাইটম্যাপটি যোগ করে দিন| এই প্রক্রিয়ায় ২৪ ঘন্টার ভেতর আপনার ওয়েবসাইট গুগল  Indixing হয়ে যাবে | এসইওর জন্যও সাইটম্যাপ একটি গুরত্বপূর্ণ ব্যাপার ইউটিউবে কিভাবে সাইটম্যাপ তৈরী করতে হয় এবং ওয়েবমাস্টার টুল দিয়ে ভেরিফাই করতে হয় তা সম্পর্কে অনেক ভালো ভালো ভিডিও আছে| 

গুগল আসলে ভিসিটর খোজে যদি আপনার সাইটে ভালো ভিসিটর থাকে ,তাহলে আপনার এ্যাডসেন্স পাওয়া কোনো কঠিন কাজ  না | তাই চেষ্টা  করুন প্রতিদিন কিছু ইউনিক ভিসিটর রাখার, এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন যদি কিছু স্যোসাল বুকমার্কিং করেন তাহলে ভালো ভিসিটর পাবেন |
আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্ট হতে হবে ইউনিক, ৪০০ শব্দের ৫  থেকে ১০ টি অথবা যত বেশি পারা যায় কন্টেন্ট রাখুন | আর একটি কথা আর্টিকল কেমন হবে বা কোন বিষয় আর্টিকল এ থাকতে পারবে না তা জানার জন্য এ্যাডসেন্সের Terms And Condition ভালো ভাবে পরে নিন |

এসইওতে বলা হয়ে থাকে " কনটেন্ট   ইজ  কিং " তাই আপনার আর্টিকেলগুলু ১০০% ইউনিক হলে এসইওর জন্য ভালো আর মনে রাখবেন ডুব্লিকেট  আর্টিকলে ব্যবহার  করলে গুগল ওয়েবসাইট  ব্যান  করে দিবে। আর্টিকল কেমন হবে বা কোন বিষয় আর্টিকল এ থাকতে পারবে না তা জানার জন্যও গুগলের Terms And Condition গুলো ভালো ভাবে পরে নিন |
আপনার প্রতিটি পেজের জন্য On page SEO  ঠিক  করে নিন | আপনার প্রত্যেক  পেজের র জন্য পেজের সাথে সামঞ্জস পূর্ণ টাইটেল  দিন | আকর্ষণীয় মেটা ডেসক্রিপশন  ব্যবহার  করুন |
উপরোক্ত বিষয় গুলো মেন করে খুব সহজেই আপনি একটি  এ্যাডসেন্স একাউন্টের মালিক হতে পারেন। এ্যাডসেন্স থেকে আয়  করার জন্য আপনার ওয়েবসাইটকে ভালো ভাবে এসইও  করতে হবে অর্তাত আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশী  ভিসিটর আসবে তত বেশী ক্লিক পরার সম্ভাবনা থাকবে তত বেশী  আয় হবে।