ডিজিটাল নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস-ডিএনএ

World best Online education and Money earning informer Network from Bangladesh.

Online education and Money eran Tutorial

Easy access,Get money eran sucess.Online money earn informer site.

Entertainment for All

All in One service in our site . Just access and go,enjoy,share with others .

All type of Android and iOS Mobile Apps

Enjoyale,smooth,easy,free Android,Windows Mobile Apps download now.

Dedicate Customer care 24/7-365

Exparince Customer care.Customer servie first,Any time, any where,any question, just ask me +880-1918-388-377

Showing posts with label •|• সেক্স বিজ্ঞান •|•. Show all posts
Showing posts with label •|• সেক্স বিজ্ঞান •|•. Show all posts

Wednesday, 5 March 2014

::: ৭ টি গোপন কথা যা আপনার স্ত্রী কখনও মুখে বলবেন না :::

১) সবকিছুর ঊর্ধ্বে আপনার স্ত্রী! সে আপনার ভালবাসা চায়!

- যখন কোন স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা কম দেখায়, বিনিময়ে স্বামী স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা কমে যায়।

- যখন স্বামী স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা কম দেখায়, বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা কমে যায়।

এটি একটি দুষ্টচক্র যা চলতেই থাকে। এই চক্র শুরু হওয়ার আগেই তা ভেঙ্গে ফেলুন। আপনার স্ত্রীর প্রতি আপনার ভালবাসা প্রকাশ করুন। তিনি ঠিক সেটাই চান।

তার ভুলত্রুটি, দোষ থাকা সত্ত্বেও তাকে ভালবাসুন। ইনশা আল্লাহ, তিনিও আপনাকে আপনার ভুলত্রুটি ও দোষ থাকা সত্ত্বেও শ্রদ্ধা করবেন।

২) যখন আপনার স্ত্রী একঘেয়েমিতে ক্লান্ত...

তাকে সন্তান প্রতিপালন করতে হয়, সংসার সামলাতে হয়, তারপর আবার আপনার প্রয়োজন মেটাতে হয়, আপনার মন রক্ষা করতে হয়।
প্রতিদিন এমনটি করতে হবে ভাবতেই তো কোথাও পালিয়ে গিয়ে লুকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করবে পুরুষদের। ভেবে দেখুন যে কোন সাধারণ মুসলিমা স্ত্রীর কেমন অনুভূতি হয়। আর কর্মরত নারীদের কথা ভুলে গেলে হবে না। অনেক নারীকে সারাদিন চাকরি করে এসেও সংসার সামলাতে হয়।

কাজেই , আপনার স্ত্রী কে সেই অনুভূতিটি উপহার দিন যে - তিনি বিশেষ একজন। তাকে একটু একঘেয়েমি থেকে ছুটি দিন। তাকে মাঝে মাঝে বাইরে খেতে নিয়ে যান। অথবা তার জন্য তার প্রিয় খাবারটি বাইরে থেকে কিনে আনুন। অথবা তাকে নিয়ে এমনিই কোথাও বেড়িয়ে আসুন।
কিছু একটা অন্তত প্রায়ই করুন, তার একঘেয়েমির বন্দিদশা ভেঙ্গে দূর করে দিন।

৩) সে প্রশংসিত হতে চায়...

প্রশংসা; কে না পেতে চায়? কেউ চায় না যে তার কষ্টের শ্রম কেউ লক্ষ্যও না করুক কিংবা এর চেয়েও খারাপ হল- সবাই তার সারাদিনের পরিশ্রমের কাজকেই স্বাভাবিক বলে ধরে নিয়ে তার সঠিক মূল্যায়ন টুকুও না করুক।

আপনার স্ত্রী আপনার ময়লা কাপড় পরিস্কার করতে বাধ্য নন। তিনি আপনার খাবার তৈরি করতেও বাধ্য নন। তবুও তিনি সবসময় তা করে চলছেন। আর তিনি এসব তার জীবনের অন্যান্য অনেক কিছুর চেয়ে বেশী গুরুত্ব দিয়ে করছেন।

- সন্তান প্রতিপালন
- কাজে অথবা স্কুলে যাওয়া
- আত্মীয় স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা
- আরও ভাল মুসলিমাহ হওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

আপনার স্ত্রীকে দেখিয়ে দিন যে আপনিও তার পরিশ্রমের গুরত্ব বোঝেন, এবং আপনি তার প্রতি কৃতজ্ঞ কারণ তিনি তার সাধ্য মতো আপনার এবং আপনার পরিবারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। একটি ছোট্ট ‘ধন্যবাদ’ দিয়ে শুরু করলেও মন্দ হবে না।

৪) সে বিশেষ একজন। তার সাথে কারো তুলনা হবেনা...

- কক্ষনো তাকে কোন নায়িকার সাথে তুলনা করবেন না।
- কখনই তাকে আপনার মা অথবা বোনের সাথে তুলনা করবেন না।
- ভুলেও তার সাথে আপনার আগের স্ত্রী বা অন্য স্ত্রীর (যদি থাকে) তুলনা করবেন না।

৫) একজন ভাল মুসলিমাহ হওয়ার জন্য তিনি আপনার সহযোগিতা চান।

আপনার স্ত্রী চান আপনি তাকে নেতৃত্ব দিন। কারণ নেতৃত্বের সাথে জড়িয়ে আছে দায়িত্বশীলতার বিষয়টি। আপনার স্ত্রী চান আপনি তার দায়িত্বও পরিপূর্ণ ভাবে গ্রহন করেন। আর একজন ভাল মুসলিমাহ হওয়ার পথে স্ত্রীকে নেতৃত্ব দেওয়ার চেয়ে ভাল আর কি হতে পারে? তবে মনে রাখবেন, এই নেতৃত্ব দেওয়াকে শাসন করার সাথে যেন গুলিয়ে না ফেলেন। এই নেতৃত্বের অর্থ সঠিক পথের নির্দেশনা দেওয়া ও সে পথ অনুসরণে যাবতীয় সহযোগিতা করা।

কিন্তু, আপনি নিজেই যদি উত্তম আদর্শের অনুসারী না হন তাহলে কি করে আরেকজনকে শেখাবেন যে কিভাবে ভাল হতে হয়? কাজেই আপনাকে আগে আপনার নিজের ঈমান মজবুত করতে হবে। আগে নিজেকে শুধরাতে হবে, তারপর আপনার স্ত্রীকেও ভদ্রতা, মর্যাদা, এবং হিকমতের সাথে বুঝাতে হবে।

উদাহরণ স্বরূপ, আপনার স্ত্রী যদি ঠিক মতো পর্দা না করেন তাহলে প্রথমে তার জন্য এমন পোশাক পরিচ্ছদ কিনে আনুন যাতে তিনি ঠিক মতো পর্দা করতে পারেন। তারপর তাকে প্রশংসা করে বলুন যে আপনি তাকে একজন সম্ভ্রান্ত নারী রূপে দেখতে ভালবাসবেন, এবং তাকে এমন পোষাকে দেখতে চান যে পোশাক আল্লাহ্‌ কে সন্তুষ্ট করবে। তিনি যদি নিয়মিত সালাত আদায় না করেন, সংসারের কাজের অজুহাত দেখান, আপনি তার কাজে সাহায্য করে তার জন্য ১৫-২০ মিনিট সময় বের করে দিয়ে আগে সালাত আদায় করে নিতে বলুন। আপনিই সবচেয়ে ভাল বুঝবেন কিভাবে বললে তিনি সবচেয়ে বেশি খুশি মনে আপনার কথা শুনবেন।

৬) তিনি ক্রমাগত অভিযোগ করতে ভালবাসেন না, কিন্তু মাঝে মাঝে আপনিই তাকে বাধ্য করেন!

সবাই এটা মনে করেন যে নারীরা তাদের স্বামীদের সাথে খুঁতখুঁত করতে পছন্দ করেন। কিন্তু সেটা পুরোপুরি সত্য নয়। হ্যা, কিছু মানুষ (নারী এবং পুরুষ) এমন আছেন যাদেরকে কিছুতেই সন্তুষ্ট করা যায় না। আপনি যা-ই করুন না কেন, তারা সেটাতে দোষ ধরবেনই। আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, রাসুল (সাঃ) ইরশাদ করেন-

“আমাকে জাহান্নাম দেখান হয়। (আমি দেখি), তার অধিবাসীদের অধিকাংশই স্ত্রীলোক; (কারণ) তারা কুফরী করে। জিজ্ঞাসা করা হল, ‘তারা কি আল্লাহ্‌র সাথে কুফরি করে?’ তিনি বললেন, ‘তারা স্বামীর অবাধ্য হয় এবং ইহসান অস্বীকার করে। তুমি যদি দীর্ঘকাল তাদের কারও প্রতি ইহসান করতে থাক, এরপর সে তোমার সামান্য অবহেলা দেখলেই বলে, ‘আমি কখনও তোমার কাছ থেকে ভাল ব্যবহার পাইনি।’
[সহীহ বুখারীঃ ২৮; ইফা]

কাজেই, বোনদেরকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিৎ যে, তাদের স্বামীরা তাদের জন্য যা করেন, তা যেন তারা তুচ্ছজ্ঞান করে অকৃতজ্ঞতা না করেন।

৭) সবচেয়ে বেশী তিনি চান, আপনার সাথে একটি স্থায়ী ও সুখী সম্পর্ক...

নারীরা এটা ভেবে বিয়ে করে না যে ‘বিয়ে করে খুব মজা হবে।’ তারা বিয়ে করেন কারণ তারা একটি সুখী সংসার জীবন চান; এবং তারা আশায় থাকেন যে আপনি তাকে তা দেবেন। ধর্মীও দায়িত্ব ও কর্তব্যের পর এটাই একজন মুসলিমাহ নারীর প্রধান চাওয়া- একটি সুখী, স্থায়ী, মুসলিম পরিবার গড়ে তোলা। মজার ব্যাপার হল, এটা দেওয়া আপনার জন্য খুবই সহজ কাজ।

ক) বোধহীন মানুষের মতো আচরণ করবেন না। তার জন্য একজন ভালো স্বামী হন। তার প্রতি আপনার ভালোবাসা মুখে প্রকাশ করুন।

খ) কখনও তাকে তালাক বা আরেকটি বিয়ের ভয় দেখাবেন না। হ্যাঁ, আপনার তা করার অধিকার আছে। কিন্তু এই বিষয়গুলোকে নিয়ে ভীতি প্রদর্শন করা আপনাদের সাংসারিক জীবনের জন্য অনুপযোগী এবং ক্ষতিকারক। এরকম ভীতি দেখিয়ে কখনও কল্যাণ আশা করতে পারেন না। কারণ এধরনের ভীতি কখনই তার মনে আপনার জন্য শ্রদ্ধা বা ভালবাসা বাড়িয়ে দেবে না, বরং উল্টোটাই হবে।

গ) আল্লাহ্‌র উপর ভরসা রাখুন। শয়তানের প্রতারণার ফাঁদ থেকে সতর্ক থাকুন। স্ত্রীর বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করুন। অন্য সবকিছুর চেয়ে, স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদে সবচেয়ে বেশী আনন্দিত হয় শয়তান।

দেখলেনতো? সবকিছু এতটা কঠিনও না এখন, তাই না? আপনাদের সাংসারিক জীবন সুখী হোক। সেই কামনা করি...

::: যারা পায়ু পথে সেক্স করেন, যৌনাঙ্গতে মুখলাগান, তাদের কে বলছি.. :::

আমার কাছে সবচেয়ে অবাক লাগার মধ্যে দুইটি বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরছিঃ

১) যে সব ছেলে মেয়েরা একে অপরের যৌনাঙ্গ চুষেনঃ

এটা নির্কৃষ্ট বিকৃর্তি পুশু ভিক্তিক যৌন আচারন। পুশুদের হাত নেই বলে পুরুষ পুশু তার নারী পুশুর যৌনাঙ্গতে মুখ লাগিয়ে উত্তেজিত করে।
কিন্তু মানুষদের হাত আছে, যৌনাঙ্গতে মূখ লাগিয়ে উত্তেজিত করার প্রয়োজন নেই। এ ক্ষেত্রে হাতই যথেষ্ট। তাছাড়া যৌনাঙ্গতে মুখ লাগালে যৌনাঙ্গতে লেগে থাকা জীবানু খুব সহজেই আপনার দেহের ভিতরে প্রবেশ করে।

ইসলামের কঠোর নিষেধ আছেযৌনাঙ্গতে মুখ না লাগানোর। কারণ এই জায়গাটি অপবিত্র, নাপাক। নাপাক জায়গাতে মুখ লাগালে আপনার
মুখও অপবিত্র, নাপাক হয়ে যাবে। আপনার মূখ যাতে নাপাক না হয়,
সে জন্য মহান আল্লাহ বিকল্প ভাবে মায়ের গর্ভে খাবারের ব্যবস্তা করে
আপনাকে লালন করেছেন। যাতে পবিত্র মুখে আপনি আল্লাহর
নাম জপতে পারেন, তার কালাম পড়তে পারেন।

২) যারা পায়ু পথে সেক্স করেনঃ

এই কাজটি ইসলামের দিক থেকে জগন্য অপরাধ। নবীজি বলেছেন যারা এই কাজটি করবে তারা ধংস হয়ে যাবে। পায়ু পথে যারা সেক্স করে তারা জাহান্নামে যাবে। এই বিষয়ে অনেক হাদিস ও আছে, আপনি পিছন দিক থেকে করেন, অথবা সামনে দিক থেকে করেন, আপনাকে সেক্স করতে হবে যৌনি পথ দিয়েই।

পায়ু পথ দিয়ে সেক্স করলে নারীর যৌন অধিকার নারীর যৌন অধিকার লঙ্গণ হয়। তাই বিবাহিত ভাই বোন দের প্রতি অনুরোধ রইলো আপনারা সেক্স করারসময় এই বিষয় গুলি মাথায় রেখে সেক্স করবেন।

যৌন কর্মটিকে আপনি কিভাবে দেখেন?

এটি কি পবিত্র? আপনি যদি তা পবিত্র ভাবেন, তাহলে আরেকটি জীবনের সমস্ত ভালো কাজ হয় এই পবিত্র অংশ গ্রহনের মাধ্যমে। এবং তাকে মৃত্যু পর্যন্ত পৃথিবীতে অপেক্ষে করতে হয়, যার প্রতিমা হচ্ছেন আপনিই। তাই নারী কিংবা পুরুষ, উভয়কেই বলছি - আপনার পবিত্রতা আপনার সন্তানের মাঝেই খুঁজে পাবেন। যা মহান আল্লাহ্‌তালা প্রাকৃতিক ভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন।

আমাদের প্রতিদিনের জীবনে আমরা যৌনতা সম্পর্কে কি এবং কতটুকুই বা জানি? পশ্চিমা দেশের ১৬-১৮ বছরের ছেলে-মেয়েরা যৌনতার ব্যাপারে যা জানে, আমাদের দেশে বিয়ের ১৫ বছর পরে ও আমরা তা জানতে পারিনা, বুঝতে পারিনা। যার কারনে এখনও আমাদের সমাজে যৌনতা নিয়ে কুসংস্কার, ভ্রান্ত ধারনা এবং অবহেলা লেগে আছে। তাই আমাদের পেজে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্ঠা। এই পেজের লেখা দিয়ে যদি কারো কোন উপকার হয়, তাহলেই আমাদের কষ্ট সার্থক হবে।

দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে ম্যাসেজে লিখতে পারেন। অবশ্যই এর উত্তর পাবেন। তবে অবশ্যই আপনার বয়স এবং আপনি কি বিবাহিত না অবিবাহিত তা উল্লেখ করবেন। আপনার বন্ধুকে আমাদের পোষ্টগুলো জানাতে চাইলে অবশ্যই শেয়ার কিংবা ট্যাগ করুন। যৌনতা সবার জন্যই। তাছাড়া বেশ কিছুদিন পেজের পোষ্টে লাইক না দিলে আপনার হোমপেজে এই পেজের পোষ্ট যবেনা। তখন আপনাকে বারবার পেজ খুজে বের করে পেজে ঢুকতে হবে। তাই নিয়মিত এই পেজের আপডেট পেতে লাইক দিবেন। আমাদের পেইজের সকল তথ্য শুধুমাত্র বাংলাভাষায় চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়। রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়।

পুনশ্চঃ
আপনার ছোট্ট একটু কমেন্ট আমাদেরকে অনেক প্রেরনা দেবে।

মুখবন্ধঃ
পেজে কেও গালাগালি / বিজ্ঞাপন / উস্কানীমূলক আলোচনা, এমনকি ঠাট্টা তামাশামূলক মন্তব্য করলে সরাসরি ব্যন করা হবে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

লাজুক মেয়েদের যৌন সমস্যা

মেয়েরা স্বাভাবিক ভাবেই অনেক লাজুক। তাদের ছোট ছোট সমস্যাই শেয়ার করতে পারে না আর যৌন সমস্যা হলে তো কথাই নেই। মেয়েদের এমন কিছু কষ্টের কথা নিয়েই সাজিয়েছি আজকের ছোট প্রবন্ধ।

বিবাহিত মহিলা ও যারা বিয়ের পায়তারা করছেন তাদের জন্য এটি বিশেষ উপকারী হবে বলেই মনে করছি। কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার ব্যাপারে আলোকপাত করা হয়েছে, সমস্যা গুলোকে হালকা দৃষ্টিতে না দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়াই সমীচীন হবে।

০১. যৌন চাহিদা হওয়ার পরেও লুব্রিকেশনের অভাবঃ

কারণঃ

অনেকেরই যৌন চাহিদা হওয়া সত্ত্বেও যৌন স্থান ভিজে না। পানিশূন্যতা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ( কাউন্টার এন্টিহিস্টামিন), নার্সিং, মেনোপজের সময় হরমোন লেভেল পরিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য কারণ।

চিকিৎসাঃ

পিচ্ছিল কারক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে, পানি জাতীয় ব্যবহার করলে ভালো, কারণ কনডম এর জন্যে নিরাপদ। কিন্তু কেউ যদি তৈলাক্ত পিচ্ছিল কারক ব্যবহার করে তখন এটি কনডমের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দিতে পারে। রঙ দেয়া, সেন্ট দেয়া ও ফ্লেভার জাতীয় লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তা ইস্ট ইনফেকশন করে শুকনা ভাব আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকের প্রশ্ন হতে পারে, ইস্ট ইনফেকশন কি তার পুরুষ সঙ্গীর শরীরেও ইনফেকশন করতে পারে? উত্তর হবে হ্যাঁ । এটি অনেক কমই হয়, কিন্তু হয়। একই রকম লক্ষণ যেমন- লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি, যৌনমিলনের পর অস্বাভাবিক নিঃসরণ হতে পারে। কোন পুরুষের যদি ডায়াবেটিস থাকে, এন্টিবায়োটিক নিতে থাকে অথবা সে তার যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কোন কারণে কমে যায় তখন তার আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায়। খৎনা করা না থাকলেও এর ঝুকি বেড়ে যায়। কারণ এর উপরের চামড়া ভেজা ভেজা অবস্থার সৃষ্টি করে যা ইস্ট বেড়ে ওঠায় সাহায্য করে।

০২. মিশনারি (পুরুষ উপরে থাকা ) পজিশনে যৌন মিলনে সমস্যা হওয়াঃ

শতকরা ২০ ভাগ মহিলার জরায়ু নরমালের উল্টো দিকে থাকতে পারে অর্থাৎ পেটের দিকে না থকে শিরদাঁড়ার দিকে থাকেতে পারে। এ ক্ষেত্রে টেম্পুন বা ডায়াফ্রাম ব্যবহার করা কষ্টকর হয় কারণ তা জরায়ুর ভেতর পর্যন্ত চলে যেতে পারে। তাই নারী উপরে থেকে মিলনে কষ্ট লাঘব হবে। আর মা হতে চাইলে যৌন মিলনের পর পেটের উপর অর্থাৎ উপুড় হয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলে তা স্পার্ম কে সাঁতরে জরায়ুমুখে যেতে সাহায্য করবে।

০৩. যৌন চাহিদা কমে যাওয়াঃ

মেনোপজের কাছাকাছি বয়সের মহিলাদের এটি একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা। মেনোপজের আগে ইস্ট্রোজেন হরমোন লেভেল কমে যায়। লুব্রিকেশনের অভাবে ব্যথা ও ব্যথা থেকে আগ্রহ কমে যাওয়া এর প্রধান কারণ।

চিকিৎসাঃ হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি , ইস্ট্রোজেন ক্রিম ও সাপোজিটরি আর লুব্রিকেন্ট (পিচ্ছিল কারক ) কাজ দিতে পারে।

০৪. যৌন মিলনের পর প্রস্রাবে জ্বালাপোড়াঃ

কারণঃ

চাপে ঘষা লেগে মূত্রনালিতে ইরিটেশন হলে জ্বালাপোড়া হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ মিলন আর যৌন স্থানের শুষ্ক ভাবও এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ। প্রস্রাব নালীতে ইনফেকশন হলেও এই সমস্যা হতে পারে। যদি প্রস্রাব যৌন স্থানে লাগার পর জ্বালাপোড়া হয় তবে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মুত্রথলি খালি হওয়ার সাথে সাথে ব্যথা বাড়তে থাকলে মুত্রথলি ইনফেকশনের ব্যাপারেই সন্দেহ বেড়ে যায়।

চিকিৎসাঃ

যৌন মিলনের পর বাথ টাব ভর্তি কুসুম গরম পানিতে বসে থাকলে ব্যথা কমতে পারে। তাছাড়া পিচ্ছিল কারক ব্যবহারেও মাঝে মাঝে উপকার পাওয়া যেতে পারে। যদি এসব কিছুতেই লাভ না হয় তবে ডাক্তার দেখাতে হবে কারণ তখন কারণটা ইনফেকশনের দিকেই বেশি ইঙ্গিত করে। পানি বেশি পান করলে পিচ্ছিলতা ও ইনফেকশন থেকে মুক্তি দুইটা জিনিসেই উপকার পাওয়া যায়।

০৫. যৌনমিলনের পর তীব্র দুর্গন্ধ ও চুলকানিঃ

কারণঃ

ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এমন হতে পারে। নতুন বা একাধিক মিলন সঙ্গীর কারণে এমন হতে পারে। যৌন স্থানের ভেতরে কিছু দেয়া থাকলে ( যেমন চিকিৎসার জন্যে বা রোগ নির্ণয়ে কোন কিছু ব্যবহার করা হলে ) তা থেকেও হতে পারে। এর পাশাপাশি ইনফেকশনের আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে যেমন অস্বাভাবিক নিঃসরণ, জ্বালাপোড়া। চিকিৎসা না করা হলে ডেট এর আগেই ডেলিভারি হওয়া, স্বল্প ওজনের বাচ্চা জন্ম নিতে পারে।

চিকিৎসাঃ

এন্টিবায়োটিক, যেমন- মেট্রোনিডাজল বা ক্লিন্ডামাইসিন ব্যবহারে লাভ হতে পারে। যাদের বাচ্চার জন্মকালীন ওজন কম বা যাদের ডেট এর পূর্বেই সন্তান জন্ম নিয়েছে তাদের স্ক্রিনিং করাতে হবে।

শেষ করার আগে একটা ছোট্ট টিপস দিতে চাই। অনেকেই মনে করেন পিল খেলে মোটা হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায়। দীর্ঘ দিন ব্যবহারের জন্যে পিলের উপরে কিছু নেই। আর নতুন বাজারে আসা পিল গুলোর সাইড ইফেক্ট-ও কম। কনডম ছিড়ে গিয়ে লিক করতে পারে। সেইফ পিরিয়ড মেনে যৌন মিলন শুধু রেগুলার পিরিয়ড হওয়া মেয়েদের জন্যেই কার্যকরী। তাও সেইফ থেকে ঠিক আনসেইফ পিরিয়ড হওয়ার সময়-ও ভুলবশত গর্ভধারণ হয়ে যেতে পারে কারণ এতটা হিসেব মেনে সেইফ আনসেইফ বের করা সম্ভব হয় না আর জরায়ুর ভেতরে জন্মনিয়ন্ত্রক ডিভাইস রেখে দিলে তার সাইড ইফেক্ট এর তো শেষ নেই। তাই সিদ্ধান্ত আপনার। নিরাপদ থাকুন -

লিঙ্গের আকার কি আসলে গুরুত্বপূর্ণ ?

আপনার লিঙ্গের আকার ই কি বড় ব্যাপার?

এটা একটা পুরাতন বিষয় যে বিষয়ের সাথে মানুষ প্রতিদিনই লড়াই করে চলছে। এ প্রশ্নটি মানুষের চিন্তার সৃষ্টি এবং নানাবিধ ভয়ের ব্যপকতা বাড়াচ্ছে, যেহেতু মানুষ তাদের অপর্যাপ্ততার (কম সেক্স) সম্ভাবনা নিয়ে ভাবে।
...
আপনার চিন্তা ধারায় এটি কঠিন একটি প্রশ্ন এবং সৌভাগ্য বশত এ সমস্যা প্রায় সময় আপনার সহপাটিদের থেকে নিজের উপলব্ধি করতে হয়।

লিঙ্গের সাইজঃ প্রকৃত ব্যাপার না এবং ভূল ধারনা
প্রথম কারণ। Psychology of Men and Masculinity এর প্রতিবেদন অনুসারে
৬৮ % খাড়া লিঙ্গের মধ্যে অধিকাংশ পুরুষের লিঙ্গ ৪.৬ থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা হয়। ১৬ % লোকের সোজা লিঙ্গের সাইজ ৬.১ ইঞ্চি থেকে লম্বা এবং শুধু মাত্র ৬.৯ ইঞ্চি অতিক্রম করেছে.২.৫ % লোকের।
এবং খাড়া লিঙ্গ মাত্র ১৬% পুরুষের ৪.৫ ইঞ্চি থেকেও ছোটো । তাদের আবার শুধু ২.৫% পুরুষের ৩.৭ ইঞ্চির নিচে।

সুতরাং এখন আপনি জানেন।
কিন্তু আপনি কি জানেন যে, কে লিঙ্গের সাইজ নিয়ে চিন্তিত?

আর একটি একই সেমিনারে ৫২০০০ এর ওবেশি পুরুষ এবং মহিলার অংশগ্রহণ থেকে ৪৫ % লোকের এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে তারা লিঙ্গের সাইজ নিয়ে খুশি নয় তাই তারা আরও লম্বা করতে চাই। পরিচিতদের তুলনামূলক গড়পর্তায় ১৬% পুরুষেরই ছোটো। এবং বৃদ্ধ পুরুষদের ক্ষেত্রে একই উপলদ্ধি পরিবর্তিত হয় না তাই এভাবে দেখাগেল একই সংখ্যক বৃদ্ধরা তাদের লিঙ্গ নিয়ে খুশি না কারণ তাদের শক্ত পুরুষের লিঙ্গের মতো সক্রিয় সোজা না। তাদের অপর্যাপ্ততার (কম সেক্স) পরিণতির বিষয় ধারনা আছে। পুরুষেরা বিশ্বাস করে যে তাদের লিঙ্গ এতো ছোট যে তারা তাদের সহপাটিদের সামনে ধোন বের করতে লজ্জা পায়। সম্ভবত সেক্স করার সময় তারা তাদের ছোটো নুনুকে বেশি লুকাই। এবং অবশেষে তাদের অসুন্দর এবং ব্যর্থ বলে বিচার করে। আন্যথায় কিছু মানুষ আছে যারা সম্ভবত খুব বড় লিঙ্গ নিয়েনিজেদের আত্মপ্রত্যয়ী এবং আকর্ষণীও বলে মনে করে। তবে মজার ব্যাপার সামগ্রিক রিপোর্ট থেকে জানা যাই যে, ৮৪ % মহিলারা তাঁদের পুরুষদের লিঙ্গের সাইজ নিয়ে আনন্দিত। তাই পুরুষের এই সমস্যাটি মহিলাদের নিকট কোন সমস্যা না বলেই বিবেচিত।
গল্প এখানেই শেষ নয়, লিঙ্গের ব্যাপার হল মহিলাদের উপর। কারণ যখন মহিলারা লিঙ্গের সাইজ(আকার) সম্পর্কে বলে তখন তারা মোটাতেই আশাবাদী লম্বাতে নয় বলে বোঝায়।
“একটা খুব লম্বা ত্বকের লিঙ্গ কখনো আরাম দায়ক নয় ছোটো লিঙ্গের মতো।” এটা বলেছেন লস এঙ্গেলস এর যৌনবিদ পাটটি ব্রিট্টন, পি এইস ডি।

লিঙ্গের সাইজঃ মূল বিষয় কি?
মেয়েদের খুশি অথবা সেক্সে আনন্দ দেয়ার ক্ষেত্রে লিঙ্গের সাইজ (আয়তন) ই বড় বিষয়?

সেক্সের ক্ষেত্রে মেয়েদের দুইটি মানষিকতা কাজ করে তা হল লিঙ্গ যেন খুব সহজে ভাগাস্কুর এবং গ-স্পটে ( যৌনদারের নরম একটা স্থান) ঢুকে কাম উদ্রেক সৃষ্টি করে।
এর মানে হল একটি ছোটো এবং খাটো লিঙ্গও যৌনদারের ভেতর ঢুকে পরম আনন্দ দিতে পারে।
‘‘একটা প্রবাদ আছে, এটি কোন সাইজের(আয়তনের) ব্যাপার নয় বরং কিভাবে আপনি আনন্দ দিতে পারছেন সেটাই মুখ্য বিষয়’’ যদি পুরুষেরা তাঁদের প্রেমিকাকে পটাতে এবং আনন্দ দিতে সক্ষম হয় তবেই সে শুধু মেয়েদেরকে বড় ধরণের সুখ দিতে এবং ভালবাসতে সক্ষম হবে।

আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ আপনাদের যদি এই পোইজটি ভাল লেগে থাকে তাহলে লাইক / কমেন্ট করে পেইজে এক্টিভ থাকুন ॥ ধন্যবাদ।।

স্বামী-স্ত্রীর যৌন সহবাসের কিছু সাধারণ আসন

মানুষের সকল কর্মকাণ্ডের মধ্যে সবচেয়ে মধুর কর্মটি হচ্ছে স্বামী স্ত্রীর ভালবাসা। আর স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসার তীব্রতম প্রকাশ হচ্ছে শারীরিক সম্পর্ক। শারীরিক সহবাসের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের যতো সান্নিধ্য লাভ করতে পারে, তা অন্য কোনভাবে সম্ভব নয়।
এখানে স্বামী স্ত্রীর শারীরিক মিলনের কিশু আসনের বর্ণনা দেওয়া হলঃ
(সহবাসের শুরুতে কিছু প্রেমক্রীড়া দ্বারা পরস্পরের মধ্যে আবেগ জাগ্রত করে নিবে। তা এই আলোচনায় উহ্য রাখা হল)

সহবাসের আসনগুলোকে ভাগ করা যায় মূলত চারভাগে। যথা
(ক) পুরুষপ্রধান আসন
(খ) রমণীপ্রধান আসন
(গ) নিরপেক্ষ আসন
(ঘ) বিবিধ

এখানে মনে রাখা দরকার, একজোড়া দম্পতির জন্য সকল আসন উপযোগী হবে, তা আশা করা যায় না। এক জোড়া দম্পতির জন্য কোন প্রকার আসন উপযুক্ত হবে, তা খুঁজে বের করতে হবে নিজেদেরই। এর জন্য স্বামী-স্ত্রীর নিজেদেরকে জানতে হবে। সহবাসে পুরুষ আনন্দ পায় নারীর যোনি নিঃসৃত তরল থেকে। এই তরলে কামরস নামক পদার্থ থাকে, তা পুরুষাঙ্গে লাগলে স্বামীর সমগ্র দেহে এক প্রকার শিহরণ সৃষ্টি হয় এবং এক প্রকার ঝাঁকুনির মতো অনুভব করে। সহবাসকালীন স্ত্রীর আনন্দ কোন বিশেষ অঙ্গে অনুভূত না হয়ে সমগ্র গায়ে স্বামীর আদরের দ্বারা অর্জিত হয় তবে প্রধানত স্বামীর পুরুষাঙ্গের গোড়া দ্বারা যোনিমুখের ভগাঙ্কুরে ঘর্ষণের ফলে তীব্রতর আনন্দ হয়।
সব নারীর যোনি নিঃসৃত তরলে সমপরিমাণ কামরস থাকে না। যাদের কামরস অধিক পরিমাণে থাকে, তাদের সাথে সহবাসে স্বামী শিহরণে শিহরণে আত্মহারা হয়ে উঠে এবং স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ছোট হলে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক কামরসের উপস্থিতির দরুণ আনন্দের আতিসাহ্য গ্রহণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে অবশ্যই বিশেষ আসন প্রয়োজন। আবার যদি স্ত্রীর মাসিক ঋতুস্রাব অধিক পরিমাণে ও অধিককালব্যাপী স্থায়ী হয়, তবে তার যোনিরসে কামরসের পরিমাণ কম থাকে। তখন স্বামী সহবাসের তীব্রতর পুলক লাভ করতে পারে না। এমনকি স্বামীর পুরুষাঙ্গখানি বড় আকারের হলে পুরুষাঙ্গটিকে শিহরিত করার জন্য প্রয়োজনের চাইতে অল্প কামরসের দরুণ স্বামী সহবাসের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়। এক্ষেত্রেও অবশ্যই বিশেষ আসনের প্রয়োজন আছে।

আমাদের পরবর্তী আলোচনার সুবিধার্থে আমরা এখানে নারী-পুরুষের একখানি শ্রেণীবিভাগ করবো। নারীকে তিনভাগে ভাগ করবো। যথা
(ক) নীরস (এদের ঋতুস্রাব অধিক পরিমাণে হয়, ফলে কামরসের ঘনত্ব কম)
(খ) সাধারণ (এদের ঋতুস্রাব স্বাভাবিক পরিমাণ। এরা স্বামীকে সাধারণত তুষ্ট করতে পারে)
(গ) ঝাঁজালো (এদের ঋতুস্রাব সাধারণের তুলনায় কিছুটা কম, তাই কামরসের ঘনত্ব অধিক। তাদের সাথে সহবাসে স্বামীর পুরুষাঙ্গে তীব্র শিহরণ অনুভূত হয় এবং স্বামী আনন্দে দিশেহারা হয়ে যায়)

পুরুষকেও অনুরূপ তিনভাগে ভাগ করবো। যথা
(ক) খর্ব (এদের পুরুষাঙ্গ উত্তেজিত অবস্থায় অর্থাৎ মিলনের জন্য উত্থিত অবস্থায় পাঁচ আঙ্গুল বা তার চাইতে কম দীর্ঘ হয়। নীরস রমণীতে পূর্ণ তৃপ্তি, সাধারণে অধিক আনন্দ হয়। কিন্তু ঝাঁজালো স্ত্রী হলে আনন্দ শিহরণ ও ঝাঁকুনির মাত্রা পুরুষাঙ্গে সহ্য করা কষ্টকর হয়)
(খ) সাধারণ (উত্থিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল দীর্ঘ হয়। সকল নারীতেই তৃপ্তি, তবে নীরসে কিছুটা কম ও ঝাঁজালোতে অধিক)
(গ) দীর্ঘ (উত্থিত পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য সাত আঙ্গুল বা তার চাইতে অধিক, এমনকি নয় বা দশ আঙ্গুল পর্যন্ত হতে পারে। ঝাঁজালো রমণীতে পূর্ণ তৃপ্তি, কারণ বৃহৎ পুরুষাঙ্গের প্রয়োজনীয় অধিক কামরস ঝাঁজালো রমণীই যোগান দিতে পারে। সাধারণ স্ত্রীতে স্বল্প আনন্দ এবং নীরস স্ত্রীর সাথে সহবাসে বিশেষ আনন্দ নাই)

পুরুষপ্রধান আসনঃ
পুরুষ প্রধান আসনে সহবাসের মূল নিয়ন্ত্রণটি থাকে স্বামীর কাছে, তবে স্ত্রীরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই পদ্ধতিটিই সাধারণ সহবাস কৌশল হিসাবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। এই আসনে স্ত্রী চিৎ হয়ে শয়ন করে ও স্বামী তার উপর উপুর হয়ে গমন করে। স্বামীর পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য কম হলে স্ত্রী পা দুইটি সোজা করে রাখবে। আন্যথায় স্ত্রী হাঁটু ভাঁজ করে পা দুইটি স্বারা স্বামীর কোমর বেষ্টন করে রাখবে। এতে উভয়ের আনন্দ অধিক হবে। স্বামীর পুরুষাঙ্গ দীর্ঘ হলে স্বামীর উচিৎ হবে সঠিক প্রবেশ নিশ্চিত করতে স্ত্রীর পা দুইটিকে আরও উপরে তুলে নিয়ে স্বামীর দুই কাঁধের উপরে স্থাপন করা। আরও গভীর প্রবেশের সুবিধার্থে স্ত্রীর কোমরের নিচে একটি বা দুইটি বালিশ স্থাপন করা যেতে পারে।

রমণীপ্রধান আসনঃ
এই প্রকার আসনে সহবাসের মূল নিয়ন্ত্রণটি থাকে স্ত্রীর হাতে। স্বামী বদমেজাজী হলে অথবা স্বামী যদি স্ত্রীকে উৎপীড়ন-নির্যাতন করে, তাহলে স্বামীকে বশে আনতে স্ত্রীর প্রধান অস্ত্র রমণীপ্রধান আসন। তাছাড়া স্ত্রী যদি নীরস (ঋতুস্রাব অধিক স্থায়ী) হয়, তাহলে স্বামীকে সহবাসের পর্যাপ্ত আনন্দ প্রদান করতে রমণীপ্রধান আসনই উপযুক্ত, বিশেষ করে স্বামী যদি দীর্ঘ হয়। এই প্রকার আসনে স্বামী চিৎ হয়ে শয়ন করবে এবং স্ত্রী তার উপর উপুর হয়ে শুয়ে যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে নিবে। তারপর স্ত্রী নিজের কোমর সামনে-পিছনে, উপর-নিচে, ডানে-বামে কিংবা বৃত্তাকারে নানা প্রকারে ঘুরিয়ে (যে প্রকারে আনন্দ সর্বাধিক হয়) সহবাস পরিচালনা করবে। স্ত্রীর হাঁটু ভাঁজ করে স্বামীর কোমরের দুই পাশে ফেলে রাখতে পারে অথবা পা সোজা করেও রাখতে পারে। বেশিরভাগ স্বামী স্ত্রীকে পরিচালনার ভূমিকায় দেখতে অপছন্দ করলেও কিছু কিছু পুরুষ অধিক আনন্দের জন্য রমণীপ্রধান আসন পছন্দ করে থাকে।

নিরপেক্ষ আসনঃ
এই আসনেও কার্যকর ভূমিকা থাকে স্বামীরই, তবে কেউ কারও উপর শায়িত থাকে না বলে নিরপেক্ষ আসন বলে। যদি স্বামীর পুরুষাঙ্গ খর্ব হয়ে থাকে, তাহলে অধিক গভীরতায় প্রবেশের নিমিত্তে এই আসনটি সর্বাধিক উপযুক্ত। এই আসনে স্ত্রী দুই হাতের কুনুই ও হাঁটুর উপর ভর দিয়ে উঁবু হবে (হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গিমায়), আর স্বামী তার পেছন থেকে (হাঁটুর উপর ভর করে দাঁড়িয়ে) স্ত্রীর যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সামনে পেছনে কোমর চালনা করে সহবাস সম্পাদন করবে। তবে কোন ক্রমেই পায়ুপথে সহবাস করা যাবে না, কারণ তা ধর্মমতে ও নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য। এই আসনে পূর্বেকার আসন দুইটির মতো ঘনিষ্ঠ আলিঙ্গন ও অন্যান্য আদর-সোহাগের সুযোগ কম থাকে।

বিবিধঃ
এছাড়াও আরও নানা প্রকারে সহবাস হতে পারে। যেমন সামনা-সামনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে, স্বামী-স্ত্রীর উচ্চতা সমান হতে হবে।
সামনাসামনি বসে। পাশাপাশি মুখোমুখি শুয়ে, পাশাপাশি বিপরীতমুখী শুয়ে, ইত্যাদি বহুবিধ আসন।

সহবাসে আসন সংক্রান্ত কিছু টিপসঃ
বিয়ের পর প্রথম কিছুদিন স্বাভাবিক নিয়মে সহবাস করার পর ভিন্ন ভিন্ন আসনে চেষ্টা করে দেখতে হবে নিজেদের সবচাইতে উপযুক্ত আসন কোনটি এবং কোন আসনে পরস্পরের সর্বাধিক সুখ বোধ হয়। তারপর সেই আসনেই সর্বদা মিলিত হবে। কেননা ভিন্ন ভিন্ন আসনে সহবাস অনেক সময় দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
স্বামী আনন্দ পাচ্ছে, কিন্তু স্ত্রী সুখ বোধ করছে না, অথবা স্ত্রী সন্তুষ্ট, কিন্তু স্বামী সুখী নয়, এরূপ আসন নির্বাচন করা যাবে না। তাতে দাম্পত্য জীবনে আনন্দের ঘাটতি দেখা দিবে।
স্বামী কোন নির্দিষ্ট আসনে সহবাস না করে প্রায়ই ভিন্ন ভিন্ন আসনে সহবাস করে, এরূপ হলে স্ত্রীর বুঝতে হবে সে স্বামীকে পূর্ণাঙ্গরূপে তৃপ্ত করতে পারছে না, যা একজন পুরুষ চায়। তখন স্বামীকে পূর্ণ তৃপ্তি দিতে সচেষ্ট হতে হবে।

স্বামী-স্ত্রী সহবাসের কিছু নিয়ম - কানুন।

স্বামী স্ত্রী সহবাস করার সময় কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়।
কিছু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলেও।
১। রাত্রি দ্বি-প্রহরের আগে সহবাস করবে না।
২। ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী সহবাস করবে না।
৩। সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়বেন।
স্ত্রী সহবাসের দোয়া।
তারপর স্ত্রীকে আলিঙ্গন করবেন।
স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয় তখন তাকে ভালো বাসা দিবে এবং আদর সোহাগ দিবে।
চুম্বন দিবে। তখন উভয়ের মনের পূর্ণ আশা হবে সহবাস।
তখন বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন।
৪।স্ত্রী সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও
সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের
বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা করিবে না।
তাহার সাহিত মিলন সুখের চিন্তা করবেন না। স্ত্রীর ও তাই করা উচিৎ।
৫। রবিবারে সহবাস করবেন না।
৬। স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় উভয়ের অসুখের সময় সহবাস করবেন না।
৭। বুধবারের রাত্রে স্ত্রীর সহবাস করবেন না।
৮। চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
৯। স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস করবেন না। ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়।
১০। বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১১।সহবাসের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না।
১২।নাপাক শরীরে স্ত্রী সহবাস কবেন না।
১৩। উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১৪। জোহরের নামাজের পরে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১৫। ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১৬।উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১৭। স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১৮।পূর্ব-পশ্চিম দিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

Saturday, 22 February 2014

পুরুষের যৌন সমস্যা ও সমাধান

প্রতিটি মানুষই জন্মগতভাবে যৌবনের অধিকারী। জীবনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে এই যৌবন মানুষের জীবনে আসে। এই সময়টাই মানুষের জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান সময়। এই সময়ে নারী ও পুরুষের দেহ-মনে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এসময় একই সাথে নারী ও পুরুষদের নানা ধরনের শারীরিক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়। যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে।
 
মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদেরও নানা ধরনের যৌন সমস্যা রয়েছে। যেমন – প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশেন (সহবাসে স্থায়িত্বের অভাব), ইরেকশন ফেইলিউর (পুরুষাঙ্গের উত্থানে দুর্বলতা), পেনিট্রেশন ফেইলিউর (যৌনাঙ্গ ছেদনে অক্ষমতা) প্রভৃতি। ডাক্তারী বিজ্ঞানমতে, পুরুষদের এসব সমস্যার জন্য যেসব বিষয়কে দায়ী করা হয় সেগুলো হলো:
  • যার সাথে সহবাসে মিলিত হওয়া সেই মানুষটির সাথে বয়সের পার্থক্য
  • সহবাসকারী পার্টনারকে অপছন্দ (যেমন: দেহের ত্বক, মুখশ্রী, দেহ সৌষ্ঠব প্রভৃতি)
  • ডায়াবেটিস
  • সিফিলিস
  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ
  • যৌনরোগ বা এইডস ভীতি
  • নারীর ত্রুটিপূর্ণ যৌনাঙ্গ
  • দেহে সেক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
  • প্রয়োজনীয় যৌন শিক্ষার অভাব
 
আমাদের মধ্যে অনেকেই লজ্জায় এসব বিষয়ে কাউকে কিছু না বলে নিজের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। এ থেকে সমস্যা আরো মারাত্মক আকার ধারণ করে। তাই এসব সমস্যা নিজের মধ্যে লুকিয়ে না রেখে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ, ভিডিআরএল, টিপিএইচ, এইচবিএসএজি ও রক্তের হরমোন এনালাইসিস এর মাধ্যমে এথেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
 
এছাড়া আপনি চাইলে ঘরে বসেই এসব সমস্যা সমাধান করতে পারেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় হোম রেমেডি। হবে সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়। রোগের প্রাথমিক অবস্থায় হোম রেমেডি পদ্ধতি প্রয়োগ করে রোগটি নির্মূল করা সম্ভব হয়। যেসকল পুরুষের যৌন সক্ষমতা কম তারা নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন।
 
রসুন:
মসলা হিসেবে রসুন আমাদের সকলের কাছেই পরিচিত। ডাক্তারী ভাষায় রসুনকে বলা হয় গরীবের পেনিসিলিন। এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune booster হিসাবে কাজ করে। যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বিশেষ কোনো রোগের কারণে বা দুর্ঘটনার কারণে যৌন ক্ষমতা হারিয়ে গেলে রসুনের মাধ্যমে তা পুণরায় ফিরে পাওয়া যায়। প্রতিদিন দুই থেকে তিন কোয়া রসুন কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খেলে হারানো যৌন অক্ষমতা ফিরে পাওয়া যায়। যারা খালি কাঁচা রুসন খেতে পারেন না তারা গমের আটার তৈরি রুটির সাথেও কাঁচা রসুন মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে শরীরে স্পার্ম তৈরির মাত্রা বেড়ে যায় এবং সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে থাকে।  
 
পেঁয়াজ
আমরা অনেকেই জানি পেঁয়াজ খেলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। সহজলভ্য এই মসলাটি কাম উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসাবে অনেকদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এর ব্যবহার বিধি সম্পর্কে এখন সুস্পষ্ট তেমনকিছু জানা সম্ভব হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সাদা পেঁয়াজ বাটা মাখনের সাথে ভেজে মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, এটি খাওয়ার আগে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা পর্যন্ত কোনো কিছু খাওয়া যাবে না। এটি খেলে দ্রুত বীর্যপাত, ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন প্রভৃতি সমস্যার সমাধান হয়। এছাড়াও পেঁয়াসের রসের সাথে কালো খোসা সহ বিউলির ডালের গুড়া সাত দিন ভিজিয়ে রেখে রোদে শুকিয়ে সেটি নিয়মিত খেলে কাম-উত্তেজনা বজায় থাকে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় থাকে। 

Friday, 21 February 2014

ভালোবাসার দিনেও যৌন প্রতারণা, নির্যাতন, ধর্ষণ!

আট-নয় মাস আগের কথা। আমার এক বন্ধু এবং তার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা। নিউমার্কেটে। দু’জন বেশ উড়ে বেড়াচ্ছে, ঘুরে বেড়াচ্ছে। যেন রঙিন প্রজাপ্রতি। নিউমার্কেটের এ-দোকানে, ও-দোকানে। অনেকটা জোর করে আমাকে ফুচকাও খাওয়ায় বন্ধু ও তার প্রেমিকা।

বন্ধুর প্রেমিকা ইডেনে পড়েন। বিস্তারিত জানি পরিচয়ে। হপ্তা খানেক পর বন্ধুর প্রেমিকা একদিন আমার মুঠোফোন নাম্বারে ফোন দেন। বলেন, আপনি তো একা থাকেন। আপনার ফ্ল্যাটে কি আমরা কিছুক্ষণ সময় কাটাতে পারি? কোনো ঝামেলা হবে না, নিজেদের মতো সময় কাটিয়ে চাবি দিয়ে যাব।

আমি রাজি হই না। কেমন যেন অস্বস্তি কাজ করে আমার ভেতর। রাজি না হওয়াতে বন্ধুর প্রেমিকা আমার ওপর মহা বিরক্ত। বলেন, আপনি এখনো সেকেলে। অনাধুনিক। ব্যাকডেটেড। আনস্মার্ট। এখনকার ছেলেরা এখনো এমন মান্ধাতার আমলের, বোঝা যায় না আপনাকে না দেখলে। রীতিমতো আমাকে ভর্ৎসনা করে ফোন কেটে দেন।

মাস তিন পর আবারও সেই মেয়েটির ফোন। ভাইয়া, আমি সীমা। কোন সীমা? আপনার ছোট বোন। মেয়েটি ডুকরে কাঁদছে। ও আমার সর্বনাশ করেছে।

আমি বলি, সীমা শান্ত হোন। কী হয়েছে বলুন। সীমার কান্না থামে না। সীমার সীমাহীন, নিরন্তর ক্রন্দন আমার ভেতরে তীব্র বেদনার এক অনুভূতির জন্ম দেয়। খুব বেশি দিনের পরিচয় তাদের নয়। ছেলেটি সিম পাল্টে ফেলেছে। বিবাহিত, দুই সন্তানের জনক। তাও জানতেন না সীমা।

সম্ভবত প্রেমের চেয়ে আর কোন ভালো, নিরাপদ, বিশ্বস্ত অস্ত্র নেই মেয়েদের প্রতারিত করার, ফাঁদে ফেলার। প্রেমে পড়ে যে মাত্রার বোধহীন, যুক্তিহীন, মেধাহীন, কাণ্ডজ্ঞানহীন, অন্তঃসারশূন্য আচরণ মেয়েরা করে, তা করে না জীবনের আর কোনো সময়। পুরুষের প্রেমজাল মেয়েদের এমনই ‘আক্রান্ত’ করে যে, লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, সোজা হয়ে হাঁটতেও পারে না সে। নেতিয়ে পড়ে পুরুষের গায়ে, বাহু জড়িয়ে হাঁটে। মনে হয় শক্তিহীন, স্বাবলম্বনহীন, দুর্বল। আসলেই সে তখন ভয়ানকভাবে দুর্বল, পুরুষ প্রেমে। পুরুষের প্রেম কখনো কখনো নেহাত প্রতারণাও বটে। কোনো কোনো মেয়ে প্রতারিত হওয়ার পরও, প্রতারণার বৃত্তে ঘুরপাক খেতে খেতেও বুঝতে পারে না, সে প্রতারিত হচ্ছে। কেননা, সে তখন নিজের কথা ভাবে না, ভাবে অন্যের কথা। নিজের খোঁজ সে নেয় না, নেয় অন্যের খোঁজ। এ নিতান্তই এক ‘ঘোর’। ফলে ঘোরের মধ্যে যে আচরণ সে করে কিংবা তার সঙ্গে করা হয়, তার সবটুকুই সে তখন অনুমোদন করে- বুঝে, না বুঝে।

ভারতীয় মিডিয়া এবং সংস্কৃতি আমাদের বহুলাংশে প্রভাবিত করছে। ফলে ভারতীয় নর্দন-কুর্দনসর্বস্ব চলচ্চিত্র দর্শনে, বাধ্যতামূলকভাবে ‘বয়ফ্রেন্ড’ কিংবা ‘গার্লফ্রেন্ড’ জরুরি মনে করছে এখানকার, এখনকার অনেক তরুণ-তরুণী। ‘বয়ফ্রেন্ড’ না থাকাটা যেন অসম্মানের, অনেক মেয়ের কাছে। ফলে জরুরি ভিত্তিতে ‘সো কলড বয়ফ্রেন্ড’ পেতে গিয়ে যে কোনো বদ পুরুষের খপ্পরেও পড়ছে মেয়েরা। পুরুষেরাও সুযোগ বুঝে, সুযোগ নিচ্ছে বিশাল গার্লফ্রেন্ডের এই খোলাবাজারে।

দাম্পত্য প্রেমের অবস্থাও কম নাজুক নয়। এখানেও প্রতারণা ঘরে ঘরে। ‘তুমিই আমার সব’, ‘তোমাকেই সবচেয়ে ভালোবাসি’, ‘তুমি ছাড়া কেউ নেই’- এমন কথা মুখে থাকলেও অন্তরে নেই। বসবাস, সহবাস একের সঙ্গে, প্রেম অন্যের সঙ্গে- এমন চিত্র এখন অনেকটাই নিয়মিত। প্রেমিকাকে পাঠাতে গিয়ে ভুলে স্ত্রীর ইনবক্সে টেক্সট চলে যাওয়া, পকেটে নিরোধ, কোনো কারণে প্রেমিকার সঙ্গে হয়নি, এসে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়ে, ‘আজ শুধু তোমার আমি, আজ শুধু তুমি আমি’-এমন অতি আবেগ, অতি রোম্যান্টিকতা- এ শহরে নৈমিত্তিক। বহুগামিতা এখানে নিয়মিত চিত্র। যৌন প্রতারণা এখানে স্বাভাবিক দৃশ্য। শুধু কাছের মানুষ, নিকট বন্ধুদের প্রেম-প্রতারণা, পরকীয়া, বহুগামিতার কথাই যদি বলি, তাহলে এই লেখা একশ’ পৃষ্ঠা ছাড়িয়ে যাবে, তবু শেষ হবে না। সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আমি, তাই এ লেখায় তাদের ব্যক্তিগত চরিত্র উন্মোচন না হয় না-ইবা করলাম, সামগ্রিক চিত্রটি কেবল বর্ণনা ও বিশ্লেষণ করছি।

প্রেমের জন্য কি কোনো দিন লাগে? ভালোবাসাই যদি লক্ষ্য হয়-তবে তার উপলক্ষ কী আবার? সব দিনই তো ভালোবাসার, বরং প্রতারণা নানা উপলক্ষ খোঁজে। ওত পেতে থাকে প্রতারণা চরিতার্থের।

ভালোবাসার দিন উপলক্ষ করে নতুন নতুন জাল তৈরি হয়েছে। বিশাল বিশাল ফাঁদে আটকেছে মেয়েরা। অভিনব সব কায়দা। কত মেয়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে, যৌন নির্যাতনে ভুগেছে, অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ, ভ্রুণ হত্যা হয়েছে, তার হিসাব কে রেখেছে, কে রাখে! পুরুষের নানা ধরনের বিকৃত যৌন অভিলাষকে মেয়েরা আদর বলে, সোহাগ বলে, প্রেম বলে, ভালোবাসা বলে ভাবে। এই ধারণা বিকৃত-কাম পুরুষতাত্ত্বিক সমাজের ইনজেকশনের ফল।

জানি আমি, আমার এই কথায়, এই লেখায়, অনেকেই যারপরনাই বিরক্ত হবেন আমার ওপর। কিন্তু প্রেমের ফাঁদে, প্রতারণায় কত মেয়ে ভুগেছে. ভুগছে- সে খবর রেখেছেন কেউ? কত মেয়ে প্রেমের নামে নীরব ধর্ষণের শিকার হয়েছে, হচ্ছে, কত মেয়ে আত্মহত্যা করেছে, জীবন দিয়েছে পুরুষের প্রতারণার কারণে, সে খবর ক’জনে রেখেছেন? আমি বলছি না প্রতারণা শুধু পুরুষরাই করে, প্রতারণা নারীও করে, তবে সেই মাত্রা অনেক কম, পুরুষের মাত্রা অনেক অনেক অনেক বেশি। চাই- কেউই কাউকে প্রতারিত করবে না। যৌন হেনস্থা না, যৌন নির্যাতন না। মুখোশ না, ছদ্মবেশ না। অভিনয় না, সঙ্গীর সঙ্গে নাটক না।

সুখ চাই, সত্যিকার ভালোবাসার সুখ, প্রেমের সুখ। প্রতারণার অদৃশ্য সুতোও সেখানে থাকবে না। এ সুখে আমারও কোনো আপত্তি নেই। আমিও চাই সুখের সাত আসমান ঘুরে আসতে। অনন্ত ঋতু ভাসতে চাই আমিও, ভাসুক অন্যেও। কিন্তু তাতে যেন প্রেম থাকে, এক ফোঁটাও প্রতারণা না থাকে। লক্ষ্য-উদ্দেশ্য যদি মানবিক, মহৎ, মহান, প্রেমের হয়, তখন ছুঁলাম কি শুলাম, তা কোনো বিষয় নয়। মনে রাখতে হবে, বহুগামিতা কোনো সুখ দেয় না, কেননা বহুগামিতার কোনো শেষ নেই। লাগাম নেই।

আমাকে অপ্রেমিক ভাবলে ভুল হবে। আমি আপাদমস্তকই প্রেমিক। প্রেম নেই, সম্পর্ক আছে এমন একটি সম্পর্কেও আমি বিশ্বাস করি না। প্রেমহীন কোনো সম্পর্কও আমার কারও সঙ্গে নেই। নারী কিংবা পুরুষ প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক, প্রেমের। মানুষের প্রতিটি সম্পর্কই হোক প্রেমের, অপ্রেমের নয়। ভালোবাসাহীনতার নয়। প্রেম আছে, আমি আছি। প্রেম নেই, আমি নেই।

নারী ও যৌনতা-১ :

গোপন ভিডিওর ছড়াছড়ি আর আত্মহত্যা নামক সমাধান।
মেয়েদের প্রতি মানুষের ঘৃণার তীব্রতা দেখে আমি আজকাল হতবাক হয়ে যাই। আমরা তো দিনে দিনে এগিয়ে যাচ্ছি, মেয়েরা পড়ালেখা করছে, কাজকর্ম করছে, এখন আর নারী মানেই নিষিদ্ধ- এজাতীয় কোন বিষয় নেই, ছেলেরা-মেয়েরা পরস্পর বন্ধু হচ্ছে, একসাথে ক্লাসে, ক্যাম্পাসে, কর্মক্ষেত্রে দেখা হচ্ছে, ফেসবুক-মোবাইলের কল্যাণে চাইলেই প্রেম করা যাচ্ছে, তাহলে দৃষ্টিভঙ্গি কেন পালটাচ্ছে না? বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোনো শিক্ষিত যুবক, দেশপ্রেমের লেবাসে মোড়ানো তরুণ বিপ্লবী, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে নব্য আবির্ভূত ফেসবুক সেলেব্রিটিদের মধ্যে কি সব অসুস্থ চিন্তার লালন পালন!
আপাতদৃষ্টিতে কথাবার্তা শুনলে, দুটো ফেসবুক স্ট্যাটাস পড়লে বোঝা যায়না, কিন্তু একটু নাড়া দিলে নিচের নোংরা তলানিগুলো ভেসে ওঠে, তখন বোঝা যায়, মেয়েদের নিয়ে এদের করা মন্তব্যগুলো কি অকথ্য, আর কি পরিমাণ উদ্ভট কামনা এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে। কতটা অসুস্থ মানসিকতার হলে কেউ নিজেদের যৌন কার্যকলাপের ভিডিও প্রকাশ করে দিতে পারে, তা আমার মাথায় আসেনা। আর যারা আবার এধরণের ঘটনা দ্বারা "মেয়েটির উচিত শিক্ষা" হল বলে মনে করে আর ফেসবুকে, ব্লগে তা নিয়ে ঝড় তোলে, তাদের কথা আর কি বলব! কিন্তু এরাই তো দেশের শিক্ষিততম অংশ, এরাই যদি এরকম ভাবে তো সাধারণ মানুষের কি অবস্থা?

নারীবিদ্বেষী অনেকরকম দেখেছি, এরা কেউ নারীদের একবাক্যে ঘৃণা করে, কেউ ভাবে মেয়েমানুষকে মাথায় চড়ানো ঠিক না, কারো কাছে নারী শুধুই সুখদুঃখের সঙ্গী, রাত দুপুরে কবিতা শোনাবার যন্ত্র, তবে নারীর নিজস্ব কোন সুখদুঃখ থাকতে নেই, কেউ আবার বয়ান দেয়, মেয়েরা মায়ের জাত, অতএব তাদের শ্রদ্ধা করা চাই (শুধু মায়ের জাত বলে আপনি কাউকে শ্রদ্ধা করবেন? পিতার অবদান কি জীবনে কম? আর যে নারী মা হতে পারবেনা, সে কি মানুষ না? তাকে আপনি কোন কাতারে ফেলবেন?) আর সেই পুরোনো- মেয়ে মানেই শোয়ার বস্তু, সে তো আছেই।

হয়ত কৈশোরে, যৌবনে কোন অপরিপক্ব কিশোরী, যুবতী তার মন ভেঙ্গে দিয়েছিল, হয়ত পরিবারে গাঁথা আছে নারী নির্যাতনের ইতিহাস, বাবার হাতে মাকে প্রহৃত হতে দেখেছে, শিক্ষাদীক্ষা, আত্মসম্মানের অভাবে তলিয়ে যেতে দেখেছে আপন বোনদের, হয়ত ছিল চাপা, অব্যাক্ত যৌন কামনা, যা কখনও প্রকাশ করবার সুযোগ মেলেনি, কারো কারো নারীর সাথে পরিচয়ই ঘটেছে পর্ণছবির মাধ্যমে, স্বমেহনের তালে তালে.... কাকেই বা দোষ দেবো?

sexual liberation- সে এক তীব্র controversial ও ভিন্ন আলোচনার বিষয়, কিন্তু তা বাদ দিয়েও যদি ভাবি, একজন নারীর যেমন ভালবাসার মানুষ, প্রেমিক, স্বামী ইত্যাদি বেছে নেয়ার অধিকার আছে, তেমনি কার সাথে সে শয্যায় যাবে সেটাও তার নিজস্ব বিষয়। যুক্তি অন্তত তাই বলে। নৈতিকটা বিসর্জন দিয়ে কোন নারী যদি কারো শয্যাসঙ্গী হয়েই বসে, তবে তার দায় সম্পূর্ণ ঐ পুরুষ ও নারীর, যদি তারা উভয়েই প্রাপ্তবয়স্ক হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখছি তার বিপরীত প্রতিফলন। কোন মেয়ের বিয়ের আগে প্রেমিক থাকলে, তার সতীত্ব হারানোর খবর পাওয়া গেলে সেটা তার জন্য একান্ত কলঙ্কের বিষয়। আর যদি কেউ গোপন ভিডিও ছেড়ে দেয়, তবে একমাত্র উপায় আত্মহত্যা! প্রশ্ন হচ্ছে, মেয়েটি কি প্রেম একা একা করেছিলো? শয্যায় একা গিয়েছিল? আর একান্ত মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ করে দিতে পারে যে কাপুরুষ, তার নৈতিকতার হিসেব কে নেবে? অনেককে বলতে শুনি, ভালই হয়েছে, আকাজ-কুকাজ করার সময় মনে ছিল না? আশ্চর্য বিষয়!! কাজটা কি সে একা করেছে? আর করলেই কি তার শাস্তি এভাবে দিতে হবে?
বেশির ভাগ প্রেমের সম্পর্কেই শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে মেয়েটির সম্মতি থাকে না। কখনো প্রেমিকের চাপে পড়ে, কখনো বিভিন্ন ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার হয়ে মেয়েটি শারীরিক সম্পর্ক করতে রাজি হয়। আর যদি তার সম্মতি থেকেও থাকে, সেক্ষেত্রে মেয়েটিকে অপদস্ত করার কি অধিকার আছে আমাদের? অথচ, আমরা সবাই এরকম দু/একজন ছেলেকে চিনি, যারা শুধু শয্যায় যাওয়ার জন্যই মেয়েদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে। কই, তাদের তো আমরা সামাজিকভাবে বয়কট করতে পারিনা?

পুরুষের যৌন কামনার চাপে পড়ে নারী চিরকাল পিষ্ট হয়ছে। আমরা কবে স্বীকার করতে পারবো, নারীরও কামনা রয়েছে? আর তা অনৈতিকভাবে পূর্ণ করতে যাওয়াটা পুরুষ-নারী উভয়ের জন্য লজ্জাজনক? নারীকে মানুষ মনে করুন, মানুষের কাতারে ফেলে তার বিচার করুন। মেয়েরা কোন আলাদা biological species নয় যে, আমাদের প্রদত্ত মনগড়া শাস্তি তাকে সহ্য করতে হবে, আর তা করতে না পারলে পটাপট মরে যেতে হবে। আত্মহত্যার ফলে যে তাজা প্রাণগুলো ঝড়ে যাচ্ছে, তা বন্ধ করতে না পারলে, এত বড় বড় কথা বাদ দিয়ে আমাদেরই মরে যাওয়া উচিত।

নারী ও যৌনতা-2

 মেয়ে, তুমি প্রেমিকের শয্যাসঙ্গিনী হচ্ছ... বিনিময়ে কিছুই কি পাচ্ছ?
এই লেখাটি অত্যন্ত অশ্লীল এবং প্রায় চটি পর্যায়ের। বিশেষ করে যাদের বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কের ব্যপারে তীব্র আপত্তি আছে, তারা দয়া করে এড়িয়ে যান।
এবং দয়া করে কেউ ধর্ম ও নীতি নিয়ে ক্যাচাবেন না।

গাইনি ক্লাস চলছিলো, টপিক ছিল contraception অর্থাৎ জন্মনিয়ন্ত্রণ। পড়াতে পড়াতে ম্যাডাম বললেন, আজকাল emergency contraceptive এর ব্যবহার খুবই বেড়ে গেছে। সুতরাং এটা ভাল করে পড়বে। ক্লাসে হাসির রোল পড়ে গেলো। ম্যাডাম বললেন, তোমরা হাসছ? এই তোমাদের বয়সী ছেলেমেয়েরাই চেম্বারে এসে এগুলো চায়, আর আজকাল টিভিতে অ্যাড দেখে অনেকেই নিজে নিজে খায়, ডোজ জানেনা, ওষুধ ঠিকমত কাজও করেনা। তোমাদেরই বন্ধু-বান্ধবরা চাইলে তখন কি করবে?

ম্যাডামের কথা যদি সত্যি ধরে নেই, তাহলে এই বিপুল পরিমাণ emergency contraceptive কাদের প্রয়োজন হচ্ছে? বিবাহিত দম্পতিদের অবশ্যই না, অবিবাহিতরাও অধিকাংশই কনডম ব্যবহার করে, তারপরও যারা অতি সাহসী, অ্যাডভেঞ্চারাস বা দুর্ঘটনাবশত ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে তাদেরই এগুলো প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে আমরা কি কল্পনা করতে পারি, ধর্ম ও নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে সমাজের ঠিক কি পরিমাণ মানুষ বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হচ্ছে? আর এরা যে শুধু তরুণ, কিশোর-কিশোরী বা অবিবাহিত তাও নয়, এদের অনেকেই মধ্যবয়স্ক এবং অন্যত্র বিবাহিত।
আমাদের আশেপাশে চলমান প্রেমের সম্পর্কগুলো একটু ব্যবচ্ছেদ করলে দেখা যায়, একটি ছেলে ও মেয়ের মধ্যে প্রেম হয়, কিছুদিন ভালই চলে, এরপর ছেলেটি, অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে মেয়েটি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের কথা তোলে। যেকোনো এক পক্ষ রাজি না থাকলে শুরু হয় বিভিন্ন অজুহাত, জোরাজুরি ও চাপ প্রয়োগ। এই ভূমিকাটা সাধারণত ছেলেরাই পালন করে! ( যদিও কথাটা একতরফা শোনাচ্ছে, কিন্তু আমার মনে হয় এটাই সত্যি ) বন্ধু বা নিজের খালি বাসা, হোটেল এমনকি জনবহুল রাস্তায় গাড়ির ভেতরেও নিয়মিত সঙ্গম করার কথা শুনেছি আমি। মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর "লিটনের ফ্ল্যাট" তো আর এমনি এমনি এতো জনপ্রিয়তা পায়নি!

আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এই যে মেয়ে তুমি এইধরনের বিপজ্জনক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছ, তুমি আসলে কি পাচ্ছ? অনেকে প্রেম-ভালবাসার টানাপোড়েনে জড়িয়ে পড়ে, ভাবে শরীর দিলেই ছেলেটি তাকে ভালবাসবে। অথচ এই ধারণাটা যে কত ভুল, তা যদি তারা জানতো! যে ভালবাসার সে এমনিই বাসে, আর যে ভালবাসা পোক্ত করতে শরীরটাকে চায়, তার ভালবাসা কোনদিনই ভালবাসা না, ওটা lust , যাকে অনেক ছেলেও love বলে ভুল করে।
কিছুদিন পড়ে যখন মোহ কেটে যায়, তখন ছেলেটিও কেটে পড়ে। মেয়েটি তীব্র মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করে, সতীত্ব হারায় ( যদি আগে থেকেই হারিয়ে না থাকে ), ঘটনা প্রকাশ পেলে সমাজে, পরিবারে অসম্ভব রকমের লাঞ্ছনা সইতে হয়, আর গোপন ভিডিও কি ছবি বেরোলে তো কথাই নেই। সাথে ভয় আছে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ( যেখান থেকে এই লেখা শুরু করেছিলাম ) বা সংক্রামক যৌনরোগের।

ধরে নেই, এর কোনটাকেই ভয় পাও না মেয়ে তুমি। তোমার যৌন জীবনটাকে উপভোগ করাই তোমার উদ্দেশ্য। প্রেমিকপ্রবর কি তা দিতে পারছে তোমাকে? কয়টা মেয়ে জানে শয্যায় সুখী হওয়া কি জিনিস? বুদ্ধদেব গুহ'র এক লেখায় পরেছিলাম, বাঙ্গালী নারীরা সঙ্গমের সময়টা কড়িকাঠ গুনে আর টিকটিকি দেখে কাটিয়ে দেয়। আজকের যুগে অবস্থার কি খুব পরিবর্তন ঘটেছে? Female orgasm বিষয়ে ধারণা আছে কতজনের? তুমি নিজে কতটুকু জান তোমার শরীর সম্পর্কে? কি করলে তুমি উত্তেজিত হও, কিসে তোমার অস্বস্তি, এগুলো নিয়ে কখনো ভেবেছ? তাহলে তোমার প্রেমিক ভাববে কেন? আর ভাবলেও সে জানবেই বা কি করে? শয্যায় যদি সুখই না পেলে, তবে তোমার যৌন জীবন উপভোগ্য হল কোন দিক দিয়ে? শুধু নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করার জন্য এত ঝুঁকি না নিলেই কি নয়?

ধরে নেই, বিছানায় তুমি অত্যন্ত সাহসী ও দুর্দান্ত খেলোয়ার, সেক্ষেত্রে সঙ্গী তোমার এই পারদর্শিতাকে কোন চোখে দেখে? প্রথমেই তোমাকে সন্দেহের কাতারে ফেলা হয়, আর কতজনের সঙ্গে এগুলো করে এসেছ তুমি? দ্বিতীয়ত, পুরুষ নিজের সুখের বাইরে সঙ্গীর সুখের জন্য কিছু করতে প্রায়সময়ই বিরক্ত বোধ করে, ব্লো-জব পেতে অতি আগ্রহী পুরুষও সঙ্গিনীর যোনীতে একটু ঠোঁট ছোঁয়াতে চায়না, কোন কোন মেয়ে সঙ্গমের সময় ব্যথায় কুঁকড়ে যায়, তবু তার প্রেমিকের সাধ মেটেনা, এরকম হাজারো উদাহরণ দেয়া যায়। কোন সুখটা তুমি পেলে এখান থেকে, মেয়ে?

বোনাস হিসেবে, তুমি উপহার পাবে কিছু গালাগাল। বেশ্যা, মাগী, খানকি, whore, nymphomaniac.... কত সুন্দর সব নামে প্রেমিক তোমার বর্ণনা দেবে বন্ধুদের কাছে। তোমারই শরীরের পুঙ্খানুপুঙ্খ মানচিত্র ভেবে ভেবে তারা মাস্টারবেশন করবে। শরীর তুমি একজনকে দিলেও ভাগ কিন্তু পাবে সবাই। সেটাই কি তুমি চাও?

সবকিছুকে তো আর এক কাতারে ফেলা যায় না, তেমনি এর প্রত্যেকটা ঘটনারই ব্যতিক্রম রয়েছে। অনেক অনেক প্রেম রয়েছে যা মন ও শরীর দুটোর চাহিদাকেই পূর্ণ করে, অনেক ঝড়- ঝঞ্ঝা পেরিয়েও টিকে থাকে, শুভ পরিণতিতে গড়ায়...

কিন্তু এদের বেশিরভাগের শেষটাই আমাদের জানা। মেয়ে, তুমি তখন অসহায়, ভিকটিম সাজার কোন প্রয়াস চালিও না যেন!
কেন মেয়ে? তুমি তো স্বেচ্ছায় গিয়েছিলে তার সাথে? সে তো তোমাকে হাত-পা বেঁধে, ছুরি ঠেকিয়ে বা পিস্তল দেখিয়ে ধরে নিয়ে যায়নি! তুমি তো বান্ধবী, বোন, আত্মীয়াদের মধ্যে কিংবা নিজেরই প্রাক্তন প্রেমে এধরনের ঘটনার পরিণতি দেখেছো। তাহলে কেন সতর্ক হলে না? এ তোমার নিজেরই ভুল, আর মনে রেখো, একই ভুল বারবার করে যারা ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল আশা করে, তারা নির্বোধ ছাড়া আর কিছুই নয়।

Sunday, 12 January 2014

পরকিয়া প্রেমের ঠিকানা

পরকীয়া বাড়ছে, বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি। আর পারিবারিক অশান্তিসহ দাম্পত্য কলহে পরকীয়ার বলি হওয়ার ঘটনা ঘটছে অহরহ। পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায়, প্রায়ই নারী বা পুরুষ পরকীয়ার অদৃশ্য ফাঁদে আটকে আত্মহনন করছে। আবার কখনো হত্যা করা হচ্ছে। তারপরও থেমে নেই পরকীয়া। বর্তমান সময়ে সহজলভ্য মুঠোফোন আর রাজধানীর পার্ক বা উদ্যানগুলোর নিরাপত্তা পরকীয়ায় অতিরিক্ত সুযোগ করে দিয়েছে।প্রায় সব শ্রেণীর মানুষ এ ধরনের প্রেমলীলার আকর্ষণে আকৃষ্ট।

তাই সকাল ১০টা বাজতে না বাজতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্ক যেন পরকীয়ার লীলায় উদ্ভাসিত হতে থাকে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে এই প্রেম লিলা।এমনই এক রোমান্সকর প্রেমিক জুটির সাথে দেখা হয় বেলা সাড়ে ১১টায়। প্রেমিক সিরাজ মিয়া পেশায় একজন রিকশাচালক। তার প্রেমিকা সেলিনা ঝি’র কাজ করেন।



পেশাগত জীবনে যাই হোক না কোন প্রেমের রোমান্সকর মুহূর্তকে উপভোগ করতে একটুও পেছনে পড়েনি। তাদের সাথে কথাবার্তায় জানা যায়, সিরাজ ও সেলিনার বাড়ি একই গ্রামে। তাদের সাথে দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। কিন্তু পরিবারের সম্মতির কারণে তাদের দু’জনের মিলন হয়নি। উভয়েরই অন্যদিকে পাড়ি জমাতে হয়েছে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে সেলিনার স্বামী তাকে দুটি সন্তানসহ ফেলে নিখোঁজ।


তিনি ধানমন্ডির এক সাহেবের বাড়িতে ঝি’র কাজ করেন। অন্যদিকে সিরাজের স্ত্রী প্রায় এক বছর আগে একটি সন্তান রেখে মারা যান। এদের দু’জনের পরিস্থিতি একই ধরনের। আর উভয়ের প্রয়োজনের তাগিদে নতুন স্বপ্ন নিয়ে উভয়কে খুঁজে বের করেছে। এরপর থেকেই দু’জন দু’জনকে চোখে চোখে রাখেন। দু’জন দু’জনকে একবার হারালেও আর হারাতে চায় না বলে জানান সেলিনা। সব গুছিয়ে এক-দুই মাসের মধ্যে তারা নতুনভাবে ঘর বাঁধবে বলে জানান।


সিরাজ-সেলিনার মত বিভিন্ন শ্রেণীর অসংখ্য প্রেমিক জুটি এখানে নির্বিঘ্নে তাদের স্বীয় প্রেম লিলায় মত্ত। আর এতে অনেকের জীবন জীবিকারও পথ বেরিয়ে আসছে। একটি সূত্রে জানা যায়, পরকীয়ায় লিপ্ত নারীদের বেশিরভাগই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলের বোর্ডার। আর কর্মজীবী হোস্টেলগুলোতে বসবাসকারী নারীদের একটি অংশ বিভিন্ন কারণে পারিবারিক গন্ডীর বাইরে স্বাধীন থেকে নিজস্ব আঙ্গিকে জীবন জীবিকার অন্বেষণেই কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলে মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজে নেয়।

অনেকরই চাকরি বা কর্মসংস্থান না থাকালেও বিভিন্ন কায়দায় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালায়। এদের অনেকেই বিভিন্ন সামর্থ্যবান কোনো লোকের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। সকালে বের হয়ে মোবাইলে ফোন করে পার্কে বসে এক দুই ঘণ্টা কাটিয়ে যায়। এমন প্রেমিক জুটির সংখ্যা ইদানীং বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানায় একটি উদ্যানের গেটকিপার।


তিনি জানান, মাঝবয়সী নারী-পুরুষ ইদানীং উদ্যানে চুকিয়ে প্রেম করছে। কারণ এই বয়সে এ ধরনের প্রেমিক জুটি অন্য কোথাও সময় কাটাতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বর্তমান উদ্যান-পার্কগুলোতে এ ধরনের কোনো জটিলতার সম্ভাবনা নেই। এমনিভাবে রাজধানীর পার্ক- উদ্যানগুলোতে প্রেমিক-প্রেমিকার অভয়াশ্রমে পরিণত হওয়ার সাথে সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত প্রেমিক জুটিদের আনাগোনা বেড়ে যাচ্ছে।



আরো খবর:


Friday, 27 December 2013

সেক্সীয় কৌশলে প্রেম ভালোবাসা টিকিয়ে রাখা ( অবশ্য পাঠ্য )

বর্তমান সময়ে এমন ছেলেমেয়ে পাওয়া খুব দুষ্কর যারা কিনা প্রেম করে না , কিংবা প্রেম করে একবার হলেও ধরা খায় নি । প্রায় ই দেখা যায় মেয়েটিই সাধারণত কোন প্রেমের সম্পর্কের ইতি টানে । কারণ দেখা যায় মেয়েটির
বাবা-মা তাকে মানসিকভাবে চাপ দেয় সম্পর্কে শেষ করতে । আর সেই মানসিক চাপ কোন মেয়ের পক্ষে সহ্য করার সম্ভবপর হয়
না ।

ছেলেদের মনে এই একটি ভয় প্রায় ই থাকে যে মেয়েটি যে কোন সময়
তাকে ছেড়ে চলে যেতে পারে । বাবা- মা পরিবারের লোকজনের সামনে তার ভালোবাসা পরাজিত হতে বাধ্য ।

মেয়েটিকে কোন ভাবেই আটকে রাখা যাবে না । এজন্য তারা প্রায় ই একটি কাজ করে থাকে । তারা ভাবে এই কাজটি করলে হয়তো মেয়েটিকে আটকে রাখা যাবে । একটু ভয় দেখালেই মেয়েটি আর তাকে ছেড়ে যাবে না । কিংবা ভয় দেখানোর প্রয়োজন নেই , মেয়েটিই তাকে এই কারণে ছাড়বে না ।

কি কাজ সেটি ?

আর কিছুই না । সেক্স ।

আজকাল অনেক ছেলেমেয়েই তাদের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয় সেক্স কে । কোন একটি সম্পর্কের শেষ পর্যায় ধরে নেওয়া যায় সেক্স কে । ছেলে- মেয়ে যখন একে অন্যকে নিজ থেকেও বেশি বিশ্বাস করা শুরু করে , তখন ই তাদের
মধ্যে সেক্স ব্যাপারটি ঘটে । অর্থাৎ , এই সেক্স এর জন্য দুইজনের ই মত থাকে । সম্পূর্ণ মিউচুয়াল ।

তাদের মধ্যে হওয়া সেক্স কে কোন ভাবেই ছেলের একার ইচ্ছা , জোর
জবরদস্তি এর নাম দেওয়া যাবে না ।

তবে হ্যাঁ , মাঝে মাঝে মেয়েটিকে ছেলেটি অনেকখানি মানসিকভাবে প্রভাবিত করে ।

যদিও সাধারণত দেখা যায় যে , সেক্স এর জন্য ছেলেরা বেশি উৎসাহী , তবে মেয়েরাও কিন্তু কম যায় না । অনেক ক্ষেত্রে মেয়েরাই বিষয়টি সামনে এনে তার সঙ্গীকে প্রলুব্ধ করে ।

বিয়ের আগে কি সেক্স এর প্রয়োজন আছে ?

অনেকেই বলবেন আছে , সম্পর্ক
টিকিয়ে রাখার জন্য । এটা স্রেফ অজুহাত ।

ভালবাসা যদি খাঁটি থাকে । ২ জনের হৃদয়ে যদি সত্যিকারের ভালবাসা থাকে , হৃদয়ের বন্ধনে যদি জোর থাকে ,যদি বিশ্বাস থাকে অটুট তাহলে সম্পর্ক ভাঙ্গার কোন কারণ নেই ।

কিন্তু আজকালকার ছেলেমেয়েরা এসব বোঝে না । তাদের কাছে প্রেম ( ভালোবাসা বলছি না ) মানেই সেক্স , নষ্টামি , অবাধ মেলামেশা । আজকাল গুরু জনেরা যদি শুনেন কেউ প্রেম করছে ,
একটা ছেলে একটা মেয়েকে ভালোবাসে , তাহলে তারা ধরেই নিবেন ছেলে/ মেয়ে গোল্লায় গেছে । নষ্ট হয়ে গেছে ।

বর্তমানে প্রেম / ভালোবাসা বলতে বড়রা বুঝেন , একটি ছেলে/ মেয়ের একে অন্যের প্রতি স্রেফ যৌন আকর্ষণ । যৌন আকর্ষণ
শব্দটি অশ্লীল তাই একে ‘’প্রেম /
ভালোবাসা’ নাম দিয়ে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে । কুইনাইন
কে সুগারকোটেড করা হচ্ছে ।
কতিপয় ছেলে/মেয়ের প্রেমের
(ভালোবাসা কি বলবো ? ) নামে নষ্টামির জন্য আজকাল অনেকের সত্যিকারের ভালোবাসা-ই অপূর্ণ রয়ে যায় । এরপর তারা ভালোবাসা বিমুখ হয়ে পড়েন ।

ভালোবাসা কে গালি দেন ।
অনেক মেয়েই বলবেন যে ‘মেয়েরা সব সময় এই ধরণের সেক্সের বিরোধী’ নিজেদের ভালো প্রমান এর চেষ্টা আর কি ।

যাই হোক , এমন অনেক
মেয়ে দেখেছি যে তারা বলে ‘আমার ও আমাকে তার বউ মানে । বউ এর মত রাখে । আমরা গার্লফ্রেন্ড / বয় ফ্রেন্ড না , জামাই বউ ‘’ আপনার ‘ও’ আপনাকে বউ মানে , তাই সেক্স
করছে । আপনিও বউ এর মত এক বিছানায় গড়াগড়ি খাচ্ছেন , ভালো কথা । কিন্তু সমাজ / পরিবার কি আপনাদের এই ‘বউমানা’ কথায় কান দিবে ?

আপনার মা-বাবার কথা ভাবুন ,
তারা যদি জানে যে আপনি একটি ছেলের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন , তাদের কেমন লাগবে ?

আরেকটু গভীর এ ভাবুন , আপনার মেয়ে যদি জানে যে তার মা বিয়ের আগে আরেকটি ছেলের সাথে শারীরিক মেলা মেশা করতো , তার কেমন লাগবে ?

আপনি একজন মা , আপনার মেয়ে একটি ছেলের সাথে রাত কাটিয়ে আসলো ( দিন হলেও
বা কি ) কেমন লাগবে আপনার ?? নিশ্চয় খুশীতে গদগদ হয়ে পার্টি দিবেন না ।

কিংবা তার পিঠ চাপড়ে বলবেন না ‘বাহ আমার মেয়ে আজ বড় হয়ে গিয়েছে ‘’ সেক্স হলেই যে সম্পর্ক মজবুত হয় , এমন ও
কিন্তু না । আপনার ভালবাসার
মানুষটি আপনার কথায় বিছানায় গেছে ।

আরেকজন এর সাথে যাবে না কি গ্যারান্টি ? এভাবেই শুরু হয় সন্দেহ । ঝগড়া । আর সেই সব ঝগড়ায় উঠে আসে সেক্স এর ব্যাপারটি । বার বার । অন্য কোন ছেলে/মেয়ের সাথে কথা বলতে দেখলেই ‘’ এখন কি ওর
সাথে বিছানায় যেতে ইচ্ছে করছে ?’ ‘ওর সাথে এতো কথা কিসের’’ ‘’এক সাথে কোথা থেকে আসলে’’
আরও হাবিজাবি । এই নিয়ে বাকবিতন্ডা ।

এরপর দেখা যায় যে কারণে তারা সেক্স করেছিল মানে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে , সেটি ই বুমেরাং হয়ে তাদের সম্পর্ক ভেঙ্গে দেয় ।

আমি এখন পর্যন্ত শুনিনি এই
সেক্স কারো সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত
নিয়ে গিয়েছে ।

আর বিয়ে হলেও কিন্তু এই ধরণের ঝগড়া , সন্দেহ চলতেই থাকে । যেটা নিয়ে যায় ডিভোর্স এর দরজায় ।

বিয়ের আগে সেক্স এর পক্ষে আপনাদের কাছে কোন যুক্তি থাকলে আমাকে জানাবেন ।
টাইটেল পড়ে অনেকেই আস্তিন
গুটিয়ে পড়া শুরু করেছিলেন ।
লেখা পড়ে হয়েছেন আশাহত ।
দুঃখিত , মাঝে মাঝে এমন করতে হয় !

  dnadb ব্লগ থেকে নেওয়া । লেখক লেখাটি সচেতনতার জন্য লিখেছেন

Just conscious for all people. 
www.facebook.com/icbnet

Wednesday, 4 December 2013

কিভাবে দ্রুত বীর্য স্খলন রোধ করা যায়?

 বার আগে দ্রুত বলতে আপনি কি
বোঝান তা বুঝতে হবে । একটি ছেলের
যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায়
বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ
স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা
যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট
ও স্বাভাবিক বলা হয় । আপনি তখনি
আপনার এ বিষয়
টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার
তার থেকেও কম অর্থাৎ ১-৫
মিনিটে বের হয়ে যাবে । কেবল তখনি
আপনি বলতে পারবেন
যে আপনার এ সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বের
হয়ে যাচ্ছে। চিন্তার কোন কারণ
নেই । মূল আলোচনার আগে আর
একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক ।

অনেক মানুষ ই আছেন যারা মনে করেন তার অধিকাংশ সমস্যার কারণ
মাস্টারবেশন । এটি ভুল ধারণা ।
মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ
স্বাভাবিক একটি ব্যপার । এতে আপনার
কোন দিক দিয়েই কোন
ক্ষতি হবার চান্স নেই ।

এই কথাটি বলার কারণ খুব ই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত
বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে ।
এখানে একটি থিওরি আছে ।বোঝানোর চেষ্টা করছি । ধরুণ
আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যসি ২০ মিনিট
ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে ,
না হলেও আপনার অবচেতন মন ই আপনাকে তাড়া দেবে । এজন্য যা হয়
তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরা মাস্টারবেট করতে করতে দ্রুত
কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে । পরে সেক্স করার সময়
মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার
সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায়


এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই ,
আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার বের
হয়ে গেল কিছু করার আগেই , অথবা ধরলো আপনার পেনিস ,
সাথে সাথে বের হয়ে গেল , অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার
হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে , তখনি বের হয়ে গেল ।
এগুলো হল সমস্যা। সলিউশনে যাই এবার আমরা ।

একটি ব্যপার স্বাভাবিক । ধরুন আপনি অনেকদিন করেন না , আপনার
পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বের
হয়ে আসলো স্পার্ম । এটি স্বাভাবিক , এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই ।
এটি আপনার অক্ষমতা নয় । এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বের হয়ে যায়
তারা কি কি করতে পারেন -

- হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক
সময় দেখা যায় ছেলেরা করার
সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের
হয়ে যেতে পারে। তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।

- এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে
পজিশন বদলে বদলে করতে হবে ।

- একটি পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া । আপনি আপনার স্পার্ম
পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই
বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখে । এবার পেনিস টা ভালমত
পানি দিয়ে ধুন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার
কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা ।

- ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন
আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন । হাত দিয়ে পেনিস
ধরবেন না ।

- একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে পেনিস কে উত্তেজিত
করে বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক
হোন বের না করে । এটি সপ্তাহে
একবারের বেশি না করাই ভাল
কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে ।

পোস্টটি শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ দিন। নিজে জানুন,
অন্যদেরও জানান। লাইক দিয়ে পরবতী টিপস দিতে উৎসাহিত করুন।
আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

সেক্স বাড়ানোর ঔষধ নিয়ে কিছু কথা ।


সেক্স বাড়ানোর ঔষধ নিয়ে কিছু কথা ।
যারা সহবাসের পূর্বে বা শখের বসের
যৌন
শক্তি বাড়ানো ঔষধ
ইয়াবা অথবা ইন্ডিয়ান ট্যাবলেট সেবন
করেন .তাদের জন্য একটি পরামর্শ সেক্স
বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট
খাবেন না । এই ঔষধ পুরুষ কে ধ্বজভংগ
রোগের দিকে ঠেলে দেয় কিছু
ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর ঠেলে দেয় । যৌন
শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের
প্রয়োজন নেই.গবেষনায় দেখা যায়
পুরুষের
পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন
শক্তি পেয়ে থাকে ।এক্ষেত্রে গাভীর
খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন।
যৌন
শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধ
গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারে ।এজন্য
অবশ্যই অভিঞ্জ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের
পরামর্শ নিতে হবে ।মনে রাখবেন
রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌন শক্তিবর্ধক
ট্যাবলেট কেনা থেকে বিরত থাকুন ।যৌন
বাড়ানোর কোন মন্ত্র
আছে বলে বিঞ্জান
বিশ্বাস করেন না।যারা আপনাকে মন্ত্র
পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয় .নিছক
আপনার
সাথে প্রতারনা করে মাত্র । তাই
যে কোন
চিকিত্সা বা পরামর্শের জন্য
রেজিষ্টার্ড
চিকিত্সকের পরামর্শ নিন
--------------------------------
-------------
-------------------
আপনাদের যে হারে লাইক, কমেন্ট পাচ্ছি তাতে আমাদের পোষ্ট বন্ধ করে দিতে হবে।

 আমরা আপনাদের সুন্দর
জীবনের জন্য কত কষ্ট করে লেখে পোষ্ট
দিচ্ছি আর আপনারা যদি লাইক, কমেণ্ট,
শেয়ার না করেন তাহলে কি পোষ্ট
দিতে মনে চায়?? আশা করি প্রতেক
পোষ্টে আপনারা লাইক, কমেন্ট
এবং শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ লিখতে কষ্ট
হলে শুধু T লিখে কমেণ্ট করুন

হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায় কী

১. ঘুমে সমস্যা হলে তখন সুগার ফ্রি মিন্টস্
বা ক্যাণ্ডি চিবাতে পারেন। হালকা কিছু খেলেও
তখন উপকার হয়। তবে ঘুমিয়ে পড়ার আগে দাঁত ব্রাশ
করে নেবেন।
২. কম্পিউটারে পর্ণ ব্লকিং সফটওয়ার ইনস্টল
করে নিন। আজব একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন
যাতে পরে ভুল যান। অথবা কোন
বন্ধুকে দিয়ে পাসওয়ার্ড দিন। নিজে মনে রাখবেন
না।
৩. কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন
করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন
যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন।
এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে।
৪. হস্তমৈথুন একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে না।
নিজেকে বোঝাবেন যে মাঝে মাঝে করবেন। ঘনঘন
নয়।
৫. যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের
নিয়ে বা পর্ণ
মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে,
তাদেরকে এড়িয়ে চলুন।
৬. যখন দেখবেন খুব বেশি হস্তমৈথুন
করতে ইচ্ছে হচ্ছে এবং নিজেকে সামলাতে পারছে
না, বাইরে বের হয়ে জোরে জোরে হাঁটুন
বা জগিং করুন।
৭. সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার
না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন।
৮. ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও
হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে।
৯. হস্তমৈথুনে চরম ভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই
একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন,
বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন,
সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র
হলে ক্লাসমেটদের
সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন।
লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময়
কাটাতে পারেন।
১০. সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই
এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য
শুনবেন না।

[ আমাদের পোস্ট আপনার হোম পেজে নিয়মিত পেতে লাইক,কমেন্ট, শেয়ার করুন ]

একটা মেয়ে ‘WET’ বলতে কী বোঝানো হয়?

উত্তরঃ যৌন উত্তেজনা হলে মেয়েদের
যোনিপথে রসক্ষরণ হয়। এটা সঙ্গমকে সহজতর
করে- যোনিপথ পিচ্ছিল করে।

পুরুষ শরীর ও লিঙ্গবিষয়ক প্রশ্ন:

প্রশ্নঃ আমি গত ৩ সপ্তাহে হস্তমৈথুন
করিনি।
আমি যখন বৌর সাথে সঙ্গম করি তখন প্রচুর
পরিমাণে বীর্য বের হয় এবং আমার খুব
ভালো লাগে। দীর্ঘদিন বীর্যপাত
না হলে কি এমন হয়?

উত্তরঃ হ্যাঁ। তবে নির্দিষ্ট সময়
পরে অতিরিক্ত বীর্য শরীরের ভেতরেই
নিষিক্রয় ও ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এটাই
স্বাভাবিক শারীরিক ঘটনা।

প্রশ্নঃ আমি কয়েক সপ্তাহ ধরে হস্তমৈথুন
করিনি। আমরা কাল বাচ্চা নেয়ার
চেষ্টা করব। কোন ভঙ্গিতে যৌনসঙ্গম
করলে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
বীর্য
ধরে রেখে পরে সঙ্গম
করলে কি গর্ভবতী হওয়ার
সম্ভাবনা বাড়ে?

উত্তরঃ পূর্ণ মাত্রায় বীর্য
তৈরি হতে ২৪-৭২
ঘণ্টা সময় লাগে।
যে কোনো ভঙ্গিতে সঙ্গম
করলেই হয়। তবে যদি গর্ভবতী না হন
এবং বারে বারে এরকমই
হতে থাকে সে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের
পরামর্শ নিন।

ডাঃ মেহেদী হাসান
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ

পোস্টটি শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার
সুযোগ দিন। নিজে জানুন, অন্যদেরও
জানান। লাইক দিয়ে পরবতী টিপস
দিতে উৎসাহিত করুন। আপনাদের
সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

Sex সর্ম্পকিত যা জানতেই হবে :::


(১) sex শেষে প্রস্রাব করে নেয়া জরুরি।

(২) একবার sex এর পর আবার sex
করতে চাইলে যৌনাঙ্গ ও হাত
ধুয়ে নিতে হবে।

(৩) sex এর পর সাথে সাথে গোসল
করে নেওয়া ভালো।

(৪) sex এর পর অন্ততঃ কিছুক্ষন ঘুমানো উত্তম।

(৫) জুমআর দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতে ও
শুক্রবার sex করা মোস্তাহাব (নফল) ।

(৬) sex এর বিষয় কারো নিকট প্রকাশ
করা নিষেধ।
এটা একদিকে নির্লজ্জতা অন্যদিকে স্বাম
স্ত্রীর হক নষ্ট করা।

(৭) স্বপ্নদোষের পর sex
করতে চাইলে প্রস্রাব
করে নিবে এবং যৌনাঙ্গ
ধুয়ে নিতে হবে।

(৮) sex এর পর মধু এবং দুধ খাওয়া উপকারি।

(৯) wife কে বলুন তোমার সাথে আজ sex
করে অনেক মজা পেয়েছি ।
তাহলে সে মনে মনে খুশি হবে এবং পরবর্ত
করার জন্য মুথিয়ে থাকবে ।

[ বিঃ দ্রঃ ফেসবুকের নিয়ম
অনুসারে পেইজ
এর পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট
না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর
দেখতে পাবেন না।। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়ে পেজে একটিভ
থাকুন ]

Thursday, 28 November 2013

★★কিভাবে ভার্জিন মেয়ে চিনবেন বা বুঝবেন আপনার সঙ্গী ভার্জিন কি না ??

ভার্জিন হবার লক্ষনঃ-

১. যোনিঃ
ক) ল্যাবিয়া মেজরা অর্থাৎ বাইরের পাপড়ি প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে একসাথে লেগে থাকবে এবং যোনিমুখ দেখা যাবে না।

খ) ল্যাবিয়া মাইনরা অর্থাৎ ভিতরের পাপড়িও সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ থাকবে এবং ল্যাবিয়া মেজরা দিয়ে ঢাকা থাকবে পুরোটাই।
ল্যাবিয়া মেজরা না সরালে দেখা যাবে না।

গ) হাইমেন অর্থাৎ সতিচ্ছেদ অক্ষত থাকবে। যদিও অনেক কারনেই ছিঁড়ে যেতে পারে।

ঘ) ল্যাবিয়া মাইনরার নিচের প্রান্ত একত্রে থাকবে।

ঙ) ক্লাইটরিস খুব ছোট এবং একে আবরণকারী চামড়াও পাতলা হবে।

চ) যোনিপথ সরু এবং ভিতরের ভাঁজগুলি কম মসৃণ হবে। ভাজ অনেক বেশি হবে।

২. স্তনঃ

ক) স্তন ছোট হবে।

খ) চ্যাপ্টা হবে, গোল নয়।

গ) দৃঢ় হবে, তুলতুলে নয়।

ঘ) নিপলের চারপাশে যে গাঢ় অংশ
থাকে তার রঙ গোলাপি থেকে বাদামী রঙ
এর হবে( কম গাঢ় রঙ হবে) এবং এই
অংশ আয়তনে ছোট হবে।

ঙ) নিপলের আকার ছোট হবে।

৩. সিউডোভারজিনঃ

অনেক সময় অনেক মেয়ের কয়েকবার
যৌনমিলনের পরেও হাইমেন বা সতিচ্ছেদ
অক্ষত থাকে। এদের সিউডোভারজিন
বা মিথ্যা ভারজিন বলা হয়। তবে এর হার অনেক কম।

লাইক দিয়ে পরবর্তী পোস্টের জন্য অপেক্ষাতে থাকুন। ধন্যবাদ।

যৌনতা বিষয়ক সঠিক তথ্য

আজকে আমি আপনাদের ২০ টি সুপার ফুড এবং তাদের সবচে ভাল গুন তুলে ধরব । আসুন জেনে নেই এসব জাদুকরী খাবারের নাম এবংতাদের গুণ>>>>>>>>

১. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি-----ব্লুবেরি
২. ত্বক রক্ষাকারী-----আ­ঙ্গুর
৩. ভুঁড়ি কমানো------বার্­লি
৪. ক্যান্সার ফাইটার----কালো শিম
৫. কোলেস্টেরল কমানো----তিল বীজ
৬. হাড় রক্ষাকারী-----প­নির
৭. ক্যান্সার ফাইটার----ব্রকলি
৮. খাদ্য আঁশে ভরপুর----আপেল
৯. ব্যায়ামের শক্তি যোগায়----ওটস/ ­কর্ণ ফ্লেক্স
১০. ব্যায়ামের পরের খাদ্য----পিনাট বাটার
১১. ব্যাথা দূরীকরণে-----আদা
১২. ক্লান্তি নিবারক----চকলেট ­ মিল্ক শেক
১৩. ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে লড়াই----চিকেন সুপ
১৪. ঘুম আসে না??????-----চে­রি ফলের জুস
১৫. আলসার কমাতে----পেঁয়াজ
১৬. আয়রনের ঘাটতি কমাতে-----শিমের ­ বিচি/কলা
১৭. বয়স এর ছাপ কমাতে-----পেয়ারা
১৮. মাংসপেশী বানাতে---পুঁইশাক
১৯. মুখের দুর্গন্ধ দূর-----লেটুস
২০. রক্তবান্ধব----- ­কেল(রঙ্গিন বাধাকপি)

বিঃদ্রঃ লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন পেজ এ । নইলে আমরা হারিয়ে যাব আপনার ওয়াল পেজ থেকে।