ডিজিটাল নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস-ডিএনএ

World best Online education and Money earning informer Network from Bangladesh.

Online education and Money eran Tutorial

Easy access,Get money eran sucess.Online money earn informer site.

Entertainment for All

All in One service in our site . Just access and go,enjoy,share with others .

All type of Android and iOS Mobile Apps

Enjoyale,smooth,easy,free Android,Windows Mobile Apps download now.

Dedicate Customer care 24/7-365

Exparince Customer care.Customer servie first,Any time, any where,any question, just ask me +880-1918-388-377

Showing posts with label ভালবাসার রং. Show all posts
Showing posts with label ভালবাসার রং. Show all posts

Wednesday, 5 March 2014

নির্বোধ ভালবাসার গল্প: কয়জনে পারে? -1 (সত্যকাহিনী)


(এই সিরিজের প্রতিটি গল্প সত্যকাহিনী; পাত্রপাত্রী বদলানো হয়েছে, আর সাথে প্রেজেন্টেশানেও একটু রোম্যান্টিক ভাব আনা হয়ে থাকতে পারে)
*****************************************************
ছেলেটির নাম দিলাম আজহার, আমরা ডাকব আজু বলে
মেয়েটি নবনী, মায়ামায়া চেহারা আর সি্নগ্ধ দৃষ্টি দিয়ে সহজেই যেকারো নজর কাড়ে।
এবং খুবই বুদ্ধিমতি।

আজু ছিল আমাদের স্কুলের ফার্স্ট বয়। ক্লাস ওয়ান থেকে সিক্স পর্যন্ত।
ক্লাসের অন্য যে ছেলেগুলো ভাল রেজালট করতে চাইত, তারা সবাই সবসময় সেকেন্ড হতে চাইত, কারণ আজুর অস্তিত্বের কারণে ফার্স্ট হওয়াটা সম্ভব ছিলনা।

ক্লাস ফোর পর্যন্ত আইডিয়াল স্কুলে ছেলে-মেয়ে একসাথে ক্লাস ছিল।
"তোরা ছেলে কেন?" অথবা "তোরা কেন মেয়ে" এই লেভেলের ঝগড়া নিয়েই ছেলেমেয়েদের সম্পর্কটা তৈরী হয়ে থাকে তখন।
সেটা ভাল না খারাপ, সে বিবেচনা করার জো নেই।

ক্লাস ফাইভে এসে ালাদা করে দেয়া হলো,
আমরা ছেলেরা দুপুর বারোটায় স্কুলে যাই,মেয়েরা সকালে।
1140এর দিকে ছুটি হয় ওদের।
ধীরে ধীরে 1140 এর আগের সময়টাকে কুয়াশাঘেরা প্রাচীরের মতো লাগে সব ছেলের কাছে, সাথে সাথে মেয়েদেরকেও।
হয়ত, অনেকে "ওরা মেয়ে কেন" সেইসব প্রশ্নের জবাবও আঁচ করতে পারে।
মেয়েরাও হয়ত আঁচ করা শুরু করে।

ক্লাস ফাইভ, সিক্স, সেভেন যায়।

ক্লাস এইটে এসে আবার বৃত্তির কোচিংটা যখন হয়,
তখন ছেলেমেয়ে একশিফটে ক্লাস শুরু করে।

আজুর গল্পটা সেই সময়ের।

একশিফটে ক্লাস হলেও ছেলেদের আর মেয়েদের পড়ানো হতো আলাদা রুমে ...
সিঁড়ি দিয়ে উঠলে প্রথমে ছেলেদের রূম, তারপর ফাঁকা একরূম, তারপর মেয়েদের ...
আরও কয়েকটা রূম পার হয়ে গেলে টয়লেট

কয়েকদিনের মাথায় দেখা গেল আমাদের আজুর টয়লেটে যাওয়া খুব বেড়ে গ্যাছে ...
আমরা টয়লেটে গেলেই দেখতাম ব্যাটা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হয় চুল ঠিক করছে, না হয় দাড়ি গজাচ্ছে কিনা ঠিকমতো তা দেখছে, না হয় মুগ্ধভাবে নিজেকেই দেখছে।
প্রথমে সবাই ডায়বেটিস বলে খেপালামও, কিন্তু কিছুদিনবাদেই বুঝলাম ঘটনা ভিন্ন।
'বাব'ুর কুয়াশা প্রাচীর ভাঙার শখ হয়েছে, প্রাচীরের অন্যপাশে নবনীর ছায়া।

তখনও আমরা কেউ বুঝিনি কি গভীরভাবে আজু ভালবেসেছিল সেই নবনীকে!

ক্লাস নাইন-টেনে আজু স্কুলে চলে আসত সাড়ে এগারটার আগে, মেয়েদের গেটের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে চানাচুর বা মুড়িভাজা খেত, আর অপেক্ষা করত কখন নবনী বের হবে।
নবনীও জানত ব্যাপারটা, মাঝেমাঝে তাকাত আজুর দিকে কিন্তু পাত্তা দিতনা।
হয়ত বিরক্তও হতো।

আজুর রেজালট খুব খারাপ হওয়া শুরু করল, পড়াশোনা ছেড়েই দিল বলতে গেলে।

ক্লাস টেনে উঠে সবাই প্রচুর প্রাইভেট পড়ে, ছাত্রছাত্রীদের দিনের বেশীরভাগ সময় কেটে যায় স্যারদের ঘরে ঘরে। আজু খোঁজ নিয়ে নিয়ে নবনী যেসব ব্যাচে পড়ত তার আগের বা পরের ব্যাচে ভর্তি হলো। স্যারদের বাসা পর্যন্ত আজুর ডিস্টার্বকরা শুরু হলো।

নবনীর নিরক্তিও চরমসীমায় চলে গেল, এবং সেটাই স্বাভাবিক।
আজুর মনটাকে কেউ বুঝলনা।
নবনীও না। আমরা বন্ধুবান্ধবরাও না।
আজুর রেজালট তখন খুবই খারাপ, নবনী ফার্স্ট অথবা সেকেন্ড গার্ল।
আমরা ভাবতাম নবনী তো আর পাগলনা!!

বিরক্তি যখন চরমসীমায়, নবনী তখন স্যারদের কাছে বিচার নিয়ে গেল। সেটাও স্বাভাবিক।
স্যাররা অনেকদিন পর কিছু নিয়ে ব্যাস্ত থাকার সময় পেলেন।
স্যারদের কেউ আজুর মনের কথাগুলো জানতেও চাইলনা।
ঝাড়ি দেয়া হলো, ধুনো দেয়া হলো, টি.সি.র ভয় দেখানো হলো;
ফলাফল হলো, হতাশ আজু সিগারেট, মাদক, ফেন্সিডিলে ডুবে গেল।
তাও সে নবনীকে ভুলতে পারেনা,
ভুলতে না পারার ভুলেই মাঝেমাঝে বিরক্ত করে বসে।
নবনীর সামনেই 'আর করবোনা' বলে কান ধরে উঠেবসে মাফ চেয়ে আসে;
নেশার জগতে ঢোকে, আবরও বিরক্ত করে।
অদ্ভুত ও অসহ্য এক বৃত্তের পরিধি বেয়ে আজু ঘুরোঘুরি করে।

নবনীও বেশীদিন এই ব্যাড-সাইকলটা সহ্য করলনা ... আবারও নালিশ গেল ..
ফলাফল টি.সি. ...

আজুর এস.এস.সি পাশ করা হয়নি ...

1996 তে আজুর সাথে শেষ দেখা ... আমাকে বলল, "আচ্ছা দোস্ত, আমি যদি ব্যাবসা করে অনেক টাকার মালিক হই, তাহলে কি ইঞ্জিনিয়ার একটা মেয়ে আমাকে বিয়ে করবেনা?"
আমি ওর দিকে করুণার চোখে তাকাই;
মনে মনে ভাবি, 'ব্যাটা, গাধা!'
কিন্তু আসলে বুকটা ফেটে যায় ...
এত নিষ্পাপ-নির্বোধ ভালবাসা আমি কখনও দেখিনি।

বছর তিনেক আগে শুনলাম,
আজু সারাদিন গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে বসে থাকে ...
এর ওর কাছে চেয়ে পানটা-সিগারেটটা খায়, মাঝে মাঝে চাঁদাবাজিও করে।
আমরা বন্ধুরা ব্যাপারটা নিয়ে গল্প করছিলাম; সবাই বলছিল 'আহারে'।

আমি বললাম, 'আচ্ছা, আজুটা কি এখন ঐভাবে আয়না দেখে আর চুল ঠিক করে?'
একজন রসিকতা করে বলল, 'গিয়া দেখ জংপড়া একটা আয়না বালিশের পাশে রাখা আছে।'
কেউ কেউ হাসে, কেউ কেউ দীর্ঘশ্বাস!!

আমরা সবাই ভাবি, 'আহা, সেই ফার্স্টবয় আজুর জীবনটা এমন হয়ে গেল!!'

আচ্ছা! আজু কি ভাবে?

হয়ত মনে মনে ভাবে, 'এভাবে জীবনটা নষ্ট করলাম!!'

অথবা, কি জানি?
হয়ত গভীর রাতে পরম যত্নে জংপড়া আয়নাটা হাতে নিয়ে মরচের দাগের ফাঁকে ফাঁকে নিজের চেহারাটা দেখে, আর অদ্ভুত আনন্দের সাথে বলে উঠে, 'সাবাশ!!'

ঠিকই তো!!

কয়জনে পারে?

Sunday, 12 January 2014

যৌনকর্মীদের ছবি ‘দেহস্টেশন’!

এবার যৌনকর্মীদের জীবন-চরিত্র নিয়ে ছবি তৈরি হলো ভারত-বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে। ছবির গল্পটি এক যৌনকর্মীকে ভিত্তিকরে সাজানো। একটি মেয়ের যৌনকর্মী হিসেবে জীবন-যাপনের পূর্ণঙ্গ গল্প নিয়ে সম্প্রতি এ ছবিটি নির্মাণ করা হলো। চলচ্চিত্রটির নাম ‘দেহস্টেশন।’ আহমেদ তাহসিন শামসের পরিচালনায় দেহস্টেশন চলচ্চিত্রটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোলকাতার অভিনেত্রী মৌমিতা মিত্র। এ চলচ্চিত্রটির মধ্যদিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটছে তার। চারপাশের সবাই যখন গ্ল্যামার আর খ্যাতির পেছনে ছুটছেন তখন মৌমিতা জানালেন তিনি নায়িকা নন কেবল একজন সুঅভিনেত্রী হতে চান।
সকালে মৌমিতার সঙ্গে দেশের নতুন এ চলচ্চিত্রটি নিয়ে কথা হলো। কোলকাতায় বসে তিনি জানালেন তার অভিনয় জীবনের টুকিটাকি নানা তথ্য। প্রথমেই দেহস্টেশন চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে মৌমিতা মিত্র বলেন, এখানে আমার চরিত্রটি একজন পতিতার। পতিতা হিসেবে তার জীবনের নানাদিক থেকে তার জীবন যন্ত্রণা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রেমিকা হিসেবে, মা হিসেবে, বড় বোন হিসেবে তার জীবনের নানামুখী দিক তুলে ধরা হয়েছে। সে একজন প্রতিবাদী নারী। সমাজ তার সাথে কী ব্যবহার করে তা নিয়েই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
বাংলাদেশের পূবাইল, ধলেশ্বরী নদী, ফরিদপুর যৌনপল্লীতে চলচ্চিত্রটির শ্যুটিং সম্পন্ন হয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রে অভিষেক প্রসঙ্গে মৌমিতা মিত্র বলেন, বড় পর্দায় জীবন শুরু হতে চলেছে আমার। শুরুতেই স্বপ্নের একটি চরিত্রে কাজ করলাম। অসাধারণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। আমার সহশিল্পী ছিলেন শাহাদাত হোসেন, মহসিন স্যার। ওনাদের যথাসম্ভব সাহায্য পেয়েছি। এক কথায় অপূর্ব পরিচালক তাহসিন আর আলাউদ্দিন আহমেদ রানা যিনি এখানে ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। পরিচালক আমাকে অনেকদিন ধরেই চেনেন। তাই হুট করে প্রস্তাবটা চলে এলো।
অভিনয় জীবন নিয়ে মৌমিতা বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই থিয়েটার করছি। অভিনয়টা একদম রক্তে মিশে গেছে। ইচ্ছে ছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবিতে কাজ করবো। কিন্তু ঋতুপর্ণতো আমাকে ছেড়ে চলেই গেলেন। তবে অনেক তরুণ নির্মাতা এসেছে যাদের হাত ধরে বাংলা চলচ্চিত্র অনেকদূর যেতে পারবে বলে মনে করি।
মৌমিতা বলেন, অভিনয়ে আমার রোল মডেল স্মিতা পাতিল। উনার কাজ দেখেই নিজের ভিতর অভিনয়ের সঙ্গে বসবাস শুরু করে দিয়েছিলাম। মা এবং ভাইয়ের উৎসাহ পেয়েই আমি অভিনয় করার স্বপ্ন দেখি। আমি অভিনেত্রী হতে চাই, নায়িকা নয়। ছবির পরিচালক আহমেদ তাহসিন শামস বলেন, চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। তবে তা কবে মুক্তি দেব তা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারছি না। জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানাতে পারবো বলে আশা করছি।


আরো খবর:


Friday, 27 December 2013

আমি তোমাকে ভালবাসি

মেয়েঃ জান , আমি তোমার সাথে একটু পর দেখা করব । i miss you

ছেলেঃ আচ্ছা । আমি একটু drinks টা শেষ করে নি । তারপর দেখা করতে আসো

মেয়েঃ তুমি আবারো ড্রিঙ্কস করতেছ ?

ছেলেঃ কিছু হবে না । আমি তোমার জন্যে অপেক্ষা করতেছি ।

মেয়েঃ আচ্ছা ।

এক ঘণ্টা চলে গেল , ছেলেটির অনেক বন্ধু আসলো এবং তারা enjoy করতে লাগলো । কিন্তু তারা সময়ের কথা ভুলে গেল সবাই ।

ছেলেটি তার ফোন এর দিকে তাকাল এবং দেখল ৪ টা এসএমএস এবং ১০ টা মিসড কল ।
সে তার ফোন তি অফ করে দিল এবং ব্যাটারি খুলে ড্রেন এ ফেলে দিল ।

তারপর ছেলেটি বাসায় আসলো এবং তার ভাইয়া তাকে দরজার সামনে বসেই তাকে জিজ্ঞাস করতে লাগলো " কেউ কি তোমায় একটু আগে কল করেছিল , তোমার গার্লফ্রেন্ড এর ব্যাগ কারা যেন ছিনতাই করতে চেয়েছিল , এবং তারা না ছিনতাই করতে পেরে তাকে গুলি করে মেরে ফেলেছে "

ছেলেটি তার ভাইকে বলল , " তুমি এই রাতের বেলা ঠাট্টা মশকরা করোনা ভাইয়া "

একটু পর তার ভাই মেয়েটির মোবাইল ওপেন করে তাকে তার পাঠানো এসএমএস গুল দেখায় ......

রাত ১১.০০
জান , তুমি কোথায় ?

রাত ১১.৩৫
জান , তোমার ফোন অফ পাচ্ছি কেন ?

রাত ১১.৪৫
জান , কিছু লোক আমাকে ফলো করতেছে , প্লিস তোমার মোবাইল টা ওপেন কর

রাত ১২.০০
happy Anniversary জান , আমি তোমাকে ভালবাসি । আমি তোমাকে তোমার কাছে যেয়ে সারপ্রাইসড দিতে চেয়েছিলাম , কিন্তু আমি মনে হয় তোমাকে দেখতে পারবনা । good night জান , আজকের পর থেকে তুমি আর ড্রিঙ্কস করবেনা ।

আজ সত্যি মেয়েদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা বেড়ে গেলো!!

আমার একটা ফ্রেন্ডের একটা ছাইয়া আইডি আছে, তার গার্লফ্রেন্ডের জন্য খুলছিলো কিন্তু তার গার্লফ্রেন্ড ফেসবুক ইউজ করে না। তো আজ হটাৎ করে আমার ল্যাপটপ থেকে লগ ইন করলো। ঢুকে দেখি ২২ টা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট এবং আর ৪৫ টা আনরিড মেসেজ।

তো আমার ফ্রেন্ড একটা স্ট্যাটাস দিলো, "আজ আমার মন
খারাপ অনেক"!
.
.
.
.
.
.
১০ মিনিট পর-
১৬০ লাইক।
৯৫ কমেন্ট।

৫ জন আবার এই এক লাইনের স্ট্যাটাস শেয়ারও দিয়েছেন।আর ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট চলে গেলো এক লাফে ২০ থেকে ১৪৫।

আর ইনবক্স??

পুরা কাল বৈশাখী ঝড়_ _ _ _
- কেন মন খারাপ?
- হাই?
- আই লাভ ইয়্যু আমি তোমার মন ভালো করে দিব!
- দোকানে বসা ছবি পাঠালো একজন।
- কয়েজন কবিতা আর গানের কলিও লিখে পাঠালো!

আমার দোস্ত আমাকে দিলো চ্যাট করতে! বললো, তুই তো খুব দ্রুত টাইপ করস, আজ দেখি তোর কত ক্ষমতা!!

আমি চ্যালেঞ্জ একচেপ্ট করলাম! তারপর_ _

প্রথমে ১৫ মিনিট নিজের টাইপিং এর সর্বোচ্চ
ক্ষমতা দিয়ে চ্যাট করলাম। কিন্তু একটূ পরেই সবাই
আমাকে ধরাশায়ি করে ফেললো!! সবাইকে যদি জাস্ট "হাই"ও দেই তাহলেও আজ রাত পার হয়ে যাবে চ্যাট করতে করতে!!কয়েকজন আবার ভিড্যু চ্যাট রিকোয়েস্টও দিলো!

এ থেকে আজ যা শিখলামঃ

১- বাংলাদেশের এখনো ৮০% পুরুষ ফেসবুক ইউজার
এখনো ছাইয়া আইডি কি জিনিস চিনে না!

২- এই ৮০ পার্সেন্ট পুরুষ ফেবু ইউজার
এখনো ফেসবুকে আসে গার্লফ্রেন্ড খুঁজতে!

৩- মেয়েদের আইডি চালাইতে গেলে চ্যাট করার সময় নিজেকে মেয়ে মেয়ে লাগে!!

৪- একটা হরিণ যখন একদল হায়নার
সামনে পড়লে যে অবস্থা হয় ছাইয়ার অবস্থাও সেইরকম
হয়ে যায়! এতো মেন্টাল স্ট্রেস নেওয়া কোন ছেলের পক্ষেই নেওয়া সম্ভব না!!

এটাতো গেলো নর্মাল একদম প্রাথমিক লেভেলের এক ছাইয়া আইডির অবস্থা, আর সেখানে যে মেয়েরা রিয়েল আইডি চালায় তাদের কি অবস্থা হয় ভাবতেই শরীর ঠান্ডা হয়ে আসছে ভয়ে!! হে নারী, তোমাদের ধৈর্য অনেক। তোমারা অনেক মহান!!

আর হে অবোধ পুরুষ ফেসবুকারগন, ফেসবুক ইউজের
আগে ছাইয়া আইডি চিনে নিন! নয়তো সারাজীবন
চলে যাবে চ্যাট বক্সে হাই হেলো করতে করতে মাগার রিপ্লাই আসবে না কোন দিন!

আর সব নেপোলিয়ানেরর সুরে সুর মিলিয়ে বলতে চাই-
"তোমরা আমাকে একটা ছাইয়া আইডি দাও, আমি তোমাদের
একজন ফেসবুক সেলিব্রেটি উপহার দিব!"



collected....
www.facebook.com/icbnet

সেই সকাল ৮টায় বাসা থেকে

সেই সকাল ৮টায় বাসা থেকে বের হয়েছি, আর এখন বাজে রাত ১০ টা। মাত্র বাসায় ঢুকে গোসল শেষ করেছি। শরীরে একটুও শক্তি নেই বসে ভাত খাওয়ার মতো তাই না খেয়েই শুয়ে পড়লাম। আধঘন্টা শুয়ে থেকে মনে হলো আমি না উঠলেতো তিথিও না খেয়ে শুয়ে পড়বে। তাই নিজের চিন্তা বাদ দিয়ে উঠে রান্নাঘরের দিকে গেলাম, গিয়ে দেখি আজ সব আমার পছন্দের খাবার রান্না হয়েছে।১ মিনিটের জন্য চিন্তা করলাম আজ কি কোনো স্পেশাল দিন আমাদের? নাহ, হয়তো আজ তিথির মন খুব ভালো তাই এতো আয়োজন। ভাগ্য ভালো যে নিজে থেকে উঠে এসেছি না হলে আমি টায়ার্ড ভেবে তিথিও ডাকতোনা আর নিজেও খেতোনা। তিথি মেয়েটা যে আমাকে কি রকম ভালোবাসে আমি নিজেও মাঝে মাঝে বুঝতে পারিনা। মেয়েরা আসলেই খুব ভালোবাসতে পারে। সব রুপেই তারা সমান ভাবে ভালোবাসা লুটিয়ে দিতে পারে।

আগামি সাপ্তাহে আমাদের বিয়ের এক বছর পুর্ন হবে। রাতে বিছানায় শুয়ে ভাবছিলাম, ওর সাথে আমার পরিচয়টা খুবই আশ্চর্য ভাবে হয়েছিলো। ফেসবুকে ও আমার ফ্রেন্ডলিস্টে ছিলো অনেক আগে থেকেই কিন্তু কখনো আমাদের কথা হয়নি চ্যাটে। মাঝে মাঝে আমি ওর ছবিতে বা স্ট্যাটাসে অথবা ও আমা্রগুলোতে লাইক দিতো। এটুকুই ছিলো আমাদের সম্পর্ক। আমার বি বি এ লাস্ট সেমিস্টার ফাইনাল এক্সামের কিছুদিন আগে আমার বন্ধু রনি আমার মেসে এলো কিছুদিন থাকবে বলে, আমিও ভাবলাম ভালোই হয়েছে ওর থেকে কিছু হেল্প পাওয়া যাবে। ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। এক্সামের সময় আমি আর কিছু নিয়ে চিন্তা করিনা। এইফাঁকে রনি নিজের ফেসবুকের সাথে আমারটাও চালাতে লাগল। দুদিন পর আমাকে তিথির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলো আমার পরিচিতো কিনা? আমি বললাম না, তুই চাইলে কথা বলতে পারিস কিন্তু আমি এটা বুঝতে পারিনি যে ও আমারটা থেকেই ইতিমধ্যে কথা শুরু করে দিয়েছে আমার নামেই।

একমাস পর আমার এক্সাম শেষ হলো ও আমাকে তখন সব কাহিনি খুলে বলল,
-দেখ দোস্ত, তিথি মেয়েটাতো আমাকে ভালোবেসে ফেলেছে।
-আমি বললাম, ভালো কথা আর তুই?
-আমিও ওকে পছন্দ করি কিন্তু একটা প্রবলেম আছে তা হলো ও জানেনা আমি কে? ও জানে আমি ইফতি।
-কি বলছিস? তুই আমার নামে কথা বলেছিস কেনো?
-আমি ভাবলাম তোরটা থেকেতো এড করাই আছে তাই কথা বলতে সুবিধা হবে, পরে আমি ওকে সব জানিয়ে দিবো।
-কিন্তু তোর ছবি?
-ওটাও তোরই।
–তুইতো আমাকে জানে মেরেছিস। যা করেছিস করেছিস কিন্তু জলদি শেষ কর এই কাহিনি।

কথা শেষ করেই ও বের হয়ে গেলো ক্লাস আছে বলে। আমি ভাবলাম আজকে একটু শান্তিতে ঘুমাই। এক্সামের জন্য এ কয়দিন ঠিকমতো ঘুমও হয়নি। কিছুক্ষনের মধ্যেই আমি গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলাম, মনে হয় অনেক্ষন ধরেই ফোনটা বেজে যাচ্ছিলো, ঘুমের কারনে শুনতে পাইনি। ঘুম থেকে সন্ধ্যায় উঠে দেখি ৭টা মিস কল রনির। ফোন ব্যাক করে জানলাম ওর দাদা খুব অসুস্থ, ও বাড়ি যাচ্ছে। আর আমাকে খুব করে বলল, তিথিকে কিছু না জানাতে, পারলে এই দু তিন দিন ওর নাম করেই কথা চালিয়ে যেতে। আমি মুখে জি আচ্ছা বললেও মনে কোনো ইচ্ছাই ছিলনা তিথির সাথে কথা বলার। দীর্ঘ দিন পর আজ রাতে ফেসবুকে বসলাম। বেশ কিছু নটিফিকেশন আর দুটা মেসেজ এসেছে। আগে মেসেজটা চেক করলাম, দেখি একটা রনির আর একটা তিথির। আগে রনিরটা খুললাম, তাতে লিখা প্লিজ তিথির সাথে একটু কথা বলিস, না হলে মেয়েটা খুব কস্ট পাবে।
তারপর তিথির মেসেজটা খুললাম। এই প্রথম নজর দিয়ে ওকে দেখলাম। আগে কখনো ওভাবে দেখাও হয়নি ওকে। মেয়েটা আসলেই সুন্দ্র, কেমন একটা মায়া আছে চেহারাতে, চোখজোড়া মনে হচ্ছে পানিতে টলটল করছে এই বুঝি কেঁদে দিবে। সুন্দর বলতে সাদা না কিন্তু খুব মায়াবি চেহারা। একটু হিংসাই হলো, ইসসস আগে কেনো এই নজরটা দেইনি। যাইহোক এখন আর সে চিন্তা করে লাভ নেই, এখন দেখি তাদের প্রেম কতদূর? হঠাৎ মনে হলো ওরা কি ফোনে কথা বলেনি? তাহলেতো আর আমকে উকিল ধরতে হতোনা। মেসেজ দেখতে দেখতে বুঝলাম, না ওরা এখনো ফোনে কথা বলেনি। ফোনে কথা হবে আরো দুমাস পর তিথির জন্মদিনের দিন, এটা তিথির আবদার। দেখাও হবে ওদিন, তার মানে ততোদিন তিথির আমার চেহারার মানুষটাকেই ভালোবাসবে। তিথির লিখাগুলো দেখে আমার একবার সন্দেহ হলো এটাকি আসলেই কোনো মেয়ে নাকি ফেক আইডি? কোনো মেয়ে কিভাবে একমাসেই একটা ছেলেকে এতো ভালবাসে? পুরো মেসেজ পড়া শেষ করে বুঝলাম, তিথি আমাকে অনেক আগে থেকেই চিনে আমার লিখাগুলো নাকি ওর খুব ভালো লাগে। আমার সব স্ট্যাটাসে ওর লাইক আছে। দু তিন দিন তিথির সাথে কথা চালালাম, মেয়েটা চেহারার মতোই মায়াবতি হবে, খুব মায়া নিয়ে কথা বলে। আমি আগে কখনো ওর সাথে কথা বলিনি তবুও কেমন মায়া লাগতে লাগল ওর জন্য।

এই তিন দিন রনির সাথে কোনো কথা হয়নি আমার, ভাবলাম আজকে একটু ফোন দিয়ে দেখি ওর দাদার কি অবস্থা? ফোন দিয়ে জানতে পারলাম গতকাল রাতে ওর দাদা মারা গেছে, ওর দাদার চার দিনের মিলাদ শেষ করে ও চলে আসবে। তারমানে আরো চারদিন তিথির মায়াজালে আটকে থাকতে হবে। তিথি AIUB তে ৫ম সেমিষ্টারে পড়ছে। আর এক্সাম শেষ বলে আমিও এখন ফ্রি তাই ওর ক্লাস টাইমের পর পুরো সন্ধ্যা কথা হয় ওর সাথে প্রায় রাত ১টা, ২টা পর্যন্ত। মেয়েটার সাথে কথা বলে বুঝলাম মেয়েটা খুব ভালো, রনির বাকি জীবনটা খুব সুখে কাটবে কিন্তু কে জানতো যে রনির কপালের সুখ আমার কপালে চলে আসবে? চারদিন পর রনি যখন ঢাকায় আসছিলো তখন ওর বাসের এক্সিডেন্ট হয়, রনিসহ বাসের বেশকিছু লোক গুরুতর আহত হয়। আমি বার বার রনিকে ফোন দিচ্ছিলাম কিন্তু কেউ ফোন রিসিভ করছিলোনা। প্রায় দুঘন্টা পর ওর ফোন থেকে একটা লোক ফোন দিয়ে জানালো, ও হাসপাতালে আছে অবস্থা খুব খারাপ। যেখানে বাস এক্সিডেন্ট হলো সেটা আমার বাসা থেকে প্রায় দেড়ঘন্টার পথ, আমি তখনি বের হয়ে গেলাম কিন্তু গিয়ে শুধু রনির নিথর দেহ ছাড়া আর কিছুই পেলামনা। ওর শরীর থেকে অনেক রক্ত ক্ষরন হয়েছে, তিন ব্যাগ রক্ত দিয়েও ওকে বাঁচাতে পারেনি ডাক্তাররা।

সাত দিনের মধ্যেই সব কেমন উলট পালট হয়ে গেলো আমাদের জীবনে। রনিকে একা কবরে শুইয়ে দিয়ে সবাই চলে এলাম। পরের দুইদিন রনির বাড়িতে থেকে তৃতীয় দিন আমি ঢাকা চলে আসি। মনে মনে ঠিক করেছিলাম তিথির সাথে আর কথা বলবনা কারন এই দূর্ঘটনার কথা আমি ওকে জানাতে পারবোনা। এইভেবে পরের কয়েকটা দিন ফেসবুকেই ঢুকলামনা। চার পাঁচ দিন পর যখন গেলাম, তখন মনেহলো যদি আর দু একদিন না আসতাম তাহলে কি হতো কে যানে? এই কয়েকদিনে তিথি প্রতিদিন প্রতিবেলা আমাকে মেসেজ করেছে। বার বার করে লিখে রেখেছে আমি ফেসবুকে ঢুকেই যেনো ওকে ফোন দেই, নিচে ওর নাম্বারটাও দেয়া। আমি ভাবলাম ভালোই হয়েছে নাম্বারটা দিয়েছে। আজ ফোন করে সব বলে দিবো, আমি ওর সাথে কথা বলিনি, কথা বলেছে আমার বন্ধু রনি যে এখন আর বেঁচে নেই এই পৃথিবীতে। ভেবেই ফোন ডায়েল করলাম। ওপাশ থেকে একজন ফোন রিসিভ করলো কিন্তু একটা ছেলের কন্ঠ কি করব ভাবতে ভাবতেই তিথিকে চেয়ে বসলাম আর আমার নাম বললাম। ছেলেটি কথা না বাড়িয়ে ডেকে দিলো তিথিকে।

তিথি ফোন ধরলো কি ধরলোনা বুঝতে পারলামনা কিন্তু মনে হলো ফোনে কেউ একজন ফুপিয়ে কাঁদছে। দু একবার হ্যালো বলার পর কান্না জড়ানো একটা কন্ঠ ভেসে আসলো, ‘আমি তোমার সাথে আজকেই দেখা করতে চাই বিকাল ৫টায়’ বলেই ফোন কেটে দিলো। আচ্ছা মেয়েতো বাবা কথা নেই বার্তা নেই ফোন কেটে দিলো, আমার কথাটাও শুনলোনা। যেভাবেই হোক তিথিকেতো জানাতেই হবে যে সে ইফতির সাথে না, রনির সাথে কথা বলেছে। বের হলাম বিকাল ৫টায় তিথির সাথে দেখা করার উদ্দেশ্যে। রেস্টুরেন্টে গিয়ে দেখি একদম কোনার টেবিলে একটা মেয়ে বসে আছে, চুলের জন্য আর কিছু বুঝা যাচ্ছেনা। কোমর পর্যন্ত চুল, বুঝে নিলাম এটাই তিথি। ওর সামনে গিয়ে একটা চেয়ার টেনে বসে মেয়েটার দিকে তাকালাম। গোলাপি রঙের একটা ড্রেস পড়া ছিলো। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে ভয় পেয়ে গেলাম, জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে তোমার? চোখ এতো ফোলা কেনো? তারপর ও আমার দিকে তাকিয়ে বলতে শুরু করলো,
‘দেখো ইফতি এতোদিন আমি তোমার সাথে যা কথা বলেছি তাতে এক ফোটাও মিথ্যে তুমি খুজে পাবেনা, আর তুমি যা বলেছো তাতেও কোনো মিথ্যা থাকার কথা না কারন তোমার সাথে কথা বলার অনেক আগে থেকেই আমরা একজন আরেকজনের ফ্রেন্ডলিস্টে ছিলাম। সেখানে আমি তোমাকে যতোটুকু জেনেছি তুমি ঠিক তেমনই। তুমি জানো আমি তোমাকে কত খানি ভালোবাসি, আর তুমিও যে আমাকে ভালোবাসো তা অস্বীকার করবোনা আমি। তোমার মাঝে এমন অনেক কিছুই আমি দেখেছি যা থেকে বুঝেছি যে তুমিও আমাকে ভালোবাসো’। এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলে থামলো তিথি। আমি কথা বলার কোনো ভাষা খুজে না পেয়ে চুপ করে রইলাম।
আমাকে চুপ দেখেই হয়তো ও আবার শুরু করলো, ‘আমি তোমাকে যতোটুকু ভালোবাসি তাতে আমি আমার সারাজীবন তোমার সাথে কাটাতে পারবো। এখন তুমি চিন্তা করো তুমি পারবে কিনা’? আমি এখনো চুপ। কি বলতে আসলাম আর কি শুনে যাচ্ছি? কিভাবে এই মেয়েটাকে এতো কষ্ট দেই, আর যদি সত্যিটা চেপে যাই সেটাওতো মিথ্যাই হচ্ছে। ও কি বুঝলো আমি জানিনা। আমাকে বলল, ‘তুমি দুইদিন সময় নিয়ে আমকে তোমার ডিসিশন জা্নিও, ফোনে কথা হবে’ বলেই উঠে চলে গেলো। আমি ওভাবেই বসে রইলাম। চিন্তা করতে শুরু করলাম, মেয়েটা সব দিক দিয়েই পারফেক্ট কিন্তু আমার বন্ধুর গার্লফ্রেন্ড। আমি এই মিথ্যা সম্পর্ক কিভাবে শুরু করব? আমি আমার মায়ের সাথে খুব ফ্রি ছিলাম তাই মাকে সব জানালাম। আমার মা বলল, একটা মিথ্যা যদি কোনো মেয়ের জীবন সুন্দর করতে পারে তাহলে সেটা ভুল হবেনা।

সবকিছু ভুলে নতুন করে কথা শুরু করলাম তিথির সাথে কিন্তু এখন আর ফেসবুকে না, এখন কথা হয় ফোনে। তিন মাস কথা বললাম এর মধ্যেই বেশকিছু যায়গায় সিভি দিয়েছিলাম। ইন্টারভিউ দিলাম কয়েকটা, ভাগ্যক্রমে একটা ভালো জব পেয়েও গেলাম। আর তাতেই আমার মা আমাকে পেয়ে বসলো, সে আর দেরি করতে চায়না এখনি তিথিকে বৌ করে ঘরে তুলতে চায়। দুপক্ষের সম্মতিতে খুব ধুমধাম করেই বিয়ে শেষ হলো। বিয়ের ঠিক পাঁচ দিন পরই আমি তিথিকে নিয়ে ঢাকা চলে আসলাম। ছোট্ট একটা ফ্ল্যাট নিয়ে শুরু করলাম আমাদের টোনাটুনির জীবন। তিথির ভালোবাসার কথা বলে আমি শেষ করতে পারবোনা কিন্তু যেহেতু আমি বিয়ের আগে ভালোবাসতে পারিনি তাই এখন আমার ভালোবাসা দেখে তিথি প্রায়ই বলে, বিয়ের আগেওতো তুমি আমাকে এতো ভালোবাসতে না এখন যতোটা বাসো। আমি হাসি আর বলি, তখনতো তুমি আমার বউ ছিলেনা।

তিথি আমার খুব যত্ন করে, আমিও খুব চেষ্টা করি কিন্তু অফিস করে আবার এম বি এ ক্লাস তারপর বাসায় এসে আর সময় পাই কই? তারপর ও ছুটির দিনগুলো খুব চেষ্টা করি দুজন একসাথে কাটাতে। প্রতিদিন সকালে যেমন তিথি আমার জন্য চা বানিয়ে আনে, আলতো করে আমার কপালে চুমু দিয়ে আমার ঘুম ভাঙ্গায় তেমনি ছুটির দিনগুলোতে আমিও ওর জন্য নিজ হাতে চা বানিয়ে ওর ঘুম ভাঙ্গাই আর বিকালে চা খেতে খেতে ওকে বলি তোমার জন্য কেনা শাড়িটার দাম যেমনই হোক ওটাতে আমার অফুরন্ত ভালবাসা মাখানো থাকবে হয়তবা খুব জমকালো চুড়ি কিনে দিতে পারবনা কিন্তু তোমার জন্য কেনা নাকফুলটা, চুড়িটা, আর তোমার প্রিয় চকলেট সব কিছুই আমার ভালবাসায় মাতানো থাকবে! সারাজীবন তোমাকে এভাবেই ভালোবেসে যাবো……

collected... 
www.facebook.com/icbnet

একটা সম্পর্ক ভাঙ্গতে

একটা সম্পর্ক ভাঙ্গতে যতটা কম সময়
লাগে ঠিক একটা সম্পর্ক
গড়তে যদি এতটা কম সময় লাগত
তাহলে মনে হয় আমরা এতটা কষ্ট
পেতাম
না একটা সম্পর্ক ভেঙ্গে গেলে ।
কিন্তু
তা হয় না আমাদের , ভালোবাসার
সম্পর্কে আমরা তিল তিল করে কিছু
স্বপ্ন
দেখি যা ভেঙ্গে গিয়ে কষ্ট
হয়ে যায় । আর
মন ভাঙ্গার কষ্ট গুলোই মনে সব
চেয়ে বেশী যন্ত্রণা দেয় এই
আমাদের কে ।
কি অদ্ভুত আর বিচিত্র মনের মানুষ
যাকে মন
থেকে বলে ভালোবাসি , যার জন্য
অনন্তকাল
বেঁচে থাকতে চায় সেই মানুষটাকেই
কষ্ট দেয়
। জানি না এই মানুষ গুলো কি পায় এই
মন
ভাঙ্গার খেলা খেলে । কিন্তু এই
খেলাতে হাজারো মানুষ
নিজেকে চিরতরে হারিয়ে ফেলে
অন্ধকার
জীবনে ।


collected.. 
www.faebook.com/icbnet

তোমার বুইড়া ঠোকরা

এই জীবনে তোমায় যত কষ্ট দিয়েছি তা তোমার প্রাপ্য ছিল না। তাও তুমি সব সয়ে গেছ। ভাল করেছ আমায় ছেড়ে যেয়ে, নইলে হয়তো আজ আমার মধ্যে এই মূল্যবোধটা আসতো না। আমি কখনোই তোমায় ঘৃনা করিনি। করবো ও না। তবে হ্যা, আমি নিজেকে নিজে অনেক ঘৃনা করি, করবো যতদিন বাঁচবো নিজেকে ঘৃনা করবো।

একটা সময় ছিল যখন তুমি রাত জেগে থাকতে আমার সাথে কথা বলার জন্য আর আমি মোবাইল বন্ধ করে ঘুমাতাম। তোমাকে অকারনেই সন্দেহ করতাম। তোমাকে শুধুই কাঁদাতাম। তোমার অনুভুতিগুলো নিয়ে ঠাট্টা মশকারা করতাম। তুমি কাঁদতে আর আমি হাসতাম। তোমাকে জ্বালাতাম। খামোখাই পাগলামি করতাম। অজথাই হাত কাটতাম, মদ খেতাম, ফেসবুকে ওন্য মেয়েদের সময় দিতাম। অজথাই মোবাইল ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যেস্ত রাখতাম। তোমায় কাঁদাতাম। কিন্তু তুমি চলে যাবার পর বুঝতে পারলাম কত্ত বড় অপরাধ আমি করেছি। এখানে তোমার কোন দোস ছিল না। সব দোশ আমার এবং তা আমি অকপটে শিকার করে নিচ্ছি। তুমি চলে যাবার সময় আমাকে কোন কারন দিয়ে যেতে পার নি কারন টা ও আমি জানি। কারন, তুমি খুব চুপচাপ একটা মানুষ। তোমার মনের কথা আর কাউকে বলতে না। শুধু আমাকে বলতে আর আমি মজা করে তোমায় কষ্ট দিতাম।

আজ আমি অনেকের সমস্যার সমাধান করে দেই কিন্তু তোমার কোন সমস্যার সমাধান দেইনি। আজ আমি নির্ঘূম রাত্রি কাটাই, মোবাইল ২৪ঘন্টা চালু রাখি। কিন্তু আমার কাছে কোন কল/এসএমএস আসে না। আজ আমি তোমার কষ্টগুলো অনুভব করি কিন্তু কাউকে বলতে পারি না। আজ আমি নিজ বাসা তো দুরের কথা, নিজের ঘর থেকেও বের হই না। কোথাও যাই না। ভয় হয়, যদি তোমায় অন্য কারো সাথে দেখি তখন হয়তো নিজেকে সামলে নিতে পারবো না, হয়তো ওখানেই আমার মৃত্যু হবে। আমার কেন জানি মনে হয়, একদিন না একদিন তোমায় আমি ঠিকই ফিরে পাবো। আর এটাও জানি, আমার এই ধারনা সম্পূর্ন ভুল। এতদিন আমি কাউকে এ কথাগুলো বলি নি। আজ সবাইকে বলে দিলাম। আর সবার সামনে তোমার কাছে মন থেকে ক্ষমা চাইছি, পারলে আমাকে মাফ করে দিও। জানি তোমায় ফিরে পাবো না তাই বলছি, ঠোকরা তুমি যেখানেই থাক না কেন, সুখে থেক।

ইতি,
তোমার বুইড়া ঠোকরা

collected.... 
www.facebook.com/icbnet

আপনি এমন কাউকে ভালবাসেন

০১) আপনি এমন কাউকে ভালবাসেন
যে আপনাকে শুধু ই ঘৃণা করে।
০২) আপনি এমন কাউকে মিস করেন
যে আপনাকে মিস করার সময় খুঁজে পায়
না।
০৩) আপনি এমন কাউকে ভাবেন যার
কল্পনাতেও আপনার কোন অস্তিত্ব
নেই।
০৪) আপনি এমন কারো জন্য কাঁদেন যার
কিনা আপনার এক ফোঁটা চোখের জল
মুছে দেয়ার সময় পর্যন্ত নাই।
তবে সব থেকে কষ্টের মুহূর্ত হয় তখন
যখন আপনিএমন কাউকে এত
বেশি ভালবাসেন যে অন্তত একটা বার
একটা মুহূর্তের জন্য হলেও ভুল
করে হলেও আপনাকে একটু ভালবাসার
প্রয়োজন অনুভব করে না....
কথা গুলো সত্যি কিনা ?

স্ত্রীর জন্য পাগলপারা এক স্বামীর গল্প শুনুন।

এক লোক, সে ছিল তার স্ত্রীর জন্য
পাগল, যদিও তাদের দাম্পত্য জীবনের
এই ১০ বছর খুব মসৃন ও সবসময় সুখকর
ছিল না। যখন তাকে জিজ্ঞেস
করা হলো কেন সে তার স্ত্রীর
মধ্যে এমন কি পেয়েছে যার জন্য সে তার
প্রশংসামুখর, সে বললঃ
" যখন থেকে আমাদের সংসারের শুরু,
আমার অবস্থা যতই খারাপ হচ্ছিল,
আমার
স্ত্রী আরো বেশী বেশী করে অনুরোধ
করছিল আমাকে নামাজ আদায় করার
জন্য, কখ
নই সে এই নসিহত করা বাদ দেয় নাই।
বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও
আমি তার এই কথার কোন মূল্য আর
পাত্তা দেই নাই। কিন্তু, যেদিন আমাদের
১০ম বিবাহ বার্ষিকীর দিন ঘনিয়ে এল
আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, সে এবার
উপহার হিসেবে কী পাওয়ার
ইচ্ছা করছে আমার কাছে। সে খুব
সোজা ও সুন্দরভাবে উত্তর দিয়ে বলল,
"তুমি যদি আজ থেকে নামাজ পড়া শুরু কর
তবে সেটাই হবে আমার জীবনের
সবথেকে দামী উপহার পাওয়া"
আমি তাকে সেদিন আর
না করতে পারি নাই, তার
কথা ফেলে দিতে পারি নাই। তখন থেকেই
আমি আমার নামাজের ব্যাপারে সচেতন
এবং নিয়মিত, আলহামদুলিল্লাহ!
আমার জীবনের এত্ত সুন্দর
একটা পরিবর্তনের কারন সেইই
এবং আমি তাকে ভালবাসি।
আজো আমি দুঃখ করি যে আমার জীবনের
কত মূল্যবান সময় অপচয় করেছি এই
নামাজ না পড়ে"
এই ভাইয়ের জীবন থেকে আমাদের
বোনেরা একটা শিক্ষা নিতে পারেন।


collected... 
www.facebook.com/icbnet

ভালবাসা কি খেলনা??

ইচ্ছা হল খেললাম, ইচ্ছা হল ভেঙে দিলাম??অনেকেই
বলতে শুনি ওর সাথে ব্রেক-আপ করে ফেলব... ওর
সাথে রিলেশন রাখবো না...আজ যদি এটা ভাবেন
তাহলে সেদিন রিলেশন কেন করেছিলেন?? কেন এত
দিন ধরে সেটা বয়ে এনেছেন...?? আজ বলেন আমার
এই সমস্যা, ওই সমস্যা... এই কারনে রিলেশন
রাখবো না...তাহলে সেদিন কেন ভাবেন নাই??
একটা মানুষকে হাসানো অনেক কঠিন কিন্তু
তাকে কাঁদানো অনেক সহজ... বিশ্বাস একটা কাগজের
মত...একবার ভাজ করলে তার পর আগের মত করার যতই
চেষ্টাকরেন কখনোই আগের মত হবে না... এক এক জন
স্বার্থপরের মত বলে বসেন আমি সরে গেলে ওর
জীবন সুন্দর হবে... আসলে কি তাই?? ওই
ছেলেটা বা মেয়েটা কি আপনাকে ভুলতে পারবে??
তার সাথে আপনার সম্পর্কের আগের
সময়ে তাকে ফিরিয়ে দিতে পারবেন?? ভালবাসায়
কোন রিপ্লেসমেন্ট হয় না... আমার ফ্রেন্ড লিস্টের
এক ছেলে বলতেছে ভাইয়া আমি ওর সাথে ব্রেক-আপ
করে ফেলব?? জিজ্ঞাসা করলাম কেন?? ওর
প্রতি আমার ফিলিংস আসে না... ওর আমাকে আগের
মতসময় দেয় না... অবাক লাগলো... কেমন ভালবাসা??
২ দিনে ফিলিংস চলে যায়?? সময়
দিতে পারে না তার কারণ তার জানার দরকার
নেই... সময় দিতে পারে না এটাই তার
কাছে ফ্যাক্ট..

collected .... 
www.facebook.com/icbnet

আমি অপেক্ষায় ছিলাম...

যেদিন তোমার চোখে জ্যোৎস্না দেখি প্রথম
সেইইদিন ।
তখনও অপেক্ষায়ই ছিলাম...
তোমার কষ্টদের যেদিন প্রথম নিজের কষ্ট
হয়ে ছুঁয়ে দেখলাম
সেদিনও আমি তোমারই অপেক্ষায় ছিলাম ...!
তুমি থাকোনি তুমি ছিলে নাহ তুমি থাকবেনাহ
জেনেও, আমি কেবলই তোমার অপেক্ষায় ছিলাম শুধু
তোমারই ।***




কান্না আর তুমি !

আজই শুনলাম তুমি নাকি সেদিন কান্না করেছ !
বড্ড হাসি পেল আমার ,
কান্না আর তুমি সে তো মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ ,
আমি জানি তো ছলনার অশ্রু গুলো তোমার ,
তাই একটু হেসে ফেললাম ,
আরও শুনলাম সেই কান্না নাকি সপ্তাহ অব্দি ছিল
আমি শুনে তো অবাক রীতিমত !
ভাবলাম তুমি কি থিয়েটার করছ নাকি ?
হবে হয়তো কোন কান্নার ইস্ক্রিপের রিয়ারছাল ।
তাই ভালো ভাবে সপ্তাহ নিয়ে করলে অভিনয় টুকু ।

মনে পরে চৈতালি দুপুর আর শৈত্য প্রবাহের হাজারো সন্ধ্যা ,
আমি মুছে দিয়েছি তোমার অশ্রু সিক্ত নয়ন ।
ছিল মিথ্যে কিছু আবেগ ।
বুঝনি তোমার মিথ্যে অশ্রু কারো বুকে উত্তাল সাগরের ঢেউ , বুঝনি তোমার মিথ্যে অশ্রু কারো হৃদয়ে কাল বৈশাখী ঝড় ।
সেই তুমি আজ সত্যিই কাঁদবে !
আমি কি না হেসে পারি তুমিই বল ??

তবে আমিও এক অদ্ভুত মানব ,
রংধনুর আকাশ কে আমার পৃথিবী ভেবে
নেড়ে কুকুরের মতই ঘুরে বেড়িয়েছি
এক ভিক্ষুক হয়ে বার বার ছুটে গেছি
ভালোবাসি বলেই ।
প্রতিবার আমার পূর্ণতার থলিটা ভরে এনেছি
তোমার মিথ্যে করে কিছু আবেগি ছিটা ফুটোয় ,
সেই তুমি আজ কাঁদবে আর আমি কি না হেসে পারি ! তুমিই বল ??

Collected..

যে ৬টি কারণে মেয়েরা আকৃষ্ট হয় “খারাপ” ছেলেদের প্রতি!

কলেজের সবচেয়ে বখাটে ছেলেটিও এই পর্যন্ত তিন তিনটা প্রেম করে ফেললো। আর আমি এতো ভালো ছাত্র হয়েও একটি প্রেমও হলো না এখন পর্যন্ত। তাহলে কি মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদের দাম বেশি? ভালো ছেলেদের কি কোনো দামই নেই? এই প্রশ্নগুলো কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছেলেদের মনেই ঘুরে।
খারাপ ছেলেদের প্রতি মেয়েদের এতো আকর্ষন কেনো? স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রশ্নটা মনে জাগতে পারে যখন কেউ দেখা যায় যে খারাপ ছেলেরা খুব সহজেই মেয়েদের পটিয়ে ফেলছে। আর মেয়েরাও খারাপ ছেলেদের প্রতি তীব্র আকর্ষণ বোধ করছে। কিন্তু এর কারণ কি? ভালো ছেলেদের বদলে খারাপ ছেলেদের প্রতি এমন আকর্ষণ কি অস্বাভাবিক নয়? জেনে নিন কারন গুলো।

চ্যালেঞ্জ নেয়া

মেয়েরা চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। আর একটা খারাপ ছেলের সাথে সম্পর্ক করাকে তাঁরা একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়। চ্যালেঞ্জটা হলো একটা খারাপ ছেলেকে ধীরে ধীরে ভালো করে তোলা। কিন্তু এই কঠিন চ্যালেঞ্জে বেশিরভাগ মেয়েকেই হেরে যেতে হয়। কারণ খুব কম ক্ষেত্রেই একটা খারাপ ছেলে ভালো পথে ফিরে আসতে পারে।
সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো একটা ছেলেকে খারাপ পথ থেকে ভালো পথে ফিরিয়ে আনার পর সেই মেয়েটিই ঐ ছেলের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এবং সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলে। কারণ যেসব স্বভাবের কারণে মেয়েটির কাছে ঐ ছেলেটিকে ভালো লেগেছিলো, সেই স্বভাবগুলো আর ছেলেটির মধ্যে খুঁজে পায় না। ফলে ছেলেটির প্রতি মেয়েটির আগ্রহ কমে যায়।

আত্মবিশ্বাস

মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী ছেলেদেরকে পছন্দ করে। আর খারাপ ছেলেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের কোনো কমতি থাকে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয় অথবা আত্মবিশ্বাসী না হলেও অভিনয় করে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই মেয়েরাই এধরণের ছেলেদের প্রতি বেশি আকর্ষণবোধ করে। এবং এই আকর্ষণের কারণে মেয়েরা একটা ভুল সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যায়।

পৌরুষ

খারাপ ছেলে বললে আপনার চোখে সবার প্রথমে কি ভেসে উঠে? কালো সানগ্লাস, মোটর সাইকেল, মুখে সিগারেট আর ট্যাটু? এই বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্যই বেশিরভাগ নারীর কাছেই খারাপ ছেলেদেরকে বেশি পুরুষত্বের অধিকারী মনে হয়। ফলে এ ধরণের ছেলেদেরকে তাঁরা সাহসী ভাবে এবং তাদের সংস্পর্শে মেয়েরা নিজেদেরকে বেশি নিরাপদ মনে করে। যদিও প্রকৃতপক্ষে খারাপ ছেলেদের সংস্পর্শ কখনোই নিরাপদ হতে পারে না।

রহস্য

মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদেরকে রহস্যময় লাগে। একটা খারাপ ছেলে কি করছে, তার জীবনযাত্রা কেমন, কোথায় যাচ্ছে এসব নিয়ে বেশিরভাগ মেয়েই বেশ উৎসাহী থাকে। আর এই রহস্য উৎঘাটনের নেশার বশেই ভুল পথে পা বাড়ায় মেয়েরা।

সম্পর্কে আধিপত্য

যে সব মেয়েরা পুরুষের উপর বেশি নির্ভরশীল থাকতে পছন্দ করে তাঁরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর আধিপত্যও পছন্দ করে। একটু বখাটে ধরণের বদমেজাজি ছেলেরা সঙ্গীর উপর জোর করে আধিপত্য দেখায়। তারা চায় তার স্ত্রী কিংবা বান্ধবী সব কিছু তার কথা মতই করুন এবং তার অনুমতি নিয়ে চলুক।
কথাবার্তা
বেশিরভাগ খারাপ ছেলেরাই মেয়েদের পটিয়ে অভ্যস্ত। কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলতে এগিয়ে যেতে হবে, কিভাবে প্রেমের প্রস্তাব দিতে হবে কিংবা প্রশংসা করতে হবে এগুলো তাঁরা বেশ ভালো করেই জানে। এসব ক্ষেত্রে তাদের কোনো জড়তা কাজ করে না। ফলে তাঁরা সহজেই মেয়েদেরকে পটিয়ে ফেলার ক্ষমতা অর্জন করে।
ভালো ছেলেরা একটু লাজুক প্রকৃতির হয়। ফলে একটা মেয়ের সাথে নিজে থেকে এগিয়ে গিয়ে পরিচিত হতে কিংবা সখ্যতা গড়ে তুলতে বেশ সময় লেগে যায় তাদের। আর এই সুযোগের ব্যবহার করে খারাপ ছেলেরা। ফলে তাঁরা বেশ সহজেই মেয়ে পটিয়ে ফেলতে পারে।

collected..

শেষ চিঠি,



চিঠিটি তার ভালবাসার মানুষের উদ্দেশ্য আমাদের কাছে লিখে পাঠিয়েছেন বর্ষন।


শেষ চিঠি,

প্রিয় প্রিয়া, তোমাকে শেষ চিঠিটি লিখছি।আশা করি ভালো আছ।হুম,ভালো থাকাটাই প্রশ্ন!এই পৃথিবী তে ভালো থাকা টাই এখন আমার একমাত্র চ্যালেঞ্জ।গত কয়দিন ধরে দিন রাত ভালো থাকার প্র্যাকটিস করে আসছি।জানি না সফল হব কিনা। আজ তোমার বিয়ে!আজ তুমি অন্যের হবে।আজ থেকে তুমি অন্যের সম্পত্তি।এই সম্পত্তিতে আমার কোন অধিকার নেই।প্রিয়া,তোমার উপর থেকে আমার সকল বিধি নিষেধ আজ থেকে তুলে নিলাম।তুমি আজ মুক্ত।কোথায় যেন পড়েছিলাম- যে হারিয়ে যাওয়ার,তাকে হারিয়ে যেতে দেও। আমারো আজ মনে হচ্ছে তোমাকে হারিয়ে যেতে দেওয়াটাই উচিৎ।আজকের পর আমি চেষ্টা করবো,তোমাকে আর না ভাবতে।তোমাকে ভেবে ভেবে আর রাত পার করবো না। আজ থেকে প্রিয়া তোমার ফোনের জন্য অপেক্ষা করে ঘুমিয়ে পড়বো না। আমার খুব মনে পড়ছে,আগে আমি আর তুমি গভীর রাত পর্যন্ত কথা বলতাম।কথা বলতে বলতে আমি ঘুমিয়ে যেতাম,আর তখন তুমি একটানা চেষ্টা করে যেতে আমাকে জাগানোর জন্য।আমি হঠাৎ জেগে উঠে শুনতাম,তখনোও তুমি ফোনে বলে যাচ্ছ- এই উঠ না. . কথা শেষ করে ঘুমাও।নাকি কোন প্রব্লেম হইছে ? প্রিয়া,তোমাকে ভালবাসি বলার সেই দিনটি আজ খুব মনে পড়ছে।মনে হচ্ছে,সেদিন বুকের সবটুকু সাহস এক করে তোমাকে ভালবাসি বলে ফেলাটা মোটেই ঠিক হয় নি। প্রিয়া,তোমার কি মনে আছে,তোমার ষোল তম জন্মদিনে আমি তোমাকে ষোল টি লাল গোলাপ উপহার দিয়েছিলাম ?তোমাকে গোলাপ গুলো দেওয়ার আগে গোলাপ গুলোর উপর বার বার আমি হাত বুলাচ্ছিলাম।কারন এই গোলাপে তোমার ছোট ছোট হাত দুটির ও ছোঁয়া লাগবে। প্রিয়া,চকোলেট তোমার খুব পছন্দ ছিল।বাসা থেকে আমাকে তেমন টাকা দিত না,তাই তোমাকে দামী চকোলেট কিনে দিতে পারতাম না।একদিন হাতে অনেকগুলো টাকা এসেছিল।তোমার জন্য অনেক শখ করে কিছু চকোলেট কিনেছিলাম।তারপর বৃষ্টি তে ভিজে ভিজে তোমাকে চকোলেট গুলো দেওয়ার জন্য তোমার বাসার সামনে গিয়েছিলাম।যেই তুমি এলে,আমি তোমার বৃষ্টি ভেজা চেহারার দিকে তাকিয়ে সেদিন চকোলেট দেওয়ার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম।সেই স্মৃতি মনে করে আমি এখনো হাসি। হঠাৎ হঠাৎ হেসে উঠি।কাল থেকে তোমার চকোলেটের কোন অভাব হবে না।কোন কিছুরই অভাব হবে না।আমি প্রার্থনা করি-তোমার জীবনে আসা নতুন মানুষ টি যেন তোমাকে আমার চেয়েও বেশি ভালবাসে । প্রিয়া,কদিন ধরে নিজেকে বুঝাচ্ছি যেন দু চোখ ভরে কান্না না আসে।কিন্তু প্রিয়া কেন যেন এখন খুব কান্না পাচ্ছে।বার বার একটি চিন্তাই যন্ত্রনা দিচ্ছে- কাল থেকে তোমার সাথে আর কথা হবে না। আচ্ছা প্রিয়া,যদি কখনো চলতি পথে আমাদের দেখা হয়ে যায়-তুমি আমায় কি বলবে ? কিংবা আমি তখন কি ভাববো ? আমি কোন ভাবেই আমার জীবনের ছয় টি বছর ভুলতে পারছিনা।এই ছয় বছরের প্রত্যেকটা দিন আমার কাছে যন্ত্রনা হয়ে আসছে।হয়ত জীবনের সংগ্রামে একদিন ভুলে বসবো এই যন্ত্রনা কে।কিন্তু প্রিয়া ,যদি কখনো হঠাৎ করেই এই ছয় বছর স্মৃতির পাতায় উঠে আসে-আমি তখন কি করবো ? প্রিয়া,তোর কোন ভুল ছিল না।ভুল ছিল আমারই।আমি এমনি এক প্রামিক,যে হাসিমুখে প্রেমিকাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে উৎসাহ দেয়। আজ মেনে নিয়েছি-আমারই ভুল ছিল।আমার ভালবাসার যথেষ্ট কমতি ছিল।তাই স্রষ্টা আমার ভাগ্যে তোমাকে রাখে নি। প্রিয়া,আমার অনেকগুলো স্বপ্ন ছিল।আজ আর স্বপ্নের কথা বলবো না।স্বপ্ন গুলো অতীতের পাতায় তুলা থাক।কত স্বপ্নই তো ভোর হওয়ার আগেই শেষ হয়ে যায়। প্রিয়া,আমাকে নিয়ে তোর অনেক টেন্সান ছিল।তুই মোটেই আমাকে নিয়ে আর চিন্তা করবি না।আমি ঠিকই থাকবো ।খুব বেশি হলে আজ থেকে ভোর বেলা ঘুমোতে যাব,কারনে অকারনেই মন খারাপ করবো,রাত বিরাতে 'প্রিয়া,তোকে ভালবাসি' বলে চিৎকার দিব। প্রিয়া,তোর সাথে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত আমি ভীষন মিস করবো।সময় পেলে তোর বাসার সামনে কিছুক্ষন হাটাহাটি করবো। দেখ তো,'তুমি' আর 'তুই' এর মধ্যে আবার গোলমাল বাঁধিয়ে দিয়েছি।আসলে আমরা তো বন্ধুত্ব,ভালবাসা-বাসি সব কিছুই পার করে এসেছি-তাই 'তুই' 'তুমি' দুটোই ব্যাবহার করি। ভালো থাকিস।আরো কিছু লিখার ছিল।যদি কখনো দেখা হয়,তাহলে বাকী কথা গুলো বলবো। ইতি
বর্ষন।

Collected...

মায়ের ভালবাসা সত্যিই তুলনাহীন



মায়ের ভালবাসা সত্যিই তুলনাহীন.
মা মরতে প্রস্তুত সন্তানকে মরতে দিবে না। মা অনেক মনে পড়ছে তোমাকে। কত দিন দেখি না তোমাকে। জানি হয়ত এই ছবি দেখে আমার এই লিখা দেখে তুমি কেঁদে দিবে । মা আমি ও চোখের পানি আমিও ধরে রাখতে পারি নাই। সেই কথাটা ই মনে পড়ে গেল আমি পুকুরে পড়ে গিয়েছিলাম আমাকে বাঁচানোর জন্য পুকুরের পাড় থেকে ঝাপ দিয়েছিলে সেই পুকুর ঘাটের পড়ে যাওয়ার ব্যাথা এখন ও তোমার আছে কিন্তু তুমি কখন ও আমার কাছে প্রাকাশ কর না হয়ত আমি কষ্ট পাব বলে। মা তুমি আমার মা ।


collected...
www.facebook.com/icbnet

সাধারণত এ যুগের মেয়েদের জীবনে প্রেম আসে তিনবার....



সাধারণত এ যুগের মেয়েদের
জীবনে প্রেম আসে তিনবার।
প্রথম
প্রেম ক্লাশ এইট
নাইনে থাকতে একই
শ্রেণীতে পড়ুয়া কোচিংমেট কিংবা পাশের বারান্দার
সফিক
ভাইয়ের সাথে। সেই প্রেমের
স্থায়িত্বকাল
ইন্টারমিডিয়েট
পরীক্ষার পর পর্যন্ত, প্রেমের ফল
হচ্ছে মেয়ে গোল্ডেন এ+ আর
ছেলেটা বেশী না মাত্র দুই
সাবজেক্টে ফেল।
প্রেমতো শেষ
বটেই, অনেক ক্ষেত্রে এ সময়ে প্রতিহিংসা বশত
ছেলের
ছড়ানো ভিডিও
ইন্টারনেটে পাওয়া যায়।
দ্বিতীয়
প্রেম ভার্স িটিতে, একই ক্লাশের
সহপাঠী অথবা এক ইয়ার
সিনিয়র বড়
ভাইয়ের সাথে। সেই প্রেম
টিকে ফাইনাল ইয়ার পর্যন্ত,
সদ্য পাশ করা বেকার প্রেমিকের উপর
ভরসা পায়না প্রেমিকা,
ফলাফল ফুড়ুৎ।
ছেলে এক আধা বছর
দাঁড়ি টাড়ি না কেটে বিড়ি গাঁজ
স্রোতে ফিরে আসতে সংগ্রাম করে।
...
তৃতীয় প্রেমের শুরু বিয়ের
রাতে,
বাবা মায়ের ঠিক করা ছেলের
সাথে বিয়ে। সে রাতে স্বামীর
প্রশ্নের জবাবে লাজুক
মুখে মেয়ে জবাব
দেয়-'একটা ছেলেকে ভালো লাগত
নাইনে পড়ার সময়ে কিন্তু এর
বেশী কিছুনা, ভেবে রেখেছিলাম
বিয়ের পরেই প্রেম করবো,
তোমার সব
ঠিকঠাক থাকলে তুমিই
হবা প্রথম
প্রেম'। ছেলেটা ভাবে- আমি পাইলাম,
ইহাকে পাইলাম...!!!
মর্যালঃ বাপ মায়ের
কথামতোই যখন
বিয়ে করবা তাইলে প্রেম
করতে কইছিলো ক্যাডা...???***


collected...Read more.

"তোমার চোখ এতো লাল কেন"

"তোমার চোখ এতো লাল কেন"
—নির্মলেন্দু গুণ

আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ একজন আমার জন্য অপেক্ষা করুক,
শুধু ঘরের ভেতর থেকে দরোজা খুলে দেবার জন্য
বাইরে থেকে দরোজা খুলতে খুলতে আমি এখন ক্লান্ত ।
আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ আমাকে খেতে দিক । আমি হাতপাখা নিয়ে
কাউকে আমার পাশে বসে থাকতে বলছি না,
আমি জানি, এই ইলেকট্রিকের যুগ
নারীকে মুক্তি দিয়েছে স্বামী -সেবার দায় থেকে ।
আমি চাই কেউ একজন জিজ্ঞেস করুক :
আমার জল লাগবে কি না, নুন লাগবে কি না,
পাটশাক ভাজার সঙ্গে আরও একটা
তেলে ভাজা শুকনো মরিচ লাগবে কি না ।
এঁটো বাসন, গেঞ্জি-রুমাল আমি নিজেই ধুতে পারি ।
আমি বলছি না ভলোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ একজন ভিতর থেকে আমার ঘরের দরোজা
খুলে দিক । কেউ আমাকে কিছু খেতে বলুক ।
কাম-বাসনার সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে
জিজ্ঞেস করুক : 'তোমার চোখ এতো লাল কেন ?'***

collected...Read more

।। বন্ধু মানে Sacrifice ।।




একদিন এক কাঁকড়া সাগরের তীর ধরে হেঁটে যাচ্ছিল।
সাগরের ঢেউ এসে বার বার তারপায়ের ছাপ
মুছে দিয়ে যাচ্ছিলো ।
সেটা দেখে কাঁকড়া বলল:"তুমি আমার বন্ধু হয়ে ও
কেনো বার বার আমার এত সুন্দর পায়ের
ছাপগুলো মুছেদিচ্ছো?
ঢেউ উত্তর দিল:"এক জেলে তোমাকে ধরার জন্য
তোমার পায়েরছাপ অনুসরন করছে । তাই
আমি তা মুছে দিচ্ছে । যাতে তুমি ভাল
থাকো,সুরক্ষিত থাকো

"সত্যিকার বন্ধু উপকার করে কিন্তু ,
বিনিময়ে চায়না কোন প্রতিদান |
***




2.
হয়তো আমি তোমাকে কিছুই দিতে পারিনি, তবে তোমাকে সত্যিকার ভালোবাসা টুকু দিতে পেরেছি।যা তুমি চাউনি, তবে একদিন ঠিকই খুঁজবে সত্যিকার ভালোবাসা, আর সেইদিন তুমি পাবেনা, পাবেনা ফিরে আমায়, কারন হয়তো থাকবোনা আমি এই আজব ঠিকানায়....*** create by..CEO

সমবয়সী একটা ছেলে ও মেয়ের রিলেশন কখনও সম্ভব নয়..

সমবয়সী একটা ছেলে ও মেয়ের রিলেশন
কখনও সম্ভব নয়। জোর করে করলেও এটা
বেশী দিন স্হায়ী হয় না।
কারণঃ #১ একটা মেয়ে দশম শ্রেণীতে থাকা অবস্হা
যখন মানসপটে কাউকে কল্পনা করে, একটা
ছেলে পাড়ার মাঠে ক্রিকেট ম্যাচ কিভাবে জিতা
যায় সেই চিন্তায় ব্যস্ত।
#২ মেয়েটা যখন দ্বাদশ শ্রেণীতে তখন একটা
সুন্দর প্রেমিক আশা করে তখন একটা ছেলে
চিন্তিত পাবলিক ভার্সিটিতে ভর্তি হও।
#৩ ভার্সিটি লাইফে মেয়ে প্রতিষ্ঠিত স্বামীর
খোঁজে একটা ছেলে তখন
ব্যস্ত একটা প্রতিষ্ঠিত হওয়া নিয়ে।
#৪ অবশেষে ছেলেটি যখন সব ব্যস্ততা
অতিক্রম করে এক বউ খোঁজায় মন দেয়,
তখন মেয়েটি তিন সন্তানের জননী।
[প্রায় ৯০% ক্ষেত্রে এটি সত্য, বাকি
১০% এর হিসাব আলাদা]***



collected...
www.facebook.com/icbnet

একদিন তুমি কাঁদবে

একদিন তুমি কাঁদবে আমার জন্য......
যেমন করে আমি কাঁদি তোমার জন্য ।
একদিন তুমি আমাকে অনেক অনেক
মিস করবে যেমনটি আমি এখন করি।
একদিন তোমার আমাকে অনেক দরকার
হবে। যেমনটি তোমাকে আমার দরকার হয়....
একদিন তুমি আমায় অনেক অনেক
ভালবাসবে কিন্তু সেদিন
হয়তো আমি তোমায় ভালবাসব না ,
সেদিন মনে করো আমি এই
পৃথিবীতে আর নেই.
***



অবাক সত্য...

"যখন কোনো রিলেশন নতুন থাকে মানুষ
দেখা করার জন্য
অজুহাত বের করে...

কিন্তু যখন এটা পুরাতন হয়ে যায় তখন
সে এটাকে এড়িয়ে চলার জন্য অজুহাত
খুজতে থাকে...!"

হায়রে! আজিব দুনিয়া !!

একমত??***