ডিজিটাল নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস-ডিএনএ

World best Online education and Money earning informer Network from Bangladesh.

Online education and Money eran Tutorial

Easy access,Get money eran sucess.Online money earn informer site.

Entertainment for All

All in One service in our site . Just access and go,enjoy,share with others .

All type of Android and iOS Mobile Apps

Enjoyale,smooth,easy,free Android,Windows Mobile Apps download now.

Dedicate Customer care 24/7-365

Exparince Customer care.Customer servie first,Any time, any where,any question, just ask me +880-1918-388-377

Showing posts with label দৈনিক খাদ্য. Show all posts
Showing posts with label দৈনিক খাদ্য. Show all posts

Wednesday, 4 December 2013

‘ভাত খাবার পর’ যা করতে মানা?


পৃথিবীর কমপক্ষে তিনশ
কোটি মানুষের
প্রধান খাবার ভাত ৷
বাংলাদেশীদেরও
প্রধান খাবারও এই ভাত।
স্বাস্থ্যরক্ষায ় ভাত খাবার পর
কিছু কাজ
হতে বিরত থাকার পরামর্শ
দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

নিজেকে সুস্থ্য
রাখতে মেনে চলুন ওই পাঁচ পরামর্শ।
১.
খাবার
শেষের পর পরই
তাৎক্ষণিকভাবে কোন ফল খাবেন না।
এতে গ্যাসট্রিকের
সমস্যা হতে পারে।
ভাত খাওয়ার এক থেকে দুই ঘন্টা পর,
কিংবা এক ঘন্টা আগে ফল খাবেন।

২.
ধুমপান
করবেন না।
আপনি সারাদিনে অনেকগুলো সিগার
খেলেও যতটুকু না ক্ষতি হয়, ভাত
খাবার
পর একটি সিগারেট বা বিড়ি তার
চেয়ে অনেক
বেশী ক্ষতি করবে আপনার
শরীরের। ভাত খাবার পর একটা সিগারেট
খাওয়া আর
সার্বিকভাবে দশটা সিগারেট
খাওয়া ক্ষতির বিবেচনায় সমান
বলে মত দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

৩.
চা খাবেন না। চায়ের মধ্যে প্রচুর
পরিমাণ টেনিক এসিড
থাকে যা খাদ্যের প্রোটিনের
পরিমাণকে ১০০ গুণ
বাড়িয়ে তোলে।
ফলে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের
চেয়ে অনেক বেশী সময় লাগে।

৪.
বেল্ট
কিংবা প্যান্টের কোমর
ঢিলা করবেন না। খাবার পরপরই বেল্ট
কিংবা প্যান্টের কোমর
ঢিলা করলে অতি সহজেই ইন্টেসটাইন
(পাকস্থলি) থেকে রেক্টাম (মলদ্বার)
পর্যন্ত খাদ্যনালীর নিম্নাংশ
বেকে যেতে পারে,
পেঁচিয়ে যেতে পারে অথবা ব্লকও
হয়ে যেতে পারে। এ ধরণের
সমস্যাকে ইন্টেস্টাইনাল
অবস্ট্রাকশন
বলা হয়। কেউ
বেশি খেতে চাইলে আগে থেকেই
কোমরের
বাধন লুজ করে নিতে পারেন।

৫. স্নান
বা গোসল করবেন না। ভাত
খাবার পরপরই স্নান করলে শরীরের
রক্ত সঞ্চালন মাত্রা বেড়ে যায়।
ফলে পাকস্থলির চারপাশের রক্তের
পরিমাণ কমে যেতে পারে যা পরিপাক
তন্ত্রকে দুর্বল করে ফেলবে,
ফলে খাদ্য হজম
হতে সময় স্বাভাবিকের
চেয়ে বেশী লাগবে।

জানি লাইক
দিবেন না। কারন আমাদের
লিখার কোন মূল্য নেই আপনাদের
কাছে।
লাইক দেন বা নাই দেন
আপনারা আমাদের
পোস্টগুলো পড়ে উপকৃত
হলেই আমাদের লিখা স্বার্থক। কারন
আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।

পেয়াজের কিছু সরল ব্যবহার.....!!!


!!!!! অতি প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিন
উপকার আপনারই হবে....
আর না পড়লে চরম মিস.................. !!!!!

• পেয়াজের রস চুলে দিলে তা উকুন নাশক
হিসেবে কাজ করবে পাশাপাশি চুল
পরা কমাতেও সাহায্য করবে ...
• দৈনিক পেয়াজ খেলে তা আপনার যৌন
সমস্যাগুলো দূর করবে ...
• লাল পেঁয়াজ মাসিক রোগ সংশোধন
করতে সাহায্য করে. মাসিক শুরু হবার কিছু
দিন আগে লাল পেয়াজ খান ...
• কারো নাক দিয়ে রক্ত
পরলে কাচা পেয়াজ কেটে তার ঘ্রাণ
নিতে দিন …
• প্রতিদিন একটা পেঁয়াজ আপনার ঘুমের
অভাব দূর করবে …
• পোকামাকড়
কামড়ালে সেখানে পেঁয়াজের রস
লাগিয়ে দিন
• সাদা পেয়াজ piles থেকে রক্ত ঝরা বন্ধ
করবার জন্যেও সুপারিশ করা হয় ...
• পেয়াজ হজম শক্তি বাড়ায়
• শরীর থেকে অবাঞ্ছিত কলেস্টেরল
সরিয়ে সাহায্য করে
• দৈনিক একটি লাল পেঁয়াজ
করোনারি হার্ট রোগ
থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে …
• পেঁয়াজ শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন
বৃদ্ধি করে …
• জয়েন্ট পেইন দূর করে...
• হলুদের সাথে পেয়াজের রস মিশ্রিত
করে শরীরে কোন কাল দাগ
থাকলে সেখানে ব্যবহার করুন ...
• দাঁতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ...
• আপনার শিশুর কৃমি সমস্যা থাকলে এক
চামচ পেঁয়াজের রস খেতে দিন ...
• পেয়াজ মেমরি ও স্নায়ুর উন্নতি ঘটায় ...
• কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে …
• প্রতিদিন চিনি দিয়ে পেয়াজ
খেলে তা শিশুদের উচ্চতা লাভ
করতে সাহায্য করে …

আপনার উপকার এর জন্যই আমাদের
চেস্টা। তাই পোস্ট
ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

সকালে এক গ্লাস উষ্ণ লেবু পানির ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা :


১) হজমে সহায়ক :
শরীর থেকে অযাচিত পদার্থ এবং টক্সিন বের
করে দেয় লেবুর রস। আমাদের হজমের জন্য ব্যবহৃত
লালা এবং পাচক রসের সাথে বেশ মিল আছে এর
গঠন এবং কাজের। আর যকৃতের থেকে হজমে সহায়ক
এক ধরণের পদার্থ নিঃসরণেও এটি সহায়তা করে।

২) ডাইইউরেটিক হিসেবে কাজ করে :
শরীরে মুত্রের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং এর
মাধ্যমে খুব দ্রুত ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থ শরীর
থেকে বের হয়ে যায়। এছাড়া মূত্রনালির স্বাস্থ্য
ভালো রাখতেও এটি সহায়ক।

৩) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :
লেবুতে থাকে অনেকটা ভিটামিন সি এবং লৌহ
যা ঠাণ্ডাজ্বর জাতীয় রোগের বিরুদ্ধে ভীষণ
কার্যকর। এতে আরও আছে পটাসিয়াম যা মস্তিষ্ক
এবং স্নায়ুকে সক্রিয় রাখে এবং রক্তচাপ
নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে। এতে থাকা অ্যাসকরবিক
এসিড প্রদাহ দূর করে এবং অ্যাজমা বা এজাতীয়
শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমায়। এছাড়াও কফ
কমাতে সাহায্য করে লেবু।

৪) শরীরের পিএইচ মাত্রা ঠিক রাখে :
এর অর্থ হলো শরীরের অম্ল-ক্ষারকের মাত্রা ঠিক
রাখে লেবু। লেবু হজম হয়ে যাবার পর কিন্তু আর
অম্লীয় থাকে না, ক্ষারীয় হয়ে যায়।
ফলে এটি রক্তে মিশে যায় এবং শরীরের
অম্লতা বাড়তে দেয় না। অম্লতা বেড়ে গেলেই
দেখা দেয় রোগ।

৫) ত্বক পরিষ্কার করে :
ত্বকের কুঞ্চন এবং দাগ দূর
করে লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের জন্য খুব দরকারি হল
ভিটামিন সি। ব্রণ
বা অ্যাকনি সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া এটি দূর করে।
আর ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতেও এটি কার্যকরী।

৬) আপনার মন ভালো করে দেয় :
সকালেই প্রাণচাঞ্চল্য বাড়িয়ে দিতে এর
জুড়ি নেই। খাবার থেকে শক্তি শোষণের পরিমাণ
বাড়িয়ে দেয় লেবু। আর এর গন্ধে আপনার মন
ফুরফুরে হয়ে উঠবে নিমিষেই।
দুশ্চিন্তা এবং বিষণ্ণতা দূরীকরণেও
এটি অসামান্য।

৭) সেরে ওঠার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে :
ক্ষতস্থান সেরে তুলতে সাহায্য করে অ্যাসকরবিক
এসিড। আর হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও
এটি সহায়ক। স্ট্রেস এবং যে কোনও ধরণের ব্যাথার
উপশম করে ভিটামিন সি।

৮) নিঃশ্বাসে আনে তরতাজা ভাব :
নিঃশ্বাসে লেবুর সতেজতা আনা ছাড়াও,
এভাবে গরম পানির সাথে লেবুর রস পানে দাঁতের
ব্যথা এবং জিঞ্জিভাইটিসের উপশম হয়।
তবে এটা পানের পর পরই দাঁত ব্রাশ করবেন
না কারণ সাইট্রিক এসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয়
করে ফেলে। আগে দাঁত ব্রাশ করে তার পর এটা পান
করা ভালো। আর লেবুপানি পান করার পর বিশুদ্ধ
পানি খেতে পারেন এক গ্লাস।

৯) শরীরে তরলের পরিমাণ ঠিক রাখে :
রাতে ঘুমানোর সময়ে যে পানি খরচ হয় সেটা পূরণ
হয়ে যায় সকাল সকাল এই এক গ্লাস পানি পানের
মাধ্যমে।

১০) ওজন কমাতে সহায়ক :
লেবুতে প্রচুর পরিমাণে পেক্টিন থাকে।
আঁশজাতীয় এই পদার্থ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রনে রাখে।
ফলে ওজন কমে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের
খাবারে এমন অম্লজাতীয় খাবার কম থাকে তাদের
ওজন বাড়ে বেশি।

পোস্টটি শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ দিন। নিজে জানুন, অন্যদেরও জানান। লাইক দিয়ে পরবতী পোস্ট দিতে উৎসাহিত করুন। আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

Monday, 2 December 2013

প্রতিদিন আমলকী

সবচেয়ে প্রচলিত ও সস্তা ফল আমলকী। অথচ পুষ্টিগুণে এটি যে কোনো দামি ফলকে হার মানায়। এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও উৎকৃষ্টমানের ভিটামিন সি যা দ্রুত শরীরের সঙ্গে মিশে যায়।

# একটা আমলকীতে দুটি কমলার চাইতেও বেশি ভিটামিন সি থাকে যা ত্বক ও চুল সুন্দর করে।
# আমলকি কোষ পুনর্গঠন করে অল্পতে বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
# এছাড়াও রক্তে কোলেস্টরালের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে হার্ট সুস্থ রাখে।
# ঠাণ্ডা-সর্দি বা শ্বাসকষ্টজনিত যে কোনো সমস্যা দূর করতে আমলকী জাদুর মতো কাজ করে।
# শরীরের আয়রন ছাড়াও বিভিন্ন মিনারেল শোষণ করতে ভিটামিন সি প্রয়োজন। তাই আমলকী খেলে খাবারের সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ পাওয়া সম্ভব।
# এর আঁশ খাবার দ্রুত হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্টকাঠিন্য সারিয়ে তোলে।
# প্রতিদিন আমলকী খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
# যারা নিয়মিত শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রম করেন তাদের পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি পূরণে আমলকীর জুড়ি নেই।
# এটি রক্তে মেটাবলিজমের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে দ্রুত ওজন কমে।
# দূষণ, ওষুধ, ধূমপান বা মদ্যপান ইত্যাদি কারণে লিভারে বিষাক্ত পদার্থ জমতে থাকে। আমলকী শরীর থেকে ওইসব বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিয়ে রক্ত পরিষ্কার রাখে।
# আমলকী খেলে ব্রন বা চর্মরোগ হয় না।
# এছাড়া এটি চুলের গোড়া মজবুত করে, পতন কমায়, চুল কালো ও ঝলমলে করে তোলে।

Thursday, 28 November 2013

"দুধ চা খাবেন নাকি রঙ চা?"

> জার্মানির বারলিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ১৬ জন মহিলাকে একবার রঙ চা, একবার দুধ চা এবং একবার শুধু গরম পানি পান করতে দেন। প্রতিবার-ই আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতিতে তাদের রক্তনালীর প্রসারন মাপা হয়। দেখা যায় যে, রঙ চা রক্তনালীর প্রসারন ঘটায় যা উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যন্ত জরুরী। চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিন রক্তনালীর প্রসারনের জন্য দায়ী। দুধের মধ্যে থাকে ক্যাসেইন নামক একটি পদার্থ চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিন কে বাধাগ্রস্থ করে ফেলে। ফলে চায়ে দুধ মেশালে চায়ের রক্তনালী প্রসারনের ক্ষমতা একবারেই চলে যায়।

>U.S. Department of Agriculture এর গবেষকেরা ইদুরের কোষ এর উপর পরীক্ষা করে দেখেন যে, চায়ের প্রভাবে কোষ গুলো থেকে সাধারণের তুলনায় ১৫ গুণ বেশি ইনসুলিন নির্গত হয়, যা ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রনে অত্যন্ত জরুরী। কিন্তু চায়ে দুধ মেশালে এই ইনসুলিন নির্গমনের হার কমতে থাকে। যদি ৫০ গ্রাম দুধ মেশানো হয়ে, তাহলে ইনসুলিন এর নির্গমন শতকরা ৯০% কমে যায়।

>এবার যারা ওজন নিয়ন্ত্রন করতে চান তারা দেখে নিন কোন চায়ে কত ক্যালরি।
দুধ চিনি ছাড়া রঙ চা=২ ক্যালরি
১ চামচ চিনি সহ রঙ চা=১৬ ক্যালরি
১ চামচ চিনি ও দুধ সহ চা= ২৬ ক্যালরি

>>>>সুতরাং, রঙ চা উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রনে অত্যন্ত কার্যকরী কিন্তু দুধ চা নয়। <<<<<