ডিজিটাল নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস-ডিএনএ

World best Online education and Money earning informer Network from Bangladesh.

Online education and Money eran Tutorial

Easy access,Get money eran sucess.Online money earn informer site.

Entertainment for All

All in One service in our site . Just access and go,enjoy,share with others .

All type of Android and iOS Mobile Apps

Enjoyale,smooth,easy,free Android,Windows Mobile Apps download now.

Dedicate Customer care 24/7-365

Exparince Customer care.Customer servie first,Any time, any where,any question, just ask me +880-1918-388-377

Showing posts with label ডাক্তারের পরামর্শ. Show all posts
Showing posts with label ডাক্তারের পরামর্শ. Show all posts

Wednesday, 4 December 2013

♣ দেহের কোন অংশ কেটে গেলে কি করবেন ?? ♣


রান্নাঘরে বা অন্য কোনো কাজ
করতে গেলে ধারালো কিছুতে হঠাৎ
হাত-পা কেটে যেতে পারে।
নিত্যদিনের সমস্যা এটি। কেটে যাওয়ার
পর মূল করণীয় হলো রক্তপাত বন্ধ
করা এবং সংক্রমণ যাতে না হয়
সেদিকে লক্ষ রাখা।
জেনে নিন, হঠাৎ
কেটে গেলে কী করবেন।

১. একটা পরিষ্কার কাপড় বা গজ
দিয়ে কাটা স্থানটি চেপে ধরে রাখুন।
টানা ২০ থেকে ৩০ মিনিট চাপ
দিয়ে ধরে রাখলে রক্ত জমাট
বেঁধে রক্তপাত বন্ধ করে দেবে। এক
টুকরো বরফ পেঁচিয়েও
ধরে রাখতে পারেন।
কাটা জায়গাটা উঁচু করে রাখুন। রক্ত বন্ধ
হয়েছে কি না তা বারবার
খুলে দেখবেন না।

২. রক্ত বন্ধ হয়ে গেলে পরিষ্কার
পানি দিয়ে জায়গাটা ধুয়ে নিন।
সাবান বা আয়োডিন ও আয়োডিনজাত
অ্যান্টিসেপটিক অনেক সময় জ্বালা করে।
তাই সাধারণ ট্যাপের পানিই ভালো।

৩.
ধোয়া হয়ে গেলে পাতলা স্তরে অ্যান্ট
ক মলম দিয়ে ঢেকে দিন। নিওমাইসিন
বা এ জাতীয় মলম সব সময়
বাড়িতে প্রাথমিক
চিকি ৎসাসামগ্রী হিসেবে থাকা উচি
এবার একটা পাতলা গজ বা ব্যান্ডেজ
দিয়ে আটকে দিন।

৪. সাধারণ গজ ব্যান্ডেজ বা স্টিকারযুক্ত
ব্যান্ডেজ, যা-ই হোক, প্রতিদিন অন্তত
একবার তা পরিবর্তন করতে হবে।
যদি জায়গাটা ফুলে যায় ও লাল দেখায়,
ব্যথা বেড়ে যায়
বা ভিজে যেতে থাকে, জ্বর আসে,
তবে চিকি ৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. আধঘণ্টা চেপে রাখার পরও রক্ত বন্ধ
না হলে ক্ষত ছয় মিলিমিটার পুরু
হলে সেলাই লাগতে পারে।
সে ক্ষেত্রে জরুরি বিভাগে চলে যান।

৬. ধাতব বস্তু, নোংরা বস্তু
ইত্যাদি থেকে ক্ষত তৈরি হলে এক ডোজ
টিটেনাস ইনজেকশন নিয়ে নিন।
নোংরা বস্তু
দিয়ে কাটলে অ্যান্টিবায়োটিকও
খেতে হতে পারে।

পোস্টটি শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার
সুযোগ দিন। নিজে জানুন, অন্যদেরও
জানান। লাইক দিয়ে পরবতী টিপস
দিতে উৎসাহিত করুন। আপনাদের
সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।


 ধন্যবাদ।
More Read..

Thursday, 28 November 2013

ক্যান্সারের সাতটি সতর্ক লক্ষণ

সারা বিশ্বে এখন সবচেয়ে আতঙ্কের রোগ হলো ক্যান্সার। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শুধু উত্তর আমেরিকাতেই প্রতিদিন পাঁচ হাজার লোক ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। আমেরিকানদের মৃত্যুর দ্বিতীয় বৃহত্তম কারণ হিসেবে ক্যান্সারের নাম উল্লেখ করা হয়।
এখানে ক্যান্সারের সাতটি সতর্ক লক্ষণ উল্লেখ করা হলো :
১. পায়খানা-প্রস্রাবের অভ্যাসের পরিবর্তন।
২. কোনো ত না শুকানোর প্রবণতা।
৩. অস্বাভাবিক রক্তরণ।
৪. স্তনে কোনো শক্ত দলা অথবা শরীরের অন্য কোনো জায়গায় শক্ত পিণ্ড বর্তমান থাকা।
৫. পেটের অজীর্ণতা কিংবা ঢোক গিলতে অসুবিধা।
৬. আঁচিল বা তিলের অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন।
৭. বিরক্তিকর অবিরত কাশি কিংবা গলা বসে যাওয়ার প্রবণতা।
************************************************
(আপনি যদি মনে করেন পোস্টটি গুরুত্বপূর্ণ তবে শেয়ারকরে বন্ধুদের দেখার সুযোগ দিন। নিজে জানুন ও অন্যকে জানতে সাহয্য করুন। নিয়মিত লাইক, কমেন্টস না করলে এই মুল্যবান পোস্ট গুলো আর আপনার ওয়ালে খুজে পাবেন না।) আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।
ধন্যবাদ।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যার ঘরোয়া সমাধান...

গুড়: গুড় আপনার বুক জ্বালা-
পোড়া এবং এসিডিটি থেকে মুক্তি দেয়
যখন বুক জ্বালা-
পোড়া করবে সাথে সাথে এক
টুকরো গুড় মুখে নিয়ে রাখুন
যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায়।
তবে ডায়বেটিস রোগীদের
ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ...

...আমাদের ছোটখাট টিপস
গুলোকে অবহেলা করবেননা। লাইক
দিয়ে এক্টিভ থাকুন। আপনাদের
সুখী জীবনই আমাদের কাম্য...

পোষ্ট টি শেয়ার করলে খুশি হব..যাতে আপনার বন্ধুরাও উপকৃত হতে পারে।

১০টি খারাপ অভ্যাস যা ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর

প্রতিনিয়ত অভ্যাসবশত আমরা কিছু কাজ করে থাকি যা আমাদের ব্রেইনের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই ব্রেইনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সতর্ক হবার জন্য জেনে নেওয়া যাক সেই অভ্যাসগুলো।

১। সকালে নাশতা না করাঃ আমরা অনেকেই ব্যস্ততার কারনে সকালের নাশতা না করেই বাসা থেকে বের হয়ে যাই। কিন্তু এই অভ্যাসটা খুব খারাপ। কারণ সকালে নাশতা না করলে নিম্ন রক্ত শর্করার কারণে আমাদের ব্রেইনে পর্যাপ্ত শর্করা তথা পুষ্টি পায়না। এতে করে ধীরে ধীরে ব্রেইন মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই ব্যস্ততা সত্ত্বেও সকালের নাশতা করতে ভুলে যাবেননা।

২। অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণঃ অনেক সময় আমরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণ করি। ধারণা করা হয় মাঝে মাঝে এরকম অতিরিক্ত ডায়েটে কি আর হবে! কিন্তু ধারণাটা ভুল। কারণ অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণের অভ্যাস আমাদের ব্রেইনের রক্তনালীর ইলাস্টিসিটি নষ্ট করে দেয় ফলস্বরূপ অনেক ধরনের মানসিক সমস্যার উৎপত্তি হয়। তাই সর্বদা সচেতন হোন এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডায়েট গ্রহণে বিরত থাকুন।

৩। ধূমপানঃ ধূমপান নানা রোগের অন্যতম কারন। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব বলে শেষ করে যাবেনা। তাই যারা ধূমপান করেন তাদের জন্য সতর্কবার্তা ধূমপানে কেবল ফুসফুস ক্যান্সার নয় বরং এতে করে ব্রেইন সংকুচিত হয়ে যায় ফলস্বরুপ আলঝেইমার নামক স্মৃতিবিলোপকারি রোগের উদ্ভব হয়।

৪। অতিরিক্ত মিষ্টি গ্রহণঃ অনেকের ধারণা মিষ্টি বেশি খেলে ব্রেইন ভাল হয়। কিন্তু আসলে অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল না। অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে সেটা আমিষ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পরিপাক; শোষনে বাধা সৃষ্টি করে যা ব্রেইনের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং ব্রেইনের বিকাশ সাধনের অন্তরায়। তাই অতিরিক্ত মিষ্টি নয় পর্যাপ্ত ও পরিমিত মিষ্টি গ্রহন করুন।

৫। বায়ু দূষনঃ বায়ু দূষনের জন্য আমাদের ব্রেইনের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। কারণ বায়ু দূষনের ফলে অক্সিজেন সমৃদ্ধ বাতাস আমাদের ব্রেইনে যেতে পারে না। ফলে ব্রেইন ধীরে ধীরে পুষ্টির অভাবজনিত কারণে স্বাভাবিক কার্যকারি ক্ষমতা হারাতে থাকে। তাই বায়ু দূষণ যুক্ত পরিবেশ থেকে দূরে থাকুন এবং বায়ু দূষন রোধে নিজে ও অন্যকে সচেতন করুন।

৬। নিদ্রাহীনতাঃ ঘুম আমাদের ব্রেইনের বিশ্রামের জন্য জরুরি। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ব্রেইন কোষের স্বাভাবিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই যারা দীর্ঘদিন যাবৎ নিদ্রাহীনতায় ভুগছেন কিংবা কাজের ব্যস্ত্যতার জন্য ঘুমানোর সময় পাচ্ছেননা তাদের জন্য বলছি, নিদ্রাহীনতা আমাদের ব্রেইনের কোষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। সুতরাং পর্যাপ্ত ঘুমকে কেবল সময় নষ্ট হিসেবে নয় বরং ব্রেইনের বিশ্রামের জন্য দরকারি হিসেবে নিন।

৭। ঘুমানোর সময় মাথা আবৃত করাঃ ঘুমাতে যাবার পূর্বে মাথা খোলা রেখে ঘুমানো ব্রেইনের জন্য উপকারি। কারণ মাথা আবৃত করে ঘুমালে কার্বনডাই অক্সাইড এর পরিমান ঘনীভূত হয় এবং অক্সিজেনের পরিমান কমে যায় যা পরবর্তিতে ব্রেইনের মারাত্বক ক্ষতিসাধন করে।

৮। অসুস্থতার সময় অতিরিক্ত কাজঃ যখন আমরা অসুস্থ হই তখন আমাদের উচিত কোন পরিশ্রমি কাজ অথবা পড়াশুনা থেকে বিরত থেকে আমাদের ব্রেইন কে বিশ্রাম দেয়া। তা না হলে অসুস্থতার সময় অতিরিক্ত চাপ আমাদের ব্রেইনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় ফলস্বরূপ ব্রেইনের দীর্ঘমেয়াদী মারাত্বক ক্ষতিসাধন হয়।

৯। চিন্তা না করাঃ বেশি বেশি চিন্তা করুন, ব্রেইন কোষের উদ্দীপনার জন্য চিন্তা-ভাবনা করা অত্যন্ত জরুরি। যত বেশি সৃষ্টিশীল চিন্তায় মনোযগ দিতে পারবেন, ততবেশি আপনার ব্রেইন কোষ উদ্দীপিত হবে। আপনি আরো বেশি দক্ষ ও মনোযোগি হতে পারবেন যেকোন কাজে। আর চিন্তাহীন ব্রেইন ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে ব্রেইনের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

১০। কথা না বলাঃ অনেকেই চুপচাপ থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু অতিরিক্ত চুপচাপ ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর। কারণ আপনি যত বেশি বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনায় অংশ নিতে পারবেন সেটা আপনার ব্রেইনের স্বাভাবিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারি। তাই চুপচাপ নয় বরং কার্যক্ষেত্রে বেশি বেশি আলোচনায় অংশ নিয়ে আপনার ব্রেইনকে সতেজ রাখুন।

[ পোস্টগুলো লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ দিন ]

এনার্জি ড্রিংক খাবেন কি?

আজকাল বিভিন্ন নামে এনাজি ড্রিংক নামে এক ধরনের পানীয় বাজারজাত হতে দেখা যায়। বড়রা তো বটেই, ছোটরাও এগুলি পানের জন্য খুব উৎসাহী। এসব পানীয় কি ওদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো?

এনার্জি ড্রিংক স্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই খারাপ। এগুলি বিভিন্ন ফর্মূলায় বাজারজাত হয়ে থাকে কিন্তু অধিকাংশের মধ্যেই থাকে প্রচুর ক্যাফেইন (Caffeine) ও চিনি। আরো থাকে ভেষজ উদ্দীপক (Herbal stimulants), টরিন নামে পরিচিত এমিনো এসিড। কিন্তু তারপরও বলতে হয় এসবের মধ্যে কোন কোন উপাদান কী পরিমাণে আছে তা নিরূপণ করা কঠিন। স্বল্প পরিমাণে এনার্জি ড্রিংক পান করা খারাপ নয়। বিশেষ করে যেগুলিতে এক বা দুই কাপ কফির সমপরিমাণ কফি এবং এক বা দুই কাপের সমপরিমাণ চিনি আছে। কিন্তু কেউ যদি এগুলি বেশি পরিমাণে পান করেন তাহলে শরীরে উচ্চ হারে ক্যাফেইন ও অন্যান্য উপাদান প্রবেশ করবে। উচ্চ হারে ক্যাফেইন, চিনি ও অন্যান্য ভেষজ উদ্দীপক গ্রহণের মারাত্মক ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। এসবের মধ্যে থাকতে পারে হৃদস্পন্দন দ্রুততর হওয়া, উত্তেজনা, নার্ভাসনেস, বিঘ্নিত ঘুম এবং বমি বমি বাব। তদুপরি এনার্জি ড্রিংক এর এসিড দন-ক্ষয়ের ত্বরান্বিত করে। চিনিতে যে অতিরিক্ত ক্যালরি রয়েছে তা বলাই বাহুল্য।
ব্যাপক হারে ক্যাফেইন গ্রহণের কারণে রক্তচাপ বেড়ে গিয়ে হৃৎপিন্ডের রক্ত সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে। এর ফলে হৃদ-ছন্দে দেখা দিতে পারে অস্বাভাবিকতা যা কতক ব্যক্তিতর ক্ষেত্রে জীবন বিপন্নকর হতে পারে। মদ সহযোগে এনার্জি ড্রিংক পান করলে, পানিশূন্যতা থাকেল, বা ব্যায়ামের আগে দ্রুত এনার্জি ড্রিংক পান করলে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে। চিকিৎসাগত বিপর্যয় ছাড়াও এসবের মধ্যে আছে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অথবা হৃদ আক্রমণ। তাই ছেলেমেয়েদের হাতে এনার্জি ড্রিংক তুলে দেবেন না। তাদেরকে এসবের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে বুঝিয়ে বলুন।

[ পোস্টগুলো লাইক, ট্যাগ, শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ দিন ]

আসুন কিছু প্রয়োজনীয় টিপস জানিঃ

=• যারা নিয়মিত সকালের
নাশতায় ডিম খাওয়ার অভ্যাস
করেছেন তাদের স্মৃতিশক্তি অন্যদের
চেয়ে অনেক তুখোড়।

=•কলা খেয়ে সোজা হয়ে কিছু সময়
বসে থাকলে মাথাব্যথা কমে।

=• আপেলের চেয়ে আমড়ার
পুষ্টিগুণ বেশি।

=• প্রতিদিন
একটি পাকা টমেটো খেলে শরীরের
রক্তকনিকা বাড়ে, ফলে ত্বক পরিস্কার হয়।

=• ঠাণ্ডা লেগে মাথাব্যথা হলে
চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে দ্বিগুণ
পানি মিশিয়ে একবার
খেলে ব্যথা কমে যাবে।

=• ডালিম গাছের বাকল, পাতা, অপরিপক্ক
ফল এবং ফলের খোসার রস
পাতলা পায়খানা, আমাশয় ও রক্তক্ষরণ বন্ধ
করে।

{আমাদের পোষ্ট গুলো যদি আপনাদের
সামান্য
ভাল
লেগে থাকে অথবা উপকারে এসে থাকল
গুলোতে লাইক দিয়ে কমেন্টে অন্তত একটা “Thanks”
জানাইয়েন।}

**সেক্সের ৬ উপকারিতা**



  স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সেক্স বা যৌন
সম্পর্কের সঙ্গে সুস্বাস্থ্যের সম্পর্ক
ওতপ্রোত।

) আপনার হার্টকে ভাল রাখতে পারে সেক্স।
কামোদ্দীপনা
অনুভূতি যতো বেশি জোরালো, তার হার্ট
ততো বেশি সক্রিয় বলিষ্ঠ।

) প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার
ঝুঁকিকে কমিয়ে দেয় শারীরিক সম্পর্ক।

) কর্মস্থলে নিজেকে গুটিয়ে রাখার
প্রবণতা থাকে না। আগের
চেয়ে বেশি বহির্মুখী ভাবধারা প্রকাশ পায়
সার্বিক আচরণে। সমস্যা সমাধানের দক্ষতা
সৃজনশীলতা বাড়ে।

) আপনাকে দেখে আরও তরুণ, সজীব
প্রাণবন্ত মনে হবে।

) স্বাস্থ্যসম্মত সেক্স মানসিক চাপ
কমাতে সাহায্য করে।

) মস্তিষ্ককে সজাগ সক্রিয় করে তোলে।

[ লাইক,শেয়ার করতে ভুলবেন না ]


Friday, 8 November 2013

ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করুন সহজেই

আমাদের মতো গরম দেশের মানুষদের ঠোঁট জন্মগত ভাবেই একটু কালচে হয়ে থাকে। তার ওপর অযত্ন অবহেলা আর কিছু বদঅভ্যাসের কারণে ঠোঁটের স্বাভাবিক গোলাপী ভাব নষ্ট হয়ে তা কালচে ও মলিন হয়ে পরে। কিছু নিয়ম মেনে চললে এবং নিয়মিত ঠোঁটের যত্ন নিলে এই কালচে ভাব অনেকাংশেই দূর করা সম্ভব। আসুন জেনে নিই ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করার পদ্ধতি।

* ঠোঁট কখনো খুব বেশি সময় শুষ্ক রাখবেন না।

* যাদের ঠোঁট জন্মগত ভাবেই শুষ্ক তারা ঠোঁটে সবসময় চ্যাপস্টিক বা লিপবাম ব্যবহার করবেন।

* সামান্য দুধের সর বেঁটে মাঝে মাঝে ঠোঁটে লাগাবেন, এতে ঠোঁট নরম থাকবে।

* প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে ক্লিনজিং মিল্ক বা কোল্ড ক্রীম লাগিয়ে কিছু সময় পর ভেজা তুলো দিয়ে মুছে ফেলুন তারপর হালকা নারিশিং ক্রীম লাগিয়ে ঘুমাতে যান।

* ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করতে নিচের প্যাকটি ব্যবহার করুন:
-ফ্রিজে রাখা কিছুটা ঠান্ডা মুলতানি মাটির সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
-মিশ্রণটিতে তুলো ভিজিয়ে ঠোঁটের ওপর হালকা ভাবে ঘষে দশমিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
-এটা সপ্তাহে দুবার করে ব্যবহার করলে আস্তে আস্তে কালচে ভাব দূর হয়ে যাবে।

* কোথাও দাওয়াত খেতে যাওয়ার আগে লিপস্টিক লাগানোর পর একটা পাফে সামান্য ট্যালকম পাউডার নিয়ে ঠোঁটের ওপর আলতো চাপ দিয়ে লাগান। এতে লিপস্টিক ঠোঁটের উপর বসে থাকবে।

নতুন বিয়ে করেছেন? জেনে নিন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি

বর্তমান বিশ্বে পারিবারিক স্বাধীনতার এক যুগান্তকারী আবিষ্কার হলো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। এই আবিষ্কার নারী জাতিকে তার স্বকীয়তা ও অধিকার আদায়ের ব্যপারেও ব্যপক সাহায্য করেছে। শুধু তাই নয়, এটি আমাদের পরিবারকে সুন্দর ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা দিয়েছে। কিন্তু এর আছে নানান পদ্ধতি। যারা নতুন বিয়ে করেছেন, অনেকেই বুঝতে পারেননা কোন পদ্ধতি গ্রহন করবেন। আজকে এই পদ্ধতিগুলো আমরা আলোচনা করবো। আপনি দেখে নিতে পারেন কোনটি আপনার জন্য সুবিধাজনক।
জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রকারভেদ
জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গুলোকে প্রধানত: দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
ক) সনাতন পদ্ধতি খ) আধুনিক পদ্ধতি।

ক) সনাতন পদ্ধতিঃ
যে পদ্ধতি পরিবারের সদস্য সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ঐতিহ্যগতভাবে সমাজে প্রচলিত আছে সেগুলোকে সনাতন পদ্ধতি বলে। যেমন
১) প্রত্যাহার বা আযলঃ স্বামীর বীর্য বাইরে ফেলা
২) বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো
৩) নিরাপদকাল মেনে চলা
৪) নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সহবাস থেকে বিরত থাকা বা আত্মসংযম।
খ) আধুনিক পদ্ধতিঃ
আধুনিক পদ্ধতিকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:
১) নন-ক্লিনিক্যাল এবং
২) ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি।
1) নন-ক্লিনিক্যাল: যে পদ্ধতিগুলো অন্যের সাহায্য ছাড়া নারী-পুরুষ নিজেই ব্যবহার করতে পারে সেগুলোকে নন-ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি বলে। যেমনঃ
• খাবার বড়ি
• কনডম
2) ক্লিনিক্যাল: যে পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের জন্য নারী-পুরষকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেবাদানকারীর সাহায্য নিতে হয় সেগুলোকে ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি বলে। যেমন: অস্থায়ী পদ্ধতি এবং স্থায়ী পদ্ধতি।
অস্থায়ী পদ্ধতি
• ইনজেকশন
• আই.ইউ.ডি
• নরপ্ল্যান্ট
স্থায়ী পদ্ধতি
• পুরুষ বন্ধ্যাকরণ- ভ্যাসেকটমী
• নারী বন্ধ্যাকরণ- টিউবেকটমি বা লাইগেশন
খাবার বড়ির প্রকার, মাত্রা, কার্যপদ্ধতি এবং সুবিধা, অসুবিধা
খাবার বড়ির প্রকার ও মাত্রা
জন্ম নিয়ন্ত্রনের জন্য বিভিন্ন প্রকারের খাবার বড়ি পাওয়া যায়। যেমন: নরকোয়েস্ট, ওভাষ্ট্যাট, ওভাকন, মারভেলন, সি-৫, সুখী (স্বল্পমাত্রার বড়ি)। প্রত্যেক প্রকার বড়িতে হরমোনের মাত্রার পার্থক্য থাকতে পারে।
কার্যপদ্ধতি
ডিম্বাশয়ের ডিম্বকে পরিপক্ক হতে ও বের হতে বাধা দেয়।
সুবিধা
• সাফল্যের হার বেশী।
• অনাকাংখিত গর্ভসঞ্চার খুবই কম হয়।
• অতিরিক্ত সতর্কতা ছাড়া যৌন সহবাস করা যায়।
• মাসিক নিয়মিত হয়।
• মাসিকের রক্তস্রাব কম হয়। মাসিকের ব্যাথা থাকলে তা কমে যায়।
• নিয়মিত বড়ি খাওয়ার ফলে অনেক মহিলার স্বাস্থ্য ভাল হয়।
• আয়রন বড়ির জন্য রক্তস্বল্পতা কম হয়।
• ডিম্বাশয় ও জরাযু ঝিল্লি¬তে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। পি.আই.ডি (পেলভিসের সংক্রমণ ) কম হয়।
• বড়ি খাওয়া বন্ধ করলে গর্ভধারণ করা যায়।
অসুবিধা
• প্রতিদিন মনে করে খেতে হয়।
• যারা ধূমপান করে তাদের বেশী জটিলতা দেখা দেয়।
• টিউমার বা জন্ডিস থাকলে ব্যবহার করা যাবেনা। মাসিকের পরিবর্তন ঘটতে পারে।
• ওজন বেড়ে যেতে পারে।
• মেজাজ খিটখিটে হয়।
• পদ্ধতি বন্ধ করে দেওয়ার পর গর্ভধারণে দেরী হতে পারে।
• এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা নাই।
কার্যকারীতা
সাফল্যের হার বেশী। অনাকাংখিত গর্ভসঞ্চার খুবই কম হয়।
কনডমের কার্যপদ্ধতি, সুবিধা, অসুবিধা এবং কার্যকরীতা
কনডম রাবারের দ্বারা তৈরি চোঙ্গার মতো যার একদিক খোলা এবং একদিক বন্ধ বোঁটার মতো। এটি পুরুষের যৌনাঙ্গে পরতে হয়। বিভিন্ন নামে কনডম পাওয়া যায়। যেমন রাজা, সুলতান, প্যানথার, ম্যাজিষ্টিক, সেনসেশন।
কার্যপদ্ধতি
সহবাসের সময় পুরুষাঙ্গে কনডম ব্যবহারের ফলে শুক্রকীট নারীর জরাযুতে প্রবেশ করতে পারে না । ফলে শুক্রকীট ডিম্বানুর সংস্পর্শে আসতে পারে না বলে নারী গর্ভবতী হয় না।
সুবিধা
• যে কোন পুরুষ ব্যবহার করতে পারে।
• কোন ডাক্তারের সহযোগীতা লাগে না।
• কনডম বেশ সস্তা এবং সব জায়গায় কিনতে পাওয়া যায়।
• এইচআইভি/এইডস সহ নানা রকম যৌন রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
• যৌন সহবাস দীর্ঘায়িত হয়।
• জন্ম নিয়ন্ত্রনে পুরুষকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
অসুবিধা
• প্রত্যেক সহবাসে ব্যবহার করতে হয়।
• দু’জন সঙ্গীরই যথেষ্ট সহযোগিতা থাকা দরকার।
কার্যকারীতা
প্রতিবার সঠিক নিয়মে কনডম ব্যবহার করলে ৮৮% ভাগ পর্যন্ত কার্যকর হয়। শুক্রকীটনাশক ফেনা বড়ির সাথে ব্যবহার করলে প্রায় ৯৯% ভাগ পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে।
ইনজেকশনের কার্যপদ্ধতি, সুবিধা, অসুবিধা ও কার্যকরীতা

ইনজেকশন ২ প্রকার-DMPA সাদা রং এর দ্রবীভূত জলীয় পদার্থ, ১ ডোজ ১ টি ভায়েলে থাকে।
কার্যপদ্ধতি
১.জরায়ুর মুখে শ্লেষ্মা তৈরী করে ফলে পুরুষের শুক্রকীট জরাযুতে ঢুকতে পারেনা।
২. ডিম্বাশয়ের ডিম্বকে পরিপক্ক হতে ও বের হতে বাধা দেয়।
৩. জরায়ুর ভিতরের গায়ে ঝিল্লী¬র পরিবর্তন করে, ফলে ডিম্ব জরায়ুতে বসতে পারে না।
সুবিধা
১.নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি।
২.ব্যবহার বিধি সহজ (৩ মাসের জন্য)।
৩. রক্ত জমাট বাধার সমস্যা দেখা যায় না।
৪. সহবাসের সাথে সম্পর্ক নাই।
৫.গোপনীয়তা রক্ষা করে নেয়া যায়।
৬. বন্ধ করলে গর্ভধারণ করা যায়।
৭. প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী দিতে পারে।
৮. শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মা হলেও নেয়া যায়।
অসুবিধা
• অনেকের ইনজেকশন নেয়ার ক্ষেত্রে ভয় থাকে।
• নিজে নেওয়া যায়না।
কার্যকরীতা
অত্যন্ত কার্যকরী প্রায় ১০০% ভাগ এবং নিরাপদ জন্মনিরোধক পদ্ধতি।
আই ইউ ডি বা কপার টির সুবিধা , অসুবিধা ও কার্যকরীতা
rupcare_birth control5
আই ইউ ডি (IUD Intra Uterine Device) জরায়ুর ভেতরে ব্যবহারের জন্য একটি জিনিস যা জন্মনিয়ন্ত্রণ করে। অনেক উন্নত ধরণের আই ইউ ডি পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে। বর্তমানে কপার-টি সবচাইতে জনপ্রিয়।
সুবিধা
১.ব্যবহার করা সহজ।
২.প্রতিদিন মনে করতে হয় না।
৩. যৌন সঙ্গমে বাধা সৃষ্টি করে না।
৪. বুকের দুধ কমে না।
৫. যে কোন সময় খুলে ফেলা যায়।
৬. খুলে ফেলার পর গর্ভধারনের ক্ষমতা ফিরে আসে।
৭. কম খরচে বহুদিন জন্মনিরোধ করা যায়।
অসুবিধা
সুতা পরীক্ষা করতে হয়।
কার্যকারীতা
খুব বেশী কার্যকরী(৯৪-৯৮%) একটি সহজ ও দীর্ঘমেয়াদী অস্থায়ী পদ্ধতি।
নরপ্ল্যান্টের কার্যপদ্ধতি, সুবিধা, অসুবিধা, কার্যকারীতা
বর্তমানে এক প্রকার ৬টি ক্যাপসূলে ১ ডোজ পাওয়া যায়।
কার্যপদ্ধতি
এই পদ্ধতিতে ছয়টি ছোট ছোট নরম চিকন ক্যাপসূল (দেয়াশলাই-এর কাঠির চেয়ে ছোট) মহিলাদের হাতের কনুইয়ের উপরে ভিতরের দিকে চামড়ার নিচে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
সুবিধা
১.পদ্ধতিটি ৫ বছরের জন্য কার্যকর
২.পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম
৩.যে কোন সময় ডাক্তারের কাছে গিয়ে খোলা যায়
অসুবিধা
১.নিয়মিত মাসিক না হওয়া বা অনেকদিন বন্ধ থাক।
২. মাসিক বন্ধ হলে গর্ভসঞ্চার হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।
৩.মাসিকের সময় রক্তস্রাব বেশী হতে পারে।
৪.দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে ফোঁটা ফোঁটা রক্তস্রাব হতে পারে।
৫.মাথা ব্যথা।
৬.ওজন বেড়ে যাওয়া।
৭.মন বিষন্ন থাকা।
৮.মুখে বা শরীরে মেছতার দাগ থাকলে বেড়ে যেতে পারে এবং মুখে লোম দেখা দিতে পারে।
কার্যকারীতা
এটি একটি সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি।
পুরুষ বন্ধ্যাকরণ বা ভ্যাসেকটমির সুবিধা, অসুবিধা ও কার্যকরীতা
ভ্যাসেকটমি বা পুরুষ বন্ধ্যাকরণ পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রণের স্থায়ী পদ্ধতি। এতে শুক্রকীটবাহী নালী দুটির কিছু অংশ বেঁধে কেটে দেয়া হয়।
সুবিধা
১.অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের ভয় না থাকায় সহবাসে আনন্দ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
২. তেমন কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।
৩.আর কোন পদ্ধতি গ্রহণের ঝামেলা থাকে না।
অসুবিধা
যেহেতু স্থায়ী পদ্ধতি পরবর্তীতে সন্তান চাইলেও তা প্রায় অসম্ভব।
কার্যকরীতা
স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। প্রায় ১০০% ভাগ কার্যকরী।
নারী বন্ধ্যাকরণ-টিউবেকটমি/লাইগেশন
খুব ছোট অপারেশনের মাধ্যমে মহিলারে প্রজনন ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করাই হচ্ছে ডিম্ববাহী নালী। জরায়ুর দুই ধারে দুটি ডিম্ববাহী নালী থাকে। সেই নালী দুটির কিছুটা অংশ বেঁধে কেটে দেয়াকে লাইগেশন বলে।
কার্যপদ্ধতি
ডিম্বাশয় থেকে ডিম্ব বের হয়ে শুক্রানুর সাথে মিলিত হতে পারে না। ফলে গর্ভসঞ্চার হয় না।
সুবিধা
অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের ভয় না থাকায় সহবাসে আনন্দ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তেমন কোন পাশ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই। আর কোন পদ্ধতি গ্রহণের ঝামেলা থাকে না। গর্ভবতী হলে মৃত্যুঝুঁকি আছে এমন নারীর জন্য খুবই প্রযোজ্য। আর সন্তান না চাইলে এই অপারেশন খুবই ভাল
অসুবিধা
যেহেতু স্থায়ী পদ্ধতি পরবর্তীতে সন্তান ধারণ করতে চাইলেও তা সম্ভব নয়। অপারেশনের পর একরাত হাসপাতাল অথবা ক্লিনিকে থাকতে হয়।
কার্যকরীতা
স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। প্রায় ১০০% ভাগ কার্যকরী।
পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি সেবা প্রাপ্তির জন্য যোগাযোগ
o পরিবার পরিকল্পনা কর্মী
o স্বাস্থ্য কর্মী
o স্যাটেলাইট ক্লিনিক
o ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র
o মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
o উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
o জেলা হাসপাতাল
o বেসরকারী ক্লিনিক
সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন.১.জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তর. জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতিকে দুইভাগে ভাগ করা যায়। ১. সনাতন পদ্ধতি ২. আধুনিক পদ্ধতি।
প্রশ্ন.২.খাবার বড়ির সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি কি?
উত্তর.
সুবিধা:
• অতিরিক্ত সতর্কতা ছাড়া যৌন সহবাস করা যায়।
• মাসিক নিয়মিত হয়।
• মাসিকের রক্তস্রাব কম হয়। মাসিকের ব্যথা থাকলে তা কমে যায়।
• নিয়মিত বড়ি খাওয়ার ফলে অনেক মহিলার স্বাস্থ্য ভাল হয়।
• আয়রন বড়ির জন্য রক্তস্বল্পতা কম হয়।
• ডিম্বাশয় ও জরাযু ঝিল্লি¬তে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। পি.আই.ডি(পেলভিসের সংক্রমণ ) কম হয়।
• বড়ি খাওয়া বন্ধ করলে গর্ভধারণ করা যায়।
অসুবিধা:
• প্রতিদিন মনে করে খেতে হয়।
• যারা ধুমপান করে তাদের বেশী জটিলতা দেখা দেয়।
• টিউমার বা জন্ডিস থাকলে ব্যবহার করা যাবেনা। মাসিকের পরিবর্তন ঘটতে পারে।
• ওজন বেড়ে যেতে পারে।
• মেজাজ খিটখিটে হওয়া।
• পদ্ধতি বন্ধ করে দেওয়ার পর গর্ভধারণে দেরী হতে পারে।
• এইচঅইভি/এইডস প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা নাই।
প্রশ্ন.৩.জন্ম নিয়ন্ত্রনের স্থায়ী পদ্ধতি গুলো কি?
উত্তর. জন্ম নিয়ন্ত্রনের স্থায়ী পদ্ধতি গুলো হলো:
১. পুরুষ বন্ধ্যাকরণ- ভ্যাসেকটমী
২. নারী বন্ধ্যাকরণ- টিউবেকটমি বা লাইগেশন
প্রশ্ন.৪. কপার টির সুবিধা গুলো কি?
উত্তর.
১.ব্যবহার করা সহজ।
২.প্রতিদিন মনে করতে হয় না।
৩.যৌন সঙ্গমে বাধা সৃষ্টি করে না।
৪. বুকের দুধ কমে না।
৫. যে কোন সময় খুলে ফেলা যায়।
৬. খুলে ফেলার পর গর্ভধারনের ক্ষমতা ফিরে আসে।
৭.কম খরচে বহুদিন জন্মনিরোধ করা যায়।
সূত্র: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর

টিভি/মনিটর থেকে চোখ জ্বালা-পোড়ায় করণীয়

বর্তমানে ‘চোখ জ্বলা-পোড়া’ একটা সাধারণ সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। বিশেষ করে যারা কম্পিউটার আর টিভির পর্দায় প্রতিনিয়ত চোখ রাখেন তাদের জন্য একটি বড় সমস্যা। চোখ জ্বালার সঙ্গে থাকে অস্পষ্ট দেখা, লাল অথবা শুষ্ক চোখ, মাথাব্যথা এবং ঘাড় ও পিঠ ব্যথা। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর নাম কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম বা সিভিএস, যা আপনাকে ধীরে ধীরে অসুস্থ করে তুলতে পারে। এই অসুস্থতা দূর করতে আপনাকে কিছু অভ্যাস আয়ত্ব করতে হবে।
• বেশি বেশি চোখের পাতা ফেলুন। প্রতি বিশ সেকেন্ড পর একবার। মাঝে মধ্যে তাকান ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে।

• মাঝে মাঝে কম্পিউটার স্ক্রিনকে ‘হাই ফাইভ’ দিন। যদি খুব সহজে পারেন তবে জেনে নিন আপনি খুব কাছে বসেছেন। এবার একটু সরে বসুন।
• রাত জেগে কম্পিউটারে কাজ করবেন না। যদি কাজ করেনও পাশে অন্য কিছু যেমন টেবিল ল্যাম্প জ্বালিয়ে নিতে পারেন।
• মোবাইল ফোনের স্ক্রিন চোখের খুব কাছে আনবেন না।
• কম্পিউটারে বসার কিছু নিয়ম মেনে চলুন।
• স্ক্রিনের আলো পারিপার্শ্বিক আলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখুন। যেন খুব বেশি উজ্জ্বল না হয়।
• পিঠ সোজা চেয়ারে বসুন।
• মনিটর অবশ্যই চোখের সমান্তরালে অথবা নিচে থাকতে হবে।
• হাত সোজা করলে যে দূরত্ব হয় অন্তত সে দূরত্ব হতে হবে চোখের সঙ্গে মনিটরের।
• দৃশ্যমান কোণ হতে হবে ৩০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি।
• দিনে ৫-৭ বার চোখে পরিস্কার পানির ঝাপটা দিন।
দেখুন কম্পিউটারে বসার স্বাস্থসম্মত উপায়:

প্রতিবন্ধী সন্তানজন্ম প্রতিরোধে যুগান্তকারী আবিষ্কার

চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি মানুষকে জীবনের নানা প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তির পথ দেখাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন এক আবিস্কার চিকিৎসা জগতে নতুন এক সম্ভাবনার দরজা খুলে দিতে যাচ্ছে। যেসব বাবা-মায়ের প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি, তাদের জন্য তৈরী হয়েছে নতুন এক আশার আলো। বিজ্ঞানীরা বলছেন প্রতিবান্ধী সন্তান হওয়ার পেছনে বাবা-মায়ের যেসব ঝুঁকিপূর্ণ জিন দায়ী সেখানে তৃতীয় এক ব্যক্তির দান করা সুস্থ জিন ভ্রূণের শরীরে প্রতিস্থাপন করে সেই প্রতিবন্ধিত্ব কাটিয়ে তোলা সম্ভব। শুধু তাই নয়, একবার সুস্থ জিন প্রতিস্থাপন করা হলে বংশ পরম্পরায় সেই পরিবর্তনের সুফল ধরে রাখা সম্ভব হবে বলে তারা বলছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অরিগন হেলথ্ অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটির ডঃ শুখরাত মিতালিপফ ব্যাখ্যা করেছেন ”মায়ের শরীর থেকে বিশেষ করে তার ডিম্বানু থেকে পরিবর্তিত ডিএনএ বহনকারী জিন ভ্রূণের মধ্যে সঞ্চালিত হয়। কাজেই কোনো পরিবারে মহিলার শরীরে যদি এধরনের রোগবাহী জিন থাকে তা শিশুর শরীরে ঢোকার এবং এর থেকে ওই শিশুর মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা পূর্ণমাত্রায় থাকে। কাজেই ওই দম্পতি যদি সুস্থ ও রোগের আশঙ্কামুক্ত শিশুর জন্ম দিতে চায়- এই পদ্ধতি সেক্ষেত্রে কার্যকর হবে। আমরা যেভাবে এটা করছি সেটা হল ওই মহিলার একটা ডিম আমরা বের করে নিচ্ছি- তার থেকে রোগবাহী জিনটি বের করে ফেলছি। এবং সেখানে নতুন যে জিনটি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হচ্ছে – সেটি আসছে অন্য এক মহিলার দান করা ডিম থেকে।”
এই পদ্ধতিতে একজন সন্তান জন্মের জন্য প্রয়োজন হচ্ছে তিন ব্যক্তির – বাবা মা এবং তৃতীয় এক মহিলার।

এই প্রক্রিয়ায় তৃতীয় ব্যক্তি অর্থাৎ দাতা মহিলা শুধু সুস্থ ও রোগমুক্ত একটি মাইটোকন্ড্রিয়া দিচ্ছে। কারণ বিকল মাইটোকন্ড্রিয়াই বিভিন্নধরনের প্রতিবন্ধিত্বের কারণ হয়। মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের মধ্যে শক্তি তৈরি করে- কোষ কীভাবে কাজ করবে তা নির্ধারণ করে। তার ওপরই নির্ভর করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ বা কলা ঠিকমত কাজ করবে কি না। আমাদের মুখচোখ কেমন দেখতে হবে বা আমাদের আচরণ কেমন হবে তা মাইটোকন্ড্রিয়া ঠিক করে না। বাবা-মায়ের যে জিন শিশুর পরিচয়ের মূল বাহক এই পদ্ধতি তার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।

আইভিএফ পদ্ধতি ব্যবহার করে এভাবে শিশুজন্মের বিষয়টি আইনানুগ করতে ব্রিটিশ সরকার এখন উদ্যোগী হয়েছে এবং এ ব্যাপারে আইন পাশ হলে ব্রিটেনই হবে প্রথম দেশ যেখানে এই পদ্ধতিতে সন্তানজন্ম সম্ভব হবে।

এই আবিষ্কার পৃথিবীর বহু অনাগত শিশুকে প্রতিবন্ধীত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেবে আমরাও এমনটি আশা করছি।

ওজন বাড়াতে চাই-2

মানুষ অভ্যাসের দাস। এই অভ্যাসটিকে যদি খানিকটা পরিবর্তন করতে পারেন তাহলে জীবনে অনেক কিছুই অর্জন করা সম্ভব। যারা ওজন বাড়াতে চান তারা এই পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারেন। তবে ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে যে বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে তা হলো লাগামহীন ভাবে ওজন বাড়তে দেয়া যাবেনা। প্রথম দিকে হয়তো কম বাড়বে কিন্তু পরবর্তীতে তা লাগামহীন হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। গত পর্বের ধারাবাহিকতায় আসুন দেখি আজ কি আছে।

ওজন বাড়াতে অভ্যাস পরিবর্তন


যাদের এজন কম তাদের বেশিরভাগের মধ্যে দেখা যায় খাবার ঠিকমতো চিবিয়ে খান না। খাবার ঠিকমতো না চিবালে হজমও ভাল হয় না। আর হজম ভাল না হলে পুষ্টি ঠিক মতো কাজে লাগে না।
যারা খাবারের পর অত্যাধিক পানিয় যেমন চা কফি পান করেন তাদের অনেক প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান যেমন লৌহ শোষন ব্যহত হয়। এজন্য খাবারের পর অতিরিক্ত পানিয় এমনকি সাধারণ পানি কম পান করা উচিত।

রান্না করতে হবে ভাল করে। মনে রাখবেন সুস্বাদু খাবার বা তৃপ্তি নিয়ে আমরা যে খাবার খাই, তা শরীরে বেশি কাজে লাগে। এর জন্য খাবারের সাথে বিভিন্ন রকম ফল এবং সবজি দিয়ে সালাদ বা চাটনি খেতে পারেন।
কিছু বদঅভ্যাস আছে, যেগুলো কাজে লাগিয়ে আমরা ওজন বাড়াতে পারি।

যেমন:
- টিভি দেখার সময় খাওয়া
- একই খাবার দিয়ে দিনের শুরু এবং শেষ করা
- প্লেটের সবটুকু খেয়ে শেষ করে ফেলা।
- যাত্রাপথে খাওয়া।

ওজন বাড়াতে সাপ্লিমেন্ট ওষুধ


কিছু ফুড সাপ্লিমেন্ট আছে যেগুলো ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন কিছু ভিটামিন এবং মিনারেল, হেলথ্‌ ড্রিংক ইত্যাদি। আপনার শরীরের ঘাটতির কথা চিন্তা করে এগুলো গ্রহন করলে উপকার পাওয়া যায়। তবে অপ্রয়োজনীয় ভাবে এগুলো গ্রহনে ক্ষতির সম্ভাবনা আছে। এ জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এগুলো ব্যবহার করা উচিত।

স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বাছাই করা


প্রচুর পরিমাণ স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খেতে হবে। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বলতে ডিমের কুসুম, প্রাণিজ ফ্যাট, নারকেল দুধ, কলা অর্থাৎ পুষ্টিকর যেসব খাবারের সাথে ফ্যাট পাওয়া যায়।

ওজন বাড়াতে খাবার যেমন হওয়া উচিত

বর্তমান সময়ে ওজন কমানো অন্যতম একটি আলোচিত বিষয় । নানা পরামর্শ আর নিয়মকানুন এর পসরা সাজিয়ে মানুষ ওজন কমাতে কতো কিই না করছে। তবে ওজন কমানো নিয়ে যেমন অনেকের মাথা ব্যাথা তেমনি ওজন বাড়ানোও অনেকের মাথাব্যাথার কারণ। অনেককেই অভিযোগ করতে শোনা যায় বেশি খাচ্ছে তারপরও ওজন বাড়ছেনা। শরীর রুগ্নই রয়ে যাচ্ছে। যদিও মানুষের ওজন বাড়া বা কমার বিষয়ে জিনগত (বংশগতি) কিছু ব্যপার রয়েছে, তারপরও খাদ্যাভ্যাসও সমান গুরুত্ব বহন করে। খাদ্যাভাস কেমন হওয়া চাই তাদের জন্য যারা ওজন বাড়াতে চান এ সম্পর্কে ডা: কামরুল ইসলাম বলেন, আসলে আমাদের দৈনন্দিন খাবর তালিকাটা এরকম যে কোন একপ্রকার খাবারের প্রধান্য বেশি থাকে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সব কিছু যদি অল্প অল্প করে রাখা যায় তাহলে প্রকৃত অর্থে সুস্বাস্থ্য অর্জন করা কিছুটা হলেও স্বম্ভব হবে। দেখা যাক খাবার তালিকাটা কেমন হবে।

৩ বেলা খাবারের সাথে বাড়তি দুটি নাস্তা:

এজন্য তিনবেলাই খাবারটা একটু ভারি হতে হবে। সাথে দুটি নাস্তা, হতে পারে নুডুলস্‌ কিংবা ফ্রেঞ্চফ্রাই।

নজর দিন খাবারের পুষ্টির দিকে:

ওজন বাড়াতে হলে যে আপনাকে হাই ফ্যাটের খাবার খেতে হবে এমন কোন কথা নেই। খাদ্য তালিকা এমন হওয়া চাই যাতে প্রয়োজনীয় পুষ্টির সাথে সাথে প্রচুর ক্যালরিও পাওয়া যায়। আপনি নিরাপদে নিচে উল্লেখিত খাবারগুলো বেছে নিতে পারেন

পানীয়: প্রতিদিন আমরা যে ধরনের পানীয় পান করি এগুলোর সাথে একটু প্রোটিন যোগ করুন। মৌসুমী ফলের জুস অথবা মিল্কশেক জাতীয় পানীয় পান করতে পারেন। সোডা জাতীয় বিভিন্ন কোমল পানীয় বর্জন করুন।

রুটি: অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর ফাইবার সমৃদ্ধ একটি খাবার হলো রুটি। আটার রুটি, পাউরুটি কিংবা বন খেতে পারেন মাখন, জ্যাম, মধু বা পনিরের সাথে। এতে আপনার শর্করার চাহিদা পুরণের পাশাপাশি বাড়তি প্রোটিন এবং ক্যালরি পাবেন।

শাক-সব্জি: এমন শাক-সব্জি খেতে হবে যেগুলোয় শর্করার পরিমান একটু বেশি। যেমন আলু, মটরশুটি, ভুট্টা, গাজর ইত্যাদি। এড়িয়ে চলতে হবে সেসব সব্জি যেগুলোয় পানির পরিমান বেশি। যেমন ফুলকপি, ব্রুকলি, শশা ইত্যাদি।

ফল: এক্ষেত্রেও বেশি পানি জাতীয় ফল যেমন কমলা, পাম, আঙ্গুর, তরমুজ, বাঙ্গি এগুলো এড়িয়ে কম পানি সমৃদ্ধ ফল যেমন কলা, আপেল, আনারস, শুষ্ক ফল ইত্যাদি খেতে হবে।

স্যুপ: ঘন করে স্যুপ তৈরী করে বেশি করে মাংস, সব্জি যোগ করে নাস্তা হিসাবে খেতে হবে।

তেল: খাবারে থাকতে হবে যথেষ্ট পরিমান তেল। অলিভ অয়েল, পাম, সানফ্লাওয়ার কিংবা সয়াবিন যাই খাবেন বিশুদ্ধটাই খেতে হবে। পোড়া তেল এড়িয়ে চলতে হবে।

বেশি ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার: অনেক খাবার আছে যেগুলো খুব ভাল ক্যালরি যোগান দেয়। যেমন টোস্ট, পনির, ক্র্যাকারস্‌ বিস্কুট, ক্রিম, মেয়োনিজ ইত্যাদি।

সাপ্লিমেন্ট: কিছু ফুড সাপ্লিমেন্ট আছে যেগুলো ওজন বাড়াতে খুবই কার্যকরী। তবে এগুলো তখনই খাওয়া যাবে যদি আপনার এমন কোন রোগ থাকে যা আপনার ওজন বৃদ্ধিতে বাধা। তবে ডাক্তারের পরামর্শ এবং প্রকৃত রোগনির্নয় ছাড়া এগুলো খাওয়া ঠিক নয়।

ট্রান্সফ্যাট বর্জন করুন: ট্রান্সফ্যাট হচ্ছে নেই ধরণের ফ্যাট যা প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলোতে থাকে। এই ধরণের ফ্যাট আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি করে না, শুধু মেদ-ভুরির পরিমাণই বৃদ্ধি করে। এধরনের খাবার যেমন ফাস্ট ফুড, স্ন্যাকস্‌, প্রক্রিয়াজাত মাংস জাতীয় খাবার ইত্যাদি।

বেশি করে প্রোটিন খান: প্রোটিনের অভাবে শরীরের ওজন কমে যায় এবং শরীরের জমাকৃত ক্যালরিও খরচ হয়ে যায়। কিছু হাই প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন সয়া প্রোটিন, চিনা-বাদাম, মাখন, কাবাব, মুরগীর মাংস, বড় মাছ ইত্যাদি বেছে নিতে পারেন।

গরমেও থাকুন সজীব

এখন বসন্তের মাঝামাঝি হলেও আর কদিন পর যে গ্রীষ্মের দাবদাহ তা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যাচ্ছে। চারপাশের ভ্যাপসা গরমে ত্বকের স্বভাবিক সতেজতার নাজেহাল অবস্থা হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও স্বস্তি অনুভব করতে পারেন যদি কিছু বিষয় মেনে চলতে পারেন। তীব্র গরমেও নিজেকে সতেজ রাখার কিছু পদ্ধতি আসুন জেনে নিই।

প্রথমেই প্রচুর পানি পান করতে হবে। বাইরে বের হওয়ার আগে ব্যাগে একটি পানির বোতল নিয়ে বের হবেন। এতে ডিহাইড্রেশন খেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া যাবে।

মৌসুমী ফল যেমন তরমুজ, বাঙ্গি, আনারস ইত্যাদি খেতে হবে। এগুলো আপনার শরীরে যেমন শক্তি যোগাবে তেমনি সারাদিনের ধকল পূরনে সাহায্য করবে।

পোষাক হতে হবে হালকা রঙের। কারণ গাঢ় রঙের পোষাক বেশি তাপ টানে।

যথাসম্ভব মাংস জাতীয় খাবার এড়িয়ে মাছ এবং শাক-সবজি বেশি খেতে হবে।

রোদ থেকে ত্বক বাঁচাতে হালকা গড়নের ছাতা ও সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

বাইরে থেকে এসে তোয়ালে দিয়ে ঘাম মুছে তারপর ফ্যানের নিচে বসুন।

দিনে একাধিকবার গোসল না করে, ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুছুন।

প্রখর রোদ থেকে এসে মুখে এবং হাতে বরফের টুকরা ঘষুন।

গরম থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলতে পারলে আপনার শরীরের সাথে সাথে মনটাও প্রফুল্ল থাকবে। যেহেতু ঘরের ছোট এবং বয়স্করা নিজে নিজে এগুলো মেনে চলতে পারেনা তাই তাদেরকে এক্ষেত্রে সাহায্য করুন।

স্মার্ট হওয়ার ৩টি অভ্যাস

ছবিটি দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। উপরের পদ্ধতি ছাড়াও নিজেকে স্মার্ট করার আরো অনেক সহজ পদ্ধতি আছে।

নিজেকে স্মার্ট এবং বুদ্ধিদিপ্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় লুকায়িত আছে কিছু ভাল অভ্যাস এর মধ্যে, যা আপনার মননশীলতাকে নিয়ে যাবে অন্য এক স্তরে। আমরা সবাই চাই স্মৃতিশক্তি এবং সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করতে। আপনি জানেন কি এটা কি করে সম্ভব? হ্যাঁ, উত্তরটা খুব সহজ। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো প্রত্যহিক জীবনে নিচের তিনটি অভ্যাসকে যোগ করুন এবং ফলাফল নিজেই টের পাবেন।

পর্যাপ্ত ঘুমান

ঘুম পুরো শরীরের জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম স্বাস্থকর মস্তিষ্কের পূর্বশর্ত। যদি সৃজনশীল মন অথবা প্রখর স্মৃতিশক্তি পেতে চান, তবে রাতে একটি ভাল ঘুম দিন।
আমরা প্রায়শই শুনে থাকি ঘুম মানেই সময় নষ্ট করা। এজন্য কাজের চাপে দুই তিন ঘন্টার ঘুম বিসর্জন দেয়া আমাদের পক্ষে কোন ব্যপারই না। আপনি চারঘন্টা নাকি পাঁচঘন্টা ঘুমাবেন সেটা বড় কথা নয়, বরং এটাই গুরুত্বপূর্ণ যে আপনার শরীর এবং মস্তিষ্কের জন্য কতটুকু ঘুম দরকার।
কেউ কেউ ৬ ঘন্টা ঘুমিয়ে প্রশান্তিবোধ করে, আবার কারো ৯ ঘন্টা দরকার। তবে ৯ ঘন্টার বেশি কোনক্রমেই নয়। গবেষণায় দেখা গেছে ৬ ঘন্টার কম ঘুম বেশিরভাগ মানুষেরই শরীরের চাহিদা পূরণ করতে পারে না। অর্থাৎ ৬-৯ ঘন্টার মধ্যেই ঘুম হওয়া উত্তম।
এখন প্রশ্ন হলো ঘুম কেন এতো প্রয়োজন? আসলে আমরা জানি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যক্রম ঠিক রাখতে ঘুম প্রয়োজন। বর্তমানে গবেষণায় এও উঠে এসেছে যে, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে মস্তিষ্কের অনেক কোষ ধ্বংস হয়ে যায়। বিষয়টি কিন্তু সাংঘাতিক!

ব্রেইনকে দিন সঠিক পুষ্টি

সুষম খাদ্য আমাদের প্রয়োজন, কিন্তু এর মানে এই নয় যে আপনার ব্রেইনও সঠিক পুষ্টি পাচ্ছে। আপনি কি নিশ্চিত যে আপনার মানসিক শক্তি বিকশিত করার জন্য আপনি সঠিক খাবারটি খাচ্ছেন? আপনার হয়তো সুঠাম-সুগঠিত দেহ থাকতে পারে, কিন্তু তারপরও আপনার ব্রেইনে পুষ্টির অভাব হতে পারে।
আপনি কি ব্রেইনের গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যথেষ্ট পরিমাণ পাচ্ছেন? বিভ্রান্ত হবার কিছু নেই, আমি জানতে চাচ্ছি আপনি কি সেইসব খাবার খাচ্ছেন যেগুলোতে ওমেগা-৩ আছে যেমন, কাঠ বাদাম, সয়াবিন, মাছের তেল ইত্যাদি।
সম্পৃক্ত ফ্যাট এবং উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাদ্য যেমন, ফাস্ট ফুড, ভাঁজা-পোড়া ইত্যাদি বর্জন করুন। এইসব খাদ্য ব্রেইনের কার্যক্ষমতা হ্রাস করে।

নতুন নতুন জিনিস শেখার চেষ্টা করুন

নতুন কিছু শিখলে আপনার বুদ্ধি এবং স্মার্টনেস্‌ দুটোই বাড়ে। এটা শুধু আপনার জ্ঞানকেই সমৃদ্ধ করেনা, এটা আপনার মানসিক শক্তিও বৃদ্ধি করে। আপনি যতো বেশি শিখবেন, আপনার মস্তিষ্কের চর্চাও ততো বেশি হবে এবং এর কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।
আপনি কি শিখছেন তা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপনার যদি বই পড়তে ভাল না লাগে, তাহলে তা পড়ার দরকার নেই। আপনি বিভিন্ন নিবন্ধ পড়ে বা টিভি/ভিডিও দেখেও অনেক তথ্য পেতে পারেন। আপনি বাইরে ঘুরে বেড়াতে পারেন। অথবা কারো সাথে আলাপ করেও অনেক কিছু শিখতে পারেন। আসলে শেখার মাধ্যম অনেক এবং এটি সম্পূর্ণ আপনার ওপর নির্ভর করে যে কিভাবে আপনি নিজের চিন্তাশক্তি কাজে লাগিয়ে শিখবেন।

ভাল থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।

জিরো ফিগার — কতদূর?

আসলে এ কথার জবাব দেয়াটা একটু কঠিন। বর্তমান সময়ে জিরো ফিগার কথাটার সাথে আমরা সুপরিচিত। হলিউড কিংবা বলিউডের নায়িকা এবং মডেলরা এই কাংখিত লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য কত কসরতই না করছেন। অনেকে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিয়ে রীতিমতো মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়ছেন এমন খবরও অহরহই শোনা যায়।
জিরো ফিগার বা যাই হোক স্বাস্থ্যকর একটি স্লিম শরীরই আমাদের কাম্য হওয়া উচিত, তা না হলে অসুস্থ্ শরীর নিয়ে ভুগতে হতে পারে।
আমাদের লাইফস্টাইল এবং খাবারের ধরণ পরিবর্তন করলে কাংখিত স্লিম ফিগার অবশ্যই অর্জন করা সম্ভব।
নিচের টিপসগুলো থেকে সাহায্য নিতে পারেন:

# প্রথমেই আপনার মনকে শক্ত করতে হবে।

# ভাজাপোড়া, মিষ্টি ও কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার প্রায় বন্ধ করে দিতে হবে।

# প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন।

# ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করুন।

# ১৫ মিনিট পর এক কাপ চিনি ছাড়া চা পান করুন। সাথে এক-দুটি টোস্ট বা বিস্কুট খেতে পারেন।

# চা পানের এক ঘন্টা পর সকালের নাশতা করুন। সকালের নাশতায় দু-তিনটি রুটি, একটি ডিম, সবজি ও সালাদ রাখুন।

# দুপুরের ও সকালের খাবারের মাঝে ফল যেমন­ আপেল, পেয়ারা, কমলা ইত্যাদি খেতে পারেন।

# শুধু দুপুরে একটু ভাত খাবেন। মধ্যাহ্নভোজে এক থেকে দেড় কাপ ভাত, এক কাপ ডাল, সবজি, এক টুকরো মাছ বা গোশতসহ ঝোল তরকারি ও সালাদ রাখুন।

# রাতে আবার দু-তিনটি রুটি, সবজি, এক কাপ ডাল ও এক টুকরো মাছ বা গোশত খাবেন। সাথে এক কাপ দুধ রাখতে পারেন।

# ওপরের খাদ্যাভ্যাসগুলো ছাড়া প্রতিদিন অবশ্যই আধঘন্টা থেকে এক ঘন্টা হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এভাবে যদি প্রতিদিন ওপরের অভ্যাসগুলো মেনে চলতে পারেন তবে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে আপনি স্লিম হতে পারবেন।

নখ পরিচর্যায় ৮টি টিপস্‌

রূপচর্চায় আমরা কতো কিছুই না করি। কিন্তু নখ আমাদের সৌন্দর্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলেও নখের যত্ন আমাদের তেমন একটা ভাবায় না। আমরা মনে করি বাহারি রঙের নেইলপলিশে নখকে রাঙিয়ে নিলেই যথেষ্ট। কিন্তু এই নেইলপলিশের নিচে নখের স্বাস্থ্য কেমন আছে তা হয়তো আমরা অনুধাবণ করি না। ঠিক মতো নখের যত্ন না নিলে তা পাতলা হয়ে ভেঙে যেতে পারে কিংবা ফাংগাস/ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ঘটতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুকি। আসুন নখের পরিচর্যায় কিছু টিপস্‌ মেনে চলি।

নখ সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখবেন। নখ ভেজা থাকলে নখের ভেতর ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাশ জন্মাতে পারে। এ থেকে ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

বাড়িতেই নিয়মিত মেনিকিউর করে নিতে পারেন। মেনিকিউর ক্লিপার বা কাটার দিয়ে নিয়মিত নখ কেটে নেইল ফাইলার দিয়ে শেপ করে নিন। নখ কাটার আগে ঈষদুষ্ণ পানিতে নখ কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। ভেজা নখ নরম থাকে, ফলে কাটতেও সুবিধা হয় এবং নখের কোনো ক্ষতিও হয় না।

অনেক সময় বিভিন্ন কারণে নখ ভেঙে যায়। কোনো কারণে নখ ভেঙে গেলে কখনই টেনে ছিঁড়বেন না। টেনে ছিঁড়লে ব্যথা তো লাগবেই, সেই সঙ্গে নখের শেপও নষ্ট হয়ে যাবে। ভাঙা নখ সাবধানে নেইল কাটার দিয়ে কেটে ফেলতে হবে।

সবসময় নেইলপলিশ ব্যবহার না করাই ভালো। এতে নখের স্বভাবিক রং নষ্ট হয়ে যায়। দু-সপ্তাহ অন্তর নেইল পলিশ ফেলে কয়েকদিন নখ এমনই রেখে দিন। এতে নখে আলো-হাওয়া লাগে, যা নখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

দাঁত দিয়ে নখ কাটা অথবা নখের চারপাশের চামড়া কাটার বদ অভ্যাস যত তাড়াতাড়ি ছাড়তে পারবেন ততই ভালো।

প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পেট্রোলিয়াম জেলি অথবা ময়েশ্চারাইজার দিয়ে নখ ম্যাসাজ করা ভালো।

নেইল পলিশ রিমুভার যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন। বেশি রিমুভার ব্যবহার করলে নখের ন্যাচারাল ময়েশ্চার নষ্ট হয়ে যায় এবং নখ শুষ্ক হয়ে যায়। সপ্তাহে একবারের বেশি রিমুভার ব্যবহার না করাই ভালো।

সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজিং হ্যান্ড ক্রিম অথবা লোশন লাগিয়ে নেবেন। সাবান হাতের ত্বকের পাশাপাশি নখের ময়েশ্চারও নষ্ট করে দেয়।

তৈরী করুন ন্যাচারাল স্ক্রাব

ত্বকের ডেড সেল এবং এর গভীরে জমে থাকা ময়লা দূর করতে বাজারে নানা রকমের স্ক্রাব পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি চাইলে হাতের কাছের প্রাকৃতিক কিছু উপাদান দিয়ে ঘরে বসেই স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। মুখের ত্বক যেহেতু খুব স্পর্শকাতর তাই পাউডার ধরনের স্ক্রাবই বেছে নেয়া উত্তম।

আর কথা না বাড়িয়ে দেখে নিই কিছু প্রাকৃতিক স্ক্রাব।

• বেসন অথবা ময়দার সাথে একটু পানি মিশিয়ে মুখের স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

• হাত, পা, গলা এবং ঘাড়ে স্ক্রাব হিসাবে চালের গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন। এটা দানাদার বলে মৃত কোষগুলোকে খুব ভালোভাবে পরিস্কার করে।

• চালের গুঁড়ার সঙ্গে গাজরের রস মিশিয়ে স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।

• কাঁচা হলুদের রসও ত্বক ও মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

• সয়াবিন গুঁড়ার সাথে তিলের তেল মিশিয়ে সারা শরীরে স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।

• সারা শরীরে ময়দার সাথে অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল মিশিয়েও খুব ভালো স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করা যায়।

এরকম তথ্য আপনার ওয়ালে পেতে লাইক দিতে ভুল্বেন না.
Please, Like, Share & Tag 4 Support our Page.

ব্রণ হলে কী করবেন আর কি করবেন না।

ব্রণ বিভিন্ন করনে হতে পারে।ব্রণ হলে কী করবেন-

* দিনে দুই-তিনবার হালকা সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোবেন।
* ব্রণে হাত লাগাবেন না।
* তেল ছাড়া অর্থাৎ ওয়াটার বেসড মেকআপ ব্যবহার করবেন।
* মাথা খুশকিমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন।
* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন এবং নিজের জন্য আলাদা তোয়ালে রাখুন।
* রাতে ঠিকমতো ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
* মানসিক চাপ পরিহার করুন।
* প্রচুর পরিমাণে ফল, সবজি খান ও প্রচুর পানি পান করুন।

ব্রণ হলে কী করবেন না-
* রোদে বেরুবেন না, রৌদ্র এড়িয়ে চলুন।
* তেলযুক্ত ক্রিম বা ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না।
* ব্রণে হাত লাগাবেন না। ব্রণ খুঁটবেন না।
* চুলে এমনভাবে তেল দেবেন না যাতে মুখটাও তেলতেলে হয়ে যায়।
* অতিরিক্ত তেল, ঘি, মশলা খাবেন না।

ব্রণের চিকিৎসা-

* সব ধরনের প্রসাধনী বর্জন করতে হবে। নখ দিয়ে ব্রণ খোঁটাখুঁটি করা যাবে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রণ আপনা-আপনি সেরে যায়।
* দিনে দুই থেকে তিনবার ফেসওয়াশ সাবান দিয়ে মুখ ধুতে হবে। অনেকে ব্রণ হলে মুখে সাবান ব্যবহার বন্ধ করে দেন অথচ এ সময়ে সাবান দিয়ে মুখ ধুলে উপকার হয়, কেননা সাবান মুখের তৈলাক্ততা দূর করে এবং লোককূপ পরিষ্কার রাখে।
* রাতে ঘুমানোর সময় ভালো করে মুখ ধুয়ে শুধু ব্রণগুলোর ওপর চিকিৎসকের পরামর্শমতো জেল লাগানো যেতে পারে। দু’একদিন জেল ব্যবহারের পর ঠিক হয়ে যায়। চুলকানি বা লাল ভাব বেশি হলে ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে।
* মাথায় খুশকি থাকলে অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করে খুশকি দূর করতে হবে। ব্রণের তীব্রতা বেশি হলে চিকিৎসকের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করতে হবে।

লাইক/কমেন্ট/শেয়ার করে পেইজে একটিভ থাকুন।
নিজে জানুন অন্যকে জানান। সুস্থ থাকুন।

ঘুম সম্পর্কিত কিছু তথ্য

০ মগজ তো রিচার্জ হয়। দেহকোষগুলোর মেরামতি হয়ে যায়। শরীর থেকে উৎসারিত হয় গুরুত্বপূর্ণ সব হরমোন।

০ বয়স ভেদে ঘুমের চাহিদা হয় ভিন্ন ভিন্ন। শিশুদের জন্য ১৬ ঘন্টা। ৩-১২ বছরের ছোটদের জন্য ১০ ঘন্টা। ১৩-১৮ বছরের কিশোর কিশোরীদের জন্য ১৩ ঘন্টা। ১৯-৫৫ বছরের লোকদের জন্য ৮ ঘন্টা।
৬৫ উর্দ্ধ মানুষের জন্য ৬ ঘন্টা।

০ পুরুষ অন্য পুরুষকে স্বপ্নে দেখে ৭০% সময়। মহিলারা পুরুষ ও মহিলা দুজনকে দেখে স্বপ্নে সমভাবে।

০ ১২% লোক স্বপ্ন দেখে কেবল সাদা কালো। তবে রঙিন টিভি আবিষ্কারের পর রঙিন স্বপ্ন দেখা বেড়ে গেছে।

০ আমরা যাদের মুখ একবার দেখেছি,তাদের মনে রাখি বা না রাখি,এদের স্বপ্নে দেখি।

০ ঘুম বৈকল্য আছে নানা রকম। প্যারাসম্নিয়া এমন এক বৈকল্য যখন না ঘুমিয়েও অনেকে করেন অস্বাভাবিক নড়ন চড়ন। এসময় অপরাধও সংঘঠিত হয় যেমন ঘুমের মধ্যে গাড়ি চালনা,খুন,ধর্ষণ,শিশুর উপর অত্যাচার।

০ স্বপ্ন দেখা স্বাভাবিক ব্যাপার। যারা সাধারণত: স্বপ্ন দেখেন না এদের ব্যক্তিত্বে বৈকল্য থাকে।

০ বিবাহিত দম্পত্তির চার জনের মধ্যে একজন ঘুমান ভিন্ন খাটে।

০ ব্রিটিশ সৈন্যরা প্রথম উদ্ভাবন করে একটানা ৩৬ ঘন্টা নিঘর্ুম কাটানোর উপায়।

০ সবচেয়ে কম সময় ঘুমায় যেসব স্তন্যপায়ী প্রাণী,যেমন- জিরাফ: দিনে ১.৫ ঘন্টা (৫-১০ মিনিটের সমান),
রোয়ে হরিণ: দিনে ৩.০৯ ঘন্টা,এশিয়াটিক হাতী: দিনে ৩.১ ঘন্টা।

০ সবচেয়ে দীর্ঘসময় ঘুমায় যেসব স্তন্যপায়ী প্রাণী,যেমন- কোয়েল: দিনে ২২ ঘন্টা,বাদামী বাদুর: ১৯.৯ ঘন্টা,প্যাংগোলিন: ১৮ ঘন্টা।

০ ডলফিনরা যখন ঘুমায়,তখন তাদের মগজের মাত্র অর্ধেক ঘুমায়। অন্য অংশ জেগে থাকে এবং চালায় শ্বাসক্রিয়ার চক্র।

০ খাদ্যে বঞ্চিত হয়ে মরার আগে ঘুমের বঞ্চিত হয়ে মৃতু্য হয়। ২ সপ্তাহ অনশনে মৃতু্য হতে পারে কিন্তু ১০ দিন নির্ঘম থাকলে মৃতু্য আসে পায়ে পায়ে।

০ অন্ধলোকও স্বপ্নে দেখে নানা প্রতিছবি। যারা জন্মান্ধ এরাও স্বপ্ন দেখে;আবেগ অনুভূতি,শব্দ,গন্ধ,স্পর্শ জনিত স্বপ্ন দেখে।
জেগে ওঠার পাঁচ মিনিটের মধ্যে স্বপ্নের ৫০% আমরা ভূলোযাই। ১০ মিনিটের মধ্যে ৯০% স্বপ্ন মিলিয়ে যায় মন থেকে।