ডিজিটাল নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস-ডিএনএ

World best Online education and Money earning informer Network from Bangladesh.

Online education and Money eran Tutorial

Easy access,Get money eran sucess.Online money earn informer site.

Entertainment for All

All in One service in our site . Just access and go,enjoy,share with others .

All type of Android and iOS Mobile Apps

Enjoyale,smooth,easy,free Android,Windows Mobile Apps download now.

Dedicate Customer care 24/7-365

Exparince Customer care.Customer servie first,Any time, any where,any question, just ask me +880-1918-388-377

Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts

Wednesday, 5 March 2014

জাফলং,সিলেট


অবস্থান: সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। সিলেট জেলা সদর হতে সড়ক পথে দুরুত্ব মাত্র ৫৬ কি.মি। সিলেট থেকে যাতায়াতঃ সিলেট থেকে আপনি বাস/ মাইক্রোবাস/ সিএনজি চালিত অটোরিক্স্রায় যেতে পারেন জাফলং এ। সময় লাগবে ১ ঘন্টা হতে ১.৩০ ঘন্টা।
প্রকৃতি কন্যা হিসাবে সারাদেশে এক নামে পরিচিত সিলেটের জাফলং।খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপলীলাভূমি। পিয়াইন নদীর তীরে স্তরে স্তরে বিছানো পাথরের স্তূপ জাফলংকে করেছেআকর্ষণীয়। সীমান্তের ওপারে ইনডিয়ান পাহাড় টিলা, ডাউকি পাহাড় থেকে অবিরামধারায় প্রবাহমান জলপ্রপাত, ঝুলন্ত ডাউকি ব্রীজ, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ হিমেলপানি,উঁচু পাহাড়ে গহিন অরণ্য ও শুনশান নিরবতার কারণে এলাকাটি পর্যটকদেরদারুণভাবে মোহাবিষ্ট করে। এসব দৃশ্যপট দেখতে প্রতিদিনই দেশী-বিদেশীপর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে। প্রকৃতি কন্যা ছাড়াও জাফলং বিউটি স্পট, পিকনিকস্পট, সৌন্দর্যের রাণী- এসব নামেও পর্যটকদের কাছে ব্যাপক পরিচিত। ভ্রমনপিয়াসীদের কাছে জাফলং এর আকর্ষণই যেন আলাদা। সিলেট ভ্রমনে এসে জাফলং নাগেলে ভ্রমনই যেন অপূর্ণ থেকে যায়।

সিলেটনগরী থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর পূর্ব দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় জাফলং এরঅবস্থান। জাফলংয়ে শীত ও বর্ষা মওসুমের সৌন্দর্যের রুপ ভিন্ন। বর্ষায় জাফলংএর রুপ লাবণ্য যেন ভিন্ন মাত্রায় ফুটে উঠে। ধূলি ধূসরিত পরিবেশ হয়ে উঠেস্বচ্ছ। স্নিগ্ধ পরিবেশে শ্বাস-নি:শ্বাসে থাকে ফুরফুরে ভাব। খাসিয়া পাহাড়েরসবুজাভ চূড়ায় তুলার মত মেঘরাজির বিচরণ এবং যখন-তখন অঝোরধারায় বৃষ্টিপাহাড়ি পথ হয়ে উঠে বিপদ সংকুল-সে যেন এক ভিন্ন শিহরণ। সেই সঙ্গে কয়েক হাজারফুট উপর থেকে নেমে আসা সফেদ ঝর্ণাধারার দৃশ্য যে কারোরই নয়ন জুড়ায়।

ইতিহাসঘেঁটে জানা যায়, হাজার বছর ধরে জাফলং ছিল খাসিয়া জৈন্তা-রাজার অধীন নির্জনবনভূমি। ১৯৫৪ সালে জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর খাসিয়া জৈন্তা রাজ্যেরঅবসান ঘটে। তারপরও বেশ কয়েক বছর জাফলংয়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পতিত পড়ে রয়েছিল।ব্যবসায়ীরা পাথরের সন্ধানে নৌ পথে জাফলং আসতে শুরু করেন। পাথর ব্যবসারপ্রসার ঘটতে থাকায় গড়ে উঠে নতুন জনবসতিও। আশির দশকে সিলেটের সাথে জাফলং এর৫৫ কিলোমিটার সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে জাফলংয়ের নয়নাভিরামসৌন্দর্যের কথা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। দেশী-বিদেশী পর্যটকদের পাশাপাশিপ্রকৃতিপ্রেমীরাও ভিড় করতে থাকেন জাফলংয়ে। জাফলং এখন দেশের সেরা পর্যটনস্পট।

Tuesday, 28 January 2014

টেলিভশন সরাসরি / এফ এম রেডিও স্টেশন


বাংলাদেশী সকল এফ এম রেডিও স্টেশন নিয়ে চালু হয়ছে ডিজিটাল ওয়েব স্টেশন।আরো আছে বাংলাদেশী , ইন্ডিয়ান , ইন্টারন্যাশনাল সকল টেলিভশন সরাসরি এখন আপনার ইন্টারনেট সংযুক্ত কম্পিউটার। একবার ঘুরে আসুন...
Online Live Television

Sunday, 12 January 2014

রাজধানীর পতিতা নেটওয়ার্ক

রাজধানীর পতিতা নেটওয়ার্ক। পতিতারাও মানুষ। কলগার্লরা পতিতালয় নির্ভর নয়। তারা চলমান এবং অদৃশ্য। দেখা যায়, কিন্তু জানা যায় না। ঢাকার কলগার্ল বিজনেস খুবই সুসংগঠিত। এ পেশাটি যারা নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের নেটওয়ার্কও শক্তিশালী। প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে এরা ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। অথচ প্রশাসন এদের বিরম্নদ্ধে কোন ব্যবস’ নেয় না। ঢাকার কলগার্লদের এই নেটওয়ার্কের একটা অংশ নিয়ন্ত্রণ করে ঢাকার এসকর্ট এজেন্সিগুলো(scort service)। আর বাকী অংশ নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে বিচ্ছিন্ন কলগার্ল এজেন্টদের মাধ্যমে।
এজেন্ট আর ক্লায়েন্টের সম্পর্কটা এখানে ত্রিভুজের মতো। ক্লায়েন্ট-কলগার্ল এবং এজেন্ট একটা সুক্ষ্ম সম্পর্কে আবদ্ধ। সমসত্ম লেনদেন হয় এজেন্টের মাধ্যমে। এজেন্ট তার নিজের কলগার্লদের এবং ক্লায়েন্টের ডিমান্ড সম্পর্কে সব সময় সচেতন থাকে। এজেন্ট টারমনোলজিতে ডিমান্ডের অর্থ হল কলগার্লটির ‘ভ্যালুয়েশন।’ অর্থাৎ কলগার্লের সৌন্দর্য, স্বাস’এবং গস্নামার ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সংযোগের মোট মূল্য (শহুরে, মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত, শিড়্গিত এবং সমাজের উঁচুতলার মানুষের সঙ্গে পরিচিত)। ‘এজেন্ট’ই অধিকাংশ সময় প্রোগ্রাম তৈরি করেন। ক্লায়েন্টের চাহিদা এবং টাকা খরচ করার ড়্গমতার উপর নির্ধারিত হয় প্রোগ্রাম কেমন হবে। একটা প্রোগ্রাম আয়োজনের ‘সময়’ এবং ‘স’ন’ সি’র হয় ক্লায়েন্ট এবং কলগার্ল উভয়ের সুবিধা মত। ঢাকার এক একজন এজেন্টের অধিনে শতাধিক কলগার্ল রয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। আবার এই পেশায় অনেক দিন আছেন এমন কলগার্লরা নিজেই এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন- এমন উদাহরণও বিরল নয়। ঢাকার ধানমন্ডি, উত্তরা, গুলশান, বনানলী, সেগুনবাগিচা এলাকায় ফ্যাট বাসা নিয়ে চলছে কলগার্ল বিজনেস। মডেল প্রোভাইডার হিসেবে পরিচিত অনেক প্রযোজক, পরিচালক এবং এক সময়ের নামি অভিনেত্রীরা এই কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন। সচারচর কোন কলগার্লের বয়স বেশি হয়ে গেলে বা চাহিদা কমে আসলে তারা তখন এজেন্ট হিসেবে কাজ শুরম্ন করেন। কথা হয় ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট নিয়ে থাকেন এমন একজন কলগার্লের সাথে। মনিকা নামের এই কলগার্ল নিজেই এখন এজেন্ট। নিজের ফ্ল্যাটেই অফিস খুলে বসেছেন। তার আন্ডারেই রয়েছে ২০ জনেরও বেশি কলগার্ল। ঢাকার বেশ কয়েকটি নামি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন মেয়েও যে তার সাথে কাজ করনে -এ কথা জানান তিনি। মনিকা জানান, এরা কখনোই নিজে কোন ক্লায়েন্টের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে প্রোগ্রামে অংশ নেয় না। কারণ হিসেবে নিজেদের গোপনীয়তা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে এমনটি বলে জানান তিনি। এ প্রতিবেদক ইডেন এবং তিতুমীর কলেজে পড়ে এমন দু’জন কলগার্লের সাথে ফোনে ব্যক্তিগত যোগাযোগ করেন। তবে দু’জনই তাদের এই গোপন অভিসারের কথা অস্বীকার করেন। এদের একজনের সেলফোন নম্বর আবার ইন্টারনেটে নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে সংরড়্গিত আছে। ওয়েব পেজে তার পরিচিতিতে কলগার্ল কথাটির সাথে আবেদনময় আহ্বান রয়েছে। ওয়েব সাইটটিতে তার ছবিও আপলোড করা। ওয়েবে থাকা স্টিল ফটোগ্রাফটি নিজের বলে স্বীকার করলেও তিনি যে কলগার্ল ধরনের কিছু নন, তা বারবার বোঝাতে চেষ্টা করেন। এই প্রতিবেদক তাকে বাংলায় প্রশ্ন করলেও চটপটে ইংরেজিতে উত্তর দেন মেয়েটি। কলগার্ল না হলে সেলফোন বন্ধ করে দিচ্ছেন না কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে সনেত্মাষজনক কোন উত্তর দিতে পারেননি তিনি।
এখানে এজেন্ট কলগার্ল সম্পর্কটা চমকে দেয়ার মতো। এজেন্টরা নিজেদের কলগার্লদের ব্যাপারে অনেক যত্নশীল। ঢাকায় এই কলগার্লরা কখনও কখনও বাইরে গিয়েও প্রোগ্রাম করেন। ডিমান্ডেবল কলগার্লদের আনত্মর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাও রয়েছে। ওয়েব সাইট ঘেঁটে দেখা যায়, এসকর্ট এজেন্সিগুলো সারা বিশ্বে একটা নেটওয়ার্ক হয়ে কাজ করে। ফলে অনেক সময় কলগার্লদের দেশের বাইরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
যেভাবে কলগার্ল :
উচ্চাকাঙড়্গা পূরণ করার সবচেয়ে সহজ হাতিয়ার হলো কলগার্ল বনে যাওয়া! টেলিভিশন ও সিনেমার পরিচালক-প্রযোজকের লোভনীয় অভিনয়ের সুযোগ বাসত্মবায়ন করতে, মডেল হওয়ার খায়েশ পূরণ করতে, সখের বসে এমনকি উচ্চবিত্ত গৃহবধূ একাকিত্ব দূর করতে তার বন্ধুর মাধ্যমে জড়িয়ে পড়ে এই ধরনের পেশায়। তবে শুধু টাকার অভাবে এই পেশায় নাম লিখিয়েছে এমনটি শোনা যায়নি। কলগার্ল সুমা (ছদ্ম নাম) জানান, তার স্বামীর অন্য সম্পর্ক ছিল। সে অনেক চেষ্টা করেও তাকে না ফেরাতে পেরে জিদের বসে নিজে এমন পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন। কলগার্লরা নেটওয়ার্কে ঢোকেন বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, সিনেমা-টেলিভিশন পরিচালক-প্রযোজক, বিউটি পার্লার, ড্যান্স স্কুল এবং অন্যান্য লোকজনের মাধ্যমে। বাড়তি রোজগারের লোভে, ভাল ক্যারিয়ারের আশায়, কারোর কাছ থেকে প্রতারিত হয়ে কিংবা স্বামীর অবহেলায় কানত্ম হয়ে, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে, নামকরা মডেল বা অভিনেত্রী হওয়ার আশায় এই শহরে গোপনে গোপনে ‘কলগার্ল’ হয়েছেন অনেকেই। এই পেশায় সিনেমা-টেলিভিশনের অভিনেত্রী থেকে শুরম্ন করে উঠতি গায়িকা, উচ্চাকাঙড়্গী মডেল ছাড়াও আছেন মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত পরিবারের বিবাহিত-অবিবাহিত মেয়েরা। এদের অনেকেই আবার সমাজে পরিচিত। অর্থাৎ তারকা হিসেবে তাদের ফেসভ্যালু রয়েছে। এসব তারকাদের যে কোন প্রোগ্রাম আয়োজনে থাকে কঠোর গোপনীয়তা। আর এড়্গেত্রে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে এজেন্ট কর্তৃপড়্গ। আর ক্লায়েন্টের তালিকায় আছেন মূলতঃ ব্যবসায়ীরা। বিদেশী ক্লায়েন্টদেরও মনোরঞ্জন করে থাকেন ঢাকার কলগার্লরা। যাদের কাঁচা টাকা ওড়াতে কোন বাধা নেই, কেবল তারাই কলগার্লদের নিয়ে মেতে ওঠেন কামনা-বাসনা চরিতার্থ করার এই জমকালো আয়োজনে। তবে সাধারণ মানুষও যে নেই, তাও নয়। তবে সে সংখ্যা একেবারেই হাতে গোণা।
কলগার্ল হওয়ার পাশাপাশি এদের অন্য একটা পরিচিতিও রয়েছে। সেই পরিচিতিই এদেরকে সমাজে আড়াল করে রাখে। কেউ স্টুডেন্ট, কেউ বিউটিশিয়ান, কেউ ম্যাসিউজ, কেউ প্রাইভেট টিউটর, কেউ বুটিক চালান, কেউ অভিনেত্রী। আছেন গৃহবধূরাও। এরা যেন চেনামুখের আড়ালে অচেনাজন।
যারা ঢাকার কলগার্ল :
দ্ব এরা কোনও নির্দিষ্ট পতিতালয় নির্ভর নন।
দ্ব এরা চলমান মহিলা যৌনকর্মী। একা বা কোন এজেন্ট দ্বারা নিজেদের পরিচালিত করেন।
দ্ব প্রত্যেকটি প্রোগ্রাম (যৌনকর্ম) আয়োজনে থাকে গভীর গোপনীয়তা। সপ্তাহে সর্বোচ্চ দুই কিংবা তিনটি প্রোগ্রামে অংশ নেন একজন কলগার্ল।
দ্ব প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয় সাধারণ হোটেল, রিসর্ট, প্রাইভেট ফ্ল্যাট ও ম্যাসেজ পার্লারে।
দ্ব এরা সকলেই শিড়্গিত এবং বাংলা-ইংরেজিতে পারদর্শী। এছাড়াও কেউ কেউ হিন্দিতেও অনর্গল কথা বলতে পারেন।
দ্ব এদের বেশিরভাগ উচ্চবিত্ত পরিবারের সদস্য। উচ্চাভিলাসী মধ্যবিত্তের সংখ্যাও কম নয়। বাইরের থেকে দেখে কোনভাবেই বোঝা যাবে না এরা কলগার্ল।
দ্ব বেশিরভাগই এ পেশার বাইরেও অন্য কাজ করে থাকেন, যেখান থেকে আয়-রোজগারও যথেষ্ট।
কাদের ডিমান্ড এখানে :
জানা যায়, ক্লায়েন্টদের কাছে কম বয়সী স্কুল এবং কলেজের মেয়েদের চাহিদা বেশি। ফলে এই সব এসকর্ট এজেন্সিগুলোর নজর থাকে ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলের সাথে সাথে স্বনাম ধন্য ঢাকার স্কুল কলেজগুলোর দিকে। এসকর্ট এজেন্টগুলো বিভিন্নভাবে ফাঁদ পেতে স্কুল-কলেজের মেয়েদের কৌশলে কলগার্লের খাতায় নাম লেখিয়ে নিচ্ছে। অর্থের লোভ দেখিয়ে নতুন নতুন মেয়েদের নেটওয়ার্কে নিয়ে আসতে পারঙ্গম এরা। তবে এরা পতিতালয়ের তথাকথিত ‘পিম্প’ বা দালালদের মতো নয়।
এসকর্ট এজেন্সি এবং কলগার্ল :
ঢাকার এসকর্ট এবং কলগার্ল এখন একে অপরের পরিপূরক শব্দ। বৈধতার সনদ দেখিয়ে এরা প্রকাশ্যে কলগার্ল বিজনেস চালিয়ে যাচ্ছে। ক্লায়েন্টদের আকৃষ্ট করতে কলগার্ল বিষয়ে যাবতীয় তথ্য, ছবি এবং কলগার্লের রেট দিয়ে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে যাবতীয় তথ্য অনলাইনে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। দেশের বাইরে থেকেও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কলগার্ল বুকিং দেয়া যায়। ভয়ঙ্কর ব্যাপার হচ্ছে- এসব ওয়েব সাইটে তরম্নণীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের কথা বলে নতুন নতুন কলগার্ল হওয়ার জন্য আহ্বান রয়েছে। সেই সাথে ক্লায়েন্ট এবং কলগার্লদের জন্য যাবতীয় নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার কথা ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ঢাকার এসকর্ট এজেন্সিগুলোর প্রত্যেকের রয়েছে নিজস্ব কলগার্ল ডেটাবেজ। ছবিসহ এসব ডেটাবেজে গ্রাহক হওয়ার মাধ্যমে প্রবেশ করা যায়। আবার সব কলগার্লের ছবি ওয়েবে থাকে না। কারণ স্টার কিংবা সেলিব্রেটি কলগার্লরা ওতটা প্রকাশ্যে প্রচার হতে রাজী হয় না। চাহিদা মতো এসকর্টের কলগার্ল পেতে কায়েন্টকে বেশ কিছু শর্ত পালন করতে হয়। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে- এসকর্ট এজেন্সিকে ক্লায়েন্টের পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর প্রদান, যোগাযোগের জন্য একটা কন্ট্যাক্ট নম্বর (মোবাইল/টেলিফোন), কোন হোটেলে এসকর্ট আয়োজন করতে চাইলে তা কমপড়্গে থ্রিস্টার হোটেল হতে হয় এবং ফ্যাটের ড়্গেত্রেও হতে হয় মানসম্মত। ওয়েব সাইট থেকে জানা যায়, ঢাকা এসকর্ট এজেন্সি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। ঢাকা ভিত্তিক এইভাবে উন্মুক্ত কলগার্ল ব্যবসাকে বৈধ বলে দাবি করেন এসকর্ট কর্তৃপড়্গ। ঢাকা এসকর্টের আজাদ এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কলগার্লের এই বিজনেস প্রফেশনালি বৈধভাবে করে থাকেন তারা। আর এ প্রতিবেদক নিজেকে একজন ক্লায়েন্ট হিসেবে পরিচয় দিলে তাদের বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস সম্পর্কে বিসত্মারিত জানিয়ে মেইল করেন। আলোচনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কলগার্লদের রেট যৎসামান্য কমতে পারে বলেও তিনি জানান। ঢাকা এসকর্টের ওয়েব সাইটে দেখা যায়, ফেডারেল লেবেয়িং এন্ড রেকর্ড কিপিং ল’ (১৮ ইউএসসি ২২৫৭) অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম বৈধ এবং কর্তৃপড়্গ অনুমোদিত। কিন’ একাধিক আইনজীবীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই আইনের দোহাই দিয়ে যৌন ব্যবসা বৈধ করার কোন সুযোগ নেই। এছাড়া খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসকর্ট এজেন্সি খুলে কলগার্ল ব্যবসা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পুলিশ গুলশান জোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কোনভাবেই যৌন ব্যবসা বৈধ হতে পারে না। উলেস্নখিত আইনের কথাও এর আগে শোনেননি বলে জানান তিনি। আর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে একেবারে প্রকাশ্যে এই ধরনের যৌনব্যবসা চলছে শুনে তিনি বিস্মিত হন।
কলগার্ল হতে ইচ্ছুক :
এসকর্ট এজেন্সিগুলো কলগার্ল হতে ইচ্ছুকদের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আহ্বান জানায়। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়-য়া সুন্দরী মেয়ে, গৃহিনী এবং কম বয়সী তরম্নণীদের লোভনীয় প্রসত্মাবের মাধ্যমে আকৃষ্ট করার প্রবণতা লড়্গ্য করা যায়। গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বাচ্ছন্দ এবং কম বয়সে লাখপতি হওয়ার সুযোগ। এ রকম নানা প্রলোভনে কলগার্ল হওয়ার প্রসত্মাব দিয়ে থাকে এসব এসকর্ট এজেন্সিগুলো। তবে অধিকাংশ ড়্গেত্রে সরাসরি এজেন্টরা নতুন কলগার্ল নিতে ডিল করে না। মাধ্যম হিসেবে তৃতীয় একটি পড়্গকে ব্যবহার করে থাকে। ফলে কেউ কলগার্লের খাতায় নাম লেখালে সেড়্গেত্রে এজেন্সিকে দায়ী করা যায় না।
রেট :
সাধারণতঃ ৪ ক্যাটাগরির কলগার্ল পাওয়া যায়। বয়স, ফিগার এবং ইন্টেলেকচুয়াল-এর ওপর ভিত্তি করে ক্যাটাগরি নির্ধরণ করা হয়। এলিট ‘এ’, এলিট ‘বি’, প্রিমিয়াম ‘এ’ এবং প্রিমিয়াম ‘বি’। ক্যাটাগরি অনুযায়ী কলগার্লদের পেতে টাকা খরচের অঙ্কেও পরিবর্তন আসে। এলিট ক্যাটাগরির কলগার্লদের স্বল্প সময়ের জন্য বুকিং দেয়া যায় না। প্রিমিয়ার ক্যাটাগরির কলগার্লদের আধা ঘণ্টার জন্য বুকিং দিলে কমপড়্গে ৪০ ডলার গুনতে হয়। আর এলিট শ্রেণীর সর্বনিম্ন রেট ২০০ ডলার (প্রতিঘণ্টা)। তবে সময় বাড়লে রেটে কিছুটা তারতম্য হয়। পুরো রাতের জন্য এ লেবেলের এলিট কলগার্লদের রেট ৮০০ থেকে ১০০০ ডলার। প্রতি তিন সপ্তাহ অনত্মর কলগার্লদের ডাক্তারী পরীড়্গা করা হয়। ফলে কলগার্লদের সংস্পর্শে ক্লায়েন্টদের কোন প্রকার যৌনবাহিত রোগ হবে না বলেও নিশ্চয়তা দেয় এজেন্টরা। পছন্দের কলগার্লকে নিয়ে ঢাকার বাইরে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে। হিল ট্রাক্টস্‌, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এমনকি দেশের বাইরেও নিয়ে যাওয়া সম্ভব। আর সেড়্গেত্রে দরকার শুধু টাকা। এলিট কলগার্লদের প্রায় সকলেরই পাসপোর্ট রয়েছে। পছন্দসই এসকর্ট অর্ডার দেয়ার পর ঢাকা হলে এসকর্ট আয়োজনে সময় লাগবে সর্বোচ্চ একঘণ্টা। সিলেট, চট্টগ্রাম ১২ ঘণ্টা এবং দেশের বাইরে তিনদিন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশের নতুন, পুরানো অনেক মডেল, টেলিভিশন ও সিনেমার বেশ কয়েকজন অভিনেত্রী এমনকি প্রাইভেট চ্যানেলের সংবাদ পাঠিকাও কলগার্লের খাতায় নাম লিখিয়েছেন। তবে এদের রেট প্রচলিত রেটের চেয়ে অনেক বেশি। এদের সাথে প্রোগ্রাম কিংবা এসকর্টে অংশ নিতে হলে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরম্ন করে ২ লাখ টাকা পর্যনত্ম খরচ করতে হয়। অগ্রিম টাকা নেয়া হয় না। সে ড়্গেত্রে নতুন ক্লায়েন্ট হলেও প্রতারিত হওয়ার ভয় থাকে না বললেই চলে। কলগার্ল অর্ডার দেয়ার পর তাকে দেখে পছন্দ না হলে অর্ডার বাতিল করা যায়। বিভিন্ন দেশের প্রচলিত মুদ্রায় বিল পরিশোধ করা যায়। তবে এ ড়্গেত্রে টাকার সাথে সাথে ডলার, পাউন্ড এবং ইউরোকেই অগ্রাধিকার দেয়া হয়। প্রাইভেসির জন্য শুধুমাত্র নগদ ক্যাশে বিল দিতে হয়। চেক কিংবা ডেবিট, ক্রেডিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নয়।
পরিশেষে :
কলগার্ল হচ্ছে মুখোশের আড়ালে চালিয়ে যাওয়া একটি পেশা। দেশে ঠিক কতজন কলগার্ল আছে, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। আর এটা এমন একটা পেশা যেখানে পেশাজীবী থাকেন আড়ালে, গোপনে। এখানে যেমন যৌনবাহিত রোগের ঝুঁকি রয়েছে, তেমনি জানাজানি হলে পারিবারিক ও সামাজিক অশানিত্মও অপেড়্গা করছে। ফলে সবার অলড়্গে প্রতিদিন কতজন মেয়ে এই পেশায় নাম লেখাচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়। কিন’ যারা কলগার্ল নিয়ে ব্যবসা করে তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এ সংখ্যাটি একেবারেই কম নয়। আর যদি সত্যি সত্যিই তেমনটি হয়ে থাকে, তবে তা যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ। কেননা, তাহলে যে মুখশের আড়ালে হারিয়ে যাবে বিবেকের এবং চিরচেনা বাংলার সবুজ নারী।

সুন্দরবনের জোয়ার-ভাটার টানে ‘জলবেশ্যা’

বাংলাদেশের খ্যাতিমান কবি আল মাহমুদের গল্প ‘জলবেশ্যা’য় উগ্র রূপসী বেদেনীদের কথা উঠে এসেছে। মূলত নৌকায় এদের বাস। দলবদ্ধভাবে। এক হাতে সাপ, অন্যহাতে তারা নৌকায় তুলে নেয় ব্যাপারিদের। বেদেনীদের বিচিত্র জীবনের টান ভালভাবেই অনুভব করেছিলেন পরিচালক মুকুল রায় চৌধুরী।
আর সেই টানেই ‘জলবেশ্যা’র ছায়ায় পরিচালক নদীর সঙ্গে মাটির গভীর প্রেমকে চিত্রায়ণ করেছেন ‘টান’ নামে। অবশ্যই রাতের সুন্দরীদের কথা উঠে এসেছে ছবিতে। আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি  এ ছবির মুক্তি উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিচালক জানিয়েছেন, বিচিত্র এই পেশার কথা তিনি জানতে পেরেছিলেন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিজ্ঞাপনের কাজে ঘুরতে গিয়ে।

তবে আল মাহমুদের গল্পই তার এই ছবি
তৈরির প্রেরণা। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনেই গোটা ছবির শুটিং হয়েছে। পরিচালক দাবি করেছেন, সুন্দরবনে যারা বাস করেন তাদের দৈনন্দিন জীবন, তাদের চাহিদা নিয়ে বাংলায় কোন ছবি এর আগে হয়নি।

নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের জোয়ার-ভাটার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ছবির  শুটিং করতে হয়েছে। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়, রাজেশ শর্মা, কৌশিক মেন, দেবদূত ঘোষ, দেবলীনা দত্ত ও পামেলা সিংহ ভুতোরিয়া।

কলেজ শিক্ষক ও ছাত্রীর নগ্ন ভিডিও এখন সবার মোবাইলে মোবাইলে

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর স্নাতক মহাবিদ্যালয়ের এক শিক্ষক কলেজের প্রাক্তন ছাত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক করে মেলামেশার ভিডিওচিত্র ইন্টারনেটসহ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাজারে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকাবাসী শনিবার কলেজটি ঘেরাও এবং শিক্ষকের বিচারের দাবিতে ভাংচুর করেছে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষককে কলেজ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে।

২০১০ সালে রসায়ন বিভাগের এক ছাত্রী ওই কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবদুল লতিফের কাছে প্রাইভেট পড়ত। এক পর্যায়ে সুকৌশলে ছাত্রীটিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন ও মেলামেশার খোলামেলা ভিডিওচিত্র ধারণ করেন। পরে মোবাইল ফোনটি কানসাট এলাকার একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে নিয়ে গেলে সেটি প্রকাশ পায়। বর্তমানে এটি শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল সকাল থেকে এলাকাবাসী ও কলেজ শিক্ষার্থীরা প্রথমে কানসাটের ওই দোকানটি এবং পরে বিনোদপুর কলেজে চড়াও হয়ে ভাংচুর চালায়। এ সময় পুলিশের সহায়তায় কলেজ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রুহুল আমিন মাইকে অভিযুক্ত শিক্ষককে কলেজ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বিক্ষোভ চলাকালে বিনোদপুর ও শ্যামপুর ইউপি চেয়ারম্যান এবং কলেজের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে অধ্যক্ষ জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল লতিফ পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় আজ গভর্নিংবডির সভা ডাকা হয়েছে।

গতকাল সকালে সরেজমিন কলেজে গিয়ে দেখা যায়, হাজার হাজার ছাত্র, অভিভাবক ও এলাকাবাসী কলেজ চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করছে। শিক্ষার্থীরা কলেজের ক্লাসরুমে তালা দিয়ে ক্লাস বর্জন করেছে এবং প্রিন্সিপাল রুহুল আমিনকে প্রায় ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ অধ্যক্ষকে উদ্ধার ও উত্তেজিত জনতাকে বিচারের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। একই কলেজের কয়েকজন ছাত্র নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানান, লম্পট শিক্ষক আবদুল লতিফ শুধু এ ছাত্রীকেই নয়, আরও প্রায় ৭/৮ জন ছাত্রীর সঙ্গে একই ধরনের প্রতারণা করেছে এবং অধ্যক্ষ বিচারের আশ্বাস দিলেও অভিযুক্ত শিক্ষককে সুকৌশলে রক্ষা করেছেন।

ছাত্রীর বাবা জানান, 'লম্পট শিক্ষক আবদুল লতিফ ব্ল্যাকমেইল করে সামাজিকভাবে হেয় করে আমার বিবাহিত মেয়ের ঘর ভাঙতে বসেছে। আমি এ লম্পট শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।' জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল লতিফের বাড়িতে অত্যাধুনিক কম্পিউটার, ভিডিও ক্যামেরা ও ভারতীয় পাওয়ারফুল ডিশ সংযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, 'ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। থানায় মামলা হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিব।'

যৌনকর্মীদের ছবি ‘দেহস্টেশন’!

এবার যৌনকর্মীদের জীবন-চরিত্র নিয়ে ছবি তৈরি হলো ভারত-বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে। ছবির গল্পটি এক যৌনকর্মীকে ভিত্তিকরে সাজানো। একটি মেয়ের যৌনকর্মী হিসেবে জীবন-যাপনের পূর্ণঙ্গ গল্প নিয়ে সম্প্রতি এ ছবিটি নির্মাণ করা হলো। চলচ্চিত্রটির নাম ‘দেহস্টেশন।’ আহমেদ তাহসিন শামসের পরিচালনায় দেহস্টেশন চলচ্চিত্রটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোলকাতার অভিনেত্রী মৌমিতা মিত্র। এ চলচ্চিত্রটির মধ্যদিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটছে তার। চারপাশের সবাই যখন গ্ল্যামার আর খ্যাতির পেছনে ছুটছেন তখন মৌমিতা জানালেন তিনি নায়িকা নন কেবল একজন সুঅভিনেত্রী হতে চান।
সকালে মৌমিতার সঙ্গে দেশের নতুন এ চলচ্চিত্রটি নিয়ে কথা হলো। কোলকাতায় বসে তিনি জানালেন তার অভিনয় জীবনের টুকিটাকি নানা তথ্য। প্রথমেই দেহস্টেশন চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে মৌমিতা মিত্র বলেন, এখানে আমার চরিত্রটি একজন পতিতার। পতিতা হিসেবে তার জীবনের নানাদিক থেকে তার জীবন যন্ত্রণা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রেমিকা হিসেবে, মা হিসেবে, বড় বোন হিসেবে তার জীবনের নানামুখী দিক তুলে ধরা হয়েছে। সে একজন প্রতিবাদী নারী। সমাজ তার সাথে কী ব্যবহার করে তা নিয়েই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
বাংলাদেশের পূবাইল, ধলেশ্বরী নদী, ফরিদপুর যৌনপল্লীতে চলচ্চিত্রটির শ্যুটিং সম্পন্ন হয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রে অভিষেক প্রসঙ্গে মৌমিতা মিত্র বলেন, বড় পর্দায় জীবন শুরু হতে চলেছে আমার। শুরুতেই স্বপ্নের একটি চরিত্রে কাজ করলাম। অসাধারণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। আমার সহশিল্পী ছিলেন শাহাদাত হোসেন, মহসিন স্যার। ওনাদের যথাসম্ভব সাহায্য পেয়েছি। এক কথায় অপূর্ব পরিচালক তাহসিন আর আলাউদ্দিন আহমেদ রানা যিনি এখানে ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। পরিচালক আমাকে অনেকদিন ধরেই চেনেন। তাই হুট করে প্রস্তাবটা চলে এলো।
অভিনয় জীবন নিয়ে মৌমিতা বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই থিয়েটার করছি। অভিনয়টা একদম রক্তে মিশে গেছে। ইচ্ছে ছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবিতে কাজ করবো। কিন্তু ঋতুপর্ণতো আমাকে ছেড়ে চলেই গেলেন। তবে অনেক তরুণ নির্মাতা এসেছে যাদের হাত ধরে বাংলা চলচ্চিত্র অনেকদূর যেতে পারবে বলে মনে করি।
মৌমিতা বলেন, অভিনয়ে আমার রোল মডেল স্মিতা পাতিল। উনার কাজ দেখেই নিজের ভিতর অভিনয়ের সঙ্গে বসবাস শুরু করে দিয়েছিলাম। মা এবং ভাইয়ের উৎসাহ পেয়েই আমি অভিনয় করার স্বপ্ন দেখি। আমি অভিনেত্রী হতে চাই, নায়িকা নয়। ছবির পরিচালক আহমেদ তাহসিন শামস বলেন, চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। তবে তা কবে মুক্তি দেব তা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারছি না। জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানাতে পারবো বলে আশা করছি।


আরো খবর:


পরকিয়া প্রেমের ঠিকানা

পরকীয়া বাড়ছে, বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি। আর পারিবারিক অশান্তিসহ দাম্পত্য কলহে পরকীয়ার বলি হওয়ার ঘটনা ঘটছে অহরহ। পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায়, প্রায়ই নারী বা পুরুষ পরকীয়ার অদৃশ্য ফাঁদে আটকে আত্মহনন করছে। আবার কখনো হত্যা করা হচ্ছে। তারপরও থেমে নেই পরকীয়া। বর্তমান সময়ে সহজলভ্য মুঠোফোন আর রাজধানীর পার্ক বা উদ্যানগুলোর নিরাপত্তা পরকীয়ায় অতিরিক্ত সুযোগ করে দিয়েছে।প্রায় সব শ্রেণীর মানুষ এ ধরনের প্রেমলীলার আকর্ষণে আকৃষ্ট।

তাই সকাল ১০টা বাজতে না বাজতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্ক যেন পরকীয়ার লীলায় উদ্ভাসিত হতে থাকে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে এই প্রেম লিলা।এমনই এক রোমান্সকর প্রেমিক জুটির সাথে দেখা হয় বেলা সাড়ে ১১টায়। প্রেমিক সিরাজ মিয়া পেশায় একজন রিকশাচালক। তার প্রেমিকা সেলিনা ঝি’র কাজ করেন।



পেশাগত জীবনে যাই হোক না কোন প্রেমের রোমান্সকর মুহূর্তকে উপভোগ করতে একটুও পেছনে পড়েনি। তাদের সাথে কথাবার্তায় জানা যায়, সিরাজ ও সেলিনার বাড়ি একই গ্রামে। তাদের সাথে দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। কিন্তু পরিবারের সম্মতির কারণে তাদের দু’জনের মিলন হয়নি। উভয়েরই অন্যদিকে পাড়ি জমাতে হয়েছে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে সেলিনার স্বামী তাকে দুটি সন্তানসহ ফেলে নিখোঁজ।


তিনি ধানমন্ডির এক সাহেবের বাড়িতে ঝি’র কাজ করেন। অন্যদিকে সিরাজের স্ত্রী প্রায় এক বছর আগে একটি সন্তান রেখে মারা যান। এদের দু’জনের পরিস্থিতি একই ধরনের। আর উভয়ের প্রয়োজনের তাগিদে নতুন স্বপ্ন নিয়ে উভয়কে খুঁজে বের করেছে। এরপর থেকেই দু’জন দু’জনকে চোখে চোখে রাখেন। দু’জন দু’জনকে একবার হারালেও আর হারাতে চায় না বলে জানান সেলিনা। সব গুছিয়ে এক-দুই মাসের মধ্যে তারা নতুনভাবে ঘর বাঁধবে বলে জানান।


সিরাজ-সেলিনার মত বিভিন্ন শ্রেণীর অসংখ্য প্রেমিক জুটি এখানে নির্বিঘ্নে তাদের স্বীয় প্রেম লিলায় মত্ত। আর এতে অনেকের জীবন জীবিকারও পথ বেরিয়ে আসছে। একটি সূত্রে জানা যায়, পরকীয়ায় লিপ্ত নারীদের বেশিরভাগই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলের বোর্ডার। আর কর্মজীবী হোস্টেলগুলোতে বসবাসকারী নারীদের একটি অংশ বিভিন্ন কারণে পারিবারিক গন্ডীর বাইরে স্বাধীন থেকে নিজস্ব আঙ্গিকে জীবন জীবিকার অন্বেষণেই কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলে মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজে নেয়।

অনেকরই চাকরি বা কর্মসংস্থান না থাকালেও বিভিন্ন কায়দায় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালায়। এদের অনেকেই বিভিন্ন সামর্থ্যবান কোনো লোকের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। সকালে বের হয়ে মোবাইলে ফোন করে পার্কে বসে এক দুই ঘণ্টা কাটিয়ে যায়। এমন প্রেমিক জুটির সংখ্যা ইদানীং বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানায় একটি উদ্যানের গেটকিপার।


তিনি জানান, মাঝবয়সী নারী-পুরুষ ইদানীং উদ্যানে চুকিয়ে প্রেম করছে। কারণ এই বয়সে এ ধরনের প্রেমিক জুটি অন্য কোথাও সময় কাটাতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বর্তমান উদ্যান-পার্কগুলোতে এ ধরনের কোনো জটিলতার সম্ভাবনা নেই। এমনিভাবে রাজধানীর পার্ক- উদ্যানগুলোতে প্রেমিক-প্রেমিকার অভয়াশ্রমে পরিণত হওয়ার সাথে সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত প্রেমিক জুটিদের আনাগোনা বেড়ে যাচ্ছে।



আরো খবর: